মীর কাশিম যেমন সিরাজউদ্দৌলার পতনে ভূমিকা রেখেছিলেন, তেমনি ইংরেজদের বিরুদ্ধেও বাংলার সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা করেছেন।  ইতিহাস তার ব্যাপারে শেষ কথা হিসেবে কি বলে?
2729 views

1 Answers

পলাশীর যুদ্ধ পরবর্তী নবাব মীর জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীর কাসিমকে ক্ষমতায় বসায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় মীর জাফর ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি করতে সচেষ্ট হন। ব্রিটিশরা ডাচদের ক্রমেই পরাজিত করে এবং মীর জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করে মীর কাসিমকে ক্ষমতায় বসায়। মির কাসিম পরবর্তিতে ইংরেজদের সাথে সামরিক যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। বক্সারের যুদ্ধে তিনি ইংরেজ বাহিনির হাতে পরাজিত হন। বলা হয়ে থাকে এই যুদ্ধই ছিল বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার সর্বশেষ সুযোগ।মীর কাসিম ইংরেজ শোষনের বিরুদ্ধে বরাবরই প্রতিবাদী ছিলেন।ক্ষমতালাভের পর তিনি স্বাধীনভাবে শাসন কাজ পরিচালনায় সচেষ্ট হন। মীর কাসিম একটি চৌকস সামরিক বাহিনি এবং পূর্ন রাজকোষের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেছিলেন। তিনি তার দক্ষ কূটনীতির মাধ্যমে মুঘল সম্রাট শাহ আলমের স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এতসব পরেও সমগ্র দিক বিবেচনা করলে চরিত্রটি নেতিবাচক এবং "বিশ্বাস ঘতক " বলা যায়।উল্লেখ্য, মীর মুহম্মদ কাশিম আলী খান ১৭৬০ সাল থেকে ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত বাংলার নবাব ছিলেন।

2729 views

Related Questions