1 Answers

অাগে সুদ অার মুনাফা কি তা জানুন তারপর মূল প্রশ্নের উত্তর:


 যেহেতু সুদকে কঠোরভাবে

নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, তাই সুদ ও

মুনাফার পার্থক্য নির্ণয় জরুরী।

“আল্লাহ’তাআলা ব্যবসাকে হালাল

করেছেন এবং সুদকে হারাম

করেছেন” (কোরআন, ২:২৭৫) 


 সুদ এবং মুনাফার মাঝে পার্থক্য কি?

সুদ ও মুনাফার মাঝে বেশ কিছু
দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে। সেগুলো
হলো-
সংজ্ঞাগত পার্থক্য : কোনো নির্দিষ্ট
পরিমাণ অর্থের উপর নির্দিষ্ট সময়ে
নির্দিষ্ট হারে অতিরিক্ত অর্থ আদায়
করাকে সুদ বলা হয়। আর মুনাফা হচ্ছে-
লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে ব্যাবসায়িক
উপার্জন।
উপাদানগত পার্থক্য : সুদের উপাদান হলো-
সময়, সুদের হার ও ঋণের পরিমাণ। আর
মুনাফা নির্ভর করে ব্যয়-সাশ্রয় ও অনুকুল
চাহিদার উপর।
উৎসগত পার্থক্য : সুদের উৎপত্তি হলো ঋণ
থেকে। ঋণ সুদমুক্তও হতে পারে। তবে ঋণ
ছাড়া সুদের উৎপত্তি অসম্ভব। মুনাফার উৎস
সৃষ্টি হয় ব্যবসায়ে সরাসরি মূলধন
বিনিয়োগের মাধ্যমে।
মূলধন বিনিয়োগে ঝুকিগত পার্থক্য : সুদের
লগ্নীতে ঋণদাতা পুজি হারানোর ঝুকি
বহন করে না। মুনাফার কারবারে মূলধনী
ক্ষতির ঝুকি থাকে। পুজির যোগানদার এ
ঝুকি বহন করে।
তহবিল ব্যবহারকারীর ঝুকিগত পার্থক্য :
মূলধনী তহবিলে ঋণের পরিমাণ বেশি
হলে প্রতিষ্ঠানের ঝুকি বাড়ে। লাভ-
লোকসানের ভিত্তিকে বিনিয়োগের
পরিমাণ বাড়ার কারণে প্রতিষ্ঠানের
আর্থিক ঝুকি বাড়ে না। ফলে এ পদ্ধতিতে
নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত হয়।
ফলাফলগত পার্থক্য : সুদের ফল ঋণদাতা একা
ভোগ করে। মুনাফা ভাগ হয় পুজির
যোগানদার ও ব্যবহারকারী/সংগঠকের
মাধ্যমে।
ক্রমবৃদ্ধিগত পার্থক্য : একই ঋণচুক্তির
বিপরীতে ঋণদাতা নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদ
বারবার পেতে পারে। এক্ষেত্রে
চক্রবৃদ্ধিরও সুযোগ থাকে। কেনা-বেচার
কারবারে কোনো পণ্যেও দাম একবার
নির্ধারিত হয়। সে কেনা-বেচা থেকে
মুনাফা একবারই পাওয়া যায়। কোনো
কারণে সময় বেড়ে গেলেও মুনাফা
বাড়ে না।
সুদ ও মুনাফা নির্ধারণের কৌশলগত পার্থক্য
: আসল ও সুদ যোগ করে সুদ-আসল নির্ধারণ
করা হয়। সময় বৃদ্ধির সাথে সুদ চক্রাকারে
বেড়ে যায়। আর মুনাফার ক্ষেত্রে মোট
বিক্রয় মূল্য থেকে যাবতীয় খরচ বাদ দিলে
মুনাফা বের হয়।
শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য : ইসলামে
সুদ চরমভাবে নিষিদ্ধ। কোনো ধরনের
সুদের ব্যবসায়ই ইসলাম অনুমোদন করে না।
আর মুনাফা ইসলামে অনুমোদিত।
স্বাভাবিক মুনাফা অর্জনের মাধ্যমে
কারবার পরিচালনাকে ইসলাম উৎসাহিত
করেসলামে সুদ অার মুনাফা এক জিনিস নয়।


→ইসলামী ব্যাংক গুলো অাপনার টাকা অামানত রেখে তা দিয়ে ব্যবসা করে বা ব্যবসায়ীক খাতে কাজে লাগায়।সেই ব্যবসায় যা লাভ হয় তার কিছু অংশ গ্রাহককে দেয়। এতে লাভ ক্ষতি উভয়েই অাছে কেননা যদি তাদের ব্যবসায় লস হয় তাহলে অাপনি লভ্যাংশ পাবেননা।সাধারণত লাভই হয়।এটাই হলো ইসলামী ব্যাংকের শরিয়ত ভিত্তিক মুনাফা বা লভ্যাংশ।অাবার ইসলামী ব্যাংক বিনা সুদে ঝণ দেয়।

অার  সুদ হলো হারাম।সুদি ব্যাংক উচ্চহারে সুদ দেয়।এতে কোন ক্ষতি বা লস নেই।শুধুই লাভ।তাই এটা হারাম। 


 
2566 views

Related Questions