2 Answers
নমরূদ একটি পা ভাঙা মশার দ্বারা ধ্বংস হয়েছিল। এতে নিশ্চয়ই জ্ঞানীদের জন্য উত্তম শিক্ষা রয়েছে।
একটি ল্যাংড়া মশা নমরুদের মগজে প্রবেশ করে। সে খোদায়ী দাবিও ভুলে যায়। তার মস্তকে জুতা বর্ষিত হতে থাকে, তাতে সে কিছুটা স্বস্তিবোধ করতে থাকে। না হলে সে অস্থির হয়ে যায়। অবশেষে জুতার মার তার মস্তকে পড়তে পড়তে নমরুদ জাহান্নামে পৌঁছে যায়। হায়াতুন হাওয়ান গ্রন্থে নমরুদের নাকে মশা ঢোকার ঘটনাটি এভাবে বর্ণিত হয়েছে। “ওহাব ইবনে মোনাবেবহ বলেন যে, আল্লাহতায়ালা মশককুলকে নমরুদের জন্য প্রেরণ করেন। নমরুদ এমন এক বিশাল বাহিনীর মধ্যে ছিল, যা কল্পনাতীত। যখন নমরুদ মশক দলকে দেখল, সেখান থেকে সে আলাদা হয়ে গেল। প্রাসাদে ঢুকে তার সব দরজা বন্ধ করে দিল এবং পর্দাগুলো টানিয়ে দিল। কিছুক্ষণ পরে গদিতে কাত হয়ে শুয়ে উপায় চিন্তা করতে থাকলো। এমন সময় একটি মশা তার নাকে ঢুকে যায় এবং তার মস্তিষ্কে চলে যায়। মশাটি ৪০ দিন পর্যন্ত বিরক্ত করতে থাকে, বের হয় না। অবস্থা এমন ভীষণ আকার ধারণ করে যে, নমরুদ তার মস্তক জমিনে মারতে থাকে। অবশেষে নমরুদের এমন করুণ অবস্থা হয় যে, তার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিল সেই ব্যক্তি যে তার মস্তকে আঘাত করত। অতঃপর মশাটি পাখির ছা-এর ন্যায় জমিনে পতিত হয়, যেন সে বলছিল আল্লাহতায়ালা অনুরূপভাবে যার উপরে ইচ্ছা তার রাসূলদেরকে কর্তৃত্ব দান করেন। (সূরা ঃ ৫৯ হাশর, আয়াত : ৬)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy