আমার বিয়ে হয় প্রেম করে,,আমি আমার স্বামীকে অনেক ভালোবাসি,,কিন্তু সে এখন এমন সব আচরণ করে যাতে মনে হয় আমি তার জীবনে না থাকলে ও তার ওপর কোনো প্রভান ফেলবে না,,,আমি তাকে যতটা ভালোবাসি সে আমাকে ততটা বাসেনা,,,,সম্পর্ক রাখার কোনো দায় তার নাই,,সবকিছুতে আমাকে নত হতে হবে যদি সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখতে চাই,,আর যদি আমি ছাড় না দেই তাহলে সে নত হবেনা,,এতে সম্পর্ক ভাঙ্গে গেলেও তার কিছু যায় আসেনা,,,আমার সংসার বাঁচাতে আমি কী করতে পারি?
2956 views

4 Answers

আপনি তাকে সোজাসুজি জিজ্ঞাস করুন সে কি চায়.. .তাকে বোঝান একটা সর্ম্পকে শুধু একজন ছাড় দিলে চলবে না, ,,দুজনকেই ছাড় দিতে হবে.. আর ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিন

2956 views

ওনি যদি আপনাকে ভালবেসে থাকে তবে হাজার বার তার কাছে নত হন। কারন সে হয়তো এটা উপভোগ করে যে আপনি তাকে এত ভালবাসেন যে সব সময় নত হন তার কাছে ব্যাপার টা হয়তো সে খুব পছন্দ করে। তাই বিষয়টা পজিটিভ ভাবে চিন্তা করুন

2956 views

এটা একটা সাময়িক সমস্যা। আপনি আপনার স্বামীকে বুঝার চেষ্টা করুন। তার পারিপার্শিক অবস্থাগুলো পর্যবেক্ষন করুন। কেন সে এমন আচঢ়ণ করছে খুজুন। হতে পারে এখন তার দূর্দিন। এমন সময় আপনাকেই তার পাশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আপনাকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে। এক সময় তিনি তার ভুলগুলো বুঝতে পারবেন এবং অবশ্যই তিনি সে সময় আপনার কাছে লজ্জিত হবেন। তখনও আপনি তার পাশে থাকুন আজ যেমন আছেন। ভালবাসা দিয়ে সবকিছু নতুন করে গড়ে তুলুন। আর মনে রাখবেন আপনারা স্বামী-স্ত্রী ব্যতিত পৃথিবীর সকল মানুষই থার্ড পার্সন। এমনকি আপনার বাবা-মা ও। আপনার শ্বশুর বাড়ির কোন কিছুই আপনার বাবা মার সাথে আলোচনা করবেন না। কেননা তারা আপনার সমস্যাগুলো বাস্তবতার নিরিখে নয় বরং আবেগ দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করবেন। যা আপনার জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন নিজের অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব পালন করার চেষ্টা করুন ও আপনার স্বামীসহ সমগ্রদেশ ও বিশ্ববাসির মঙ্গল কামনা করে দোয়া করুন। আর একটা কথা মনে রাখবেন 'রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে' তাই কোন অবস্থাতেই ধৈর্যহারা হবেন না। ধন্যবাদ

2956 views

সত্যিই যদি আপনি আপনার সম্পর্ক বজায় রাখতে চান কিংবা আপনার সম্পর্কটা মধুময় করে তুলতে চান তাহলে আপনাকে অনেক ধৈর্য্যশীলতার পরিচয় দিতে হবে!এবং আরো কিছু করণীয় রয়েছে সেগুলো অনুসরণ করতে হবে।আল্লাহ চাইতো দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে।

যেহেতু আপনারা প্রেম করে বিয়ে করেছেন,নিশ্চয় আপনারা একজন-অন্যজনকে ভালোভাবে জানেনও চিনেন৷সর্বপ্রথম আপনি যে বিষয়টি খেয়াল করবেন সেটি হলো-

বিশ্বাস/আস্থা! বিয়ের আগে থেকে বা বিয়ের পরে,আপনাদের মাঝে আস্থার অভাব ছিলো কি না?কখনো ছোটো কাট কারণে আপনাকে অবিশ্বাস করেছিলো কি না?এবং সে বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত কোন ঘটনা অল্পকিছু দিনের ভিতর ঘটলো কিনা?এবিষয়টা খুবই সুক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করুন৷ যদি এমন হয়,তবে আপনার উচিৎ আপনার প্রতি তার আস্থা ফিরানো এবং আপনাকে নির্দোষ প্রমাণিত করা৷খুবই শান্তভাবে!আর যদি এমন না হয়,তবে আপনি অনেকটা আশাবাদী এবং সমস্যাটা হতে পারে সাময়িক!এর জন্য আপনি নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করুন৷ 

শ্রদ্ধাবোধ

স্বামী-স্ত্রী বা ভালোবাসার সম্পর্ক যেটাই হোক না কেন কোনো সম্পর্কেই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে৷ তাই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা খুবই জরুরি৷ কোনো ব্যাপরে দ্বিমত থাকতেই পারে, সেক্ষেত্রে একে অপরকে কষ্ট না দিয়ে বা ঝগড়া না করে আপনার মনের কথা খুলে বলুন৷যেহেতু সে এমুহূর্তে আপনাকে মূল্যায়ন করছেনা,সেক্ষেত্রে আপনি ধৈর্যের পরিচয় দিন৷ 

অনেক সম্পর্ক রয়েছে যারা রাগের মাথায় নিজের দোষ চেপে রেখে একে অপরের ভুল-ত্রুটি বা দোষ বড় করে তুলে ধরে৷ কিন্তু সম্পর্ক ধরে রাখতে চাইলে সেটা না করাই সবচেয়ে ভালো হয়। বরং ভালো সময় বুঝে ঠান্ডা মাথায় আপনার স্বামীকে বলুন, তার কোন আচরণগুলো আপনাকে কষ্ট দেয়৷ দেখবেন একটু সতর্ক হয়ে চেষ্টা করলেই আস্তে আস্তে এ রকম আচরণ কমে যাবে৷

ঘরের পরিবেশকে শান্ত রাখুন-অর্থাৎ ঘরের পরিবেশকে বন্ধুত্বপূর্ণ রাখুন৷ ঘরকে একটু অন্যভাবে সাজান, ফুল রাখুন। নিজে সুন্দর জামা-কাপড় পরে ফিটফাট থাকুন৷ সোজা কথা, বাড়ির দৈনন্দিন পরিবেশকে জীবন্ত করে তুলতে পারলে, সেটাই হতে পারে ভালোবাসার মন্ত্র, সংসারে শান্তির চাবিকাঠি৷ এতে আপনার সম্পর্কও ঠিক থাকবে।

মেজাজ ঠিক রাখুন-কেউই চায় না তার সম্পর্কে ফাটল ধরুক। তবে যখন মেজাজ খারাপ হয়ে যায় তখন সবকিছুই উল্টে যায়। এ সময় একে অপরে মধুর সম্পর্কের কথা ভুলে যায়। এতে সম্পর্ক কখনই ইতিবাচক থাকবে না। তাই নিজের মেজাজটাকে আয়ত্তে রাখার চেষ্টা করুন।

সর্বোপরি -এবিষয়গুলোতে আপনি আপনার ধৈর্য্যের পরিচয় দিন,যেহেতু সে আপাতত যে কোন কারণে সংসার সম্পর্কে অবহেলিত৷ এবং বেশি বেশি দোয়া করুন৷ 

[এরপরের ধাপ/সর্বশেষ ধাপ হলো-সংসারের বড়দের আশ্রয় নেওয়া৷তার মা-বাবা/বড়বোনকে বুঝানো এবং প্রয়োজনে কিছুদিনের জন্য তার কাছথেকে দূরে থাকা৷ 

ইনশাআল্লাহ ভালোবাসলে এটুকুতেই সে ফিরে আসবে৷ ]

2956 views

Related Questions