আমি কোরআন শরীফ পড়ার সময় যেখানে যে সিজদাহ গুলা দেয়ার নির্দেষ ছিল সেখানে সেই সিজদাহ দেইনি। ভেবেছিলাম  কোরআন খতম করার পর সবগুলা সিজদাহ একসাথে দিব। তবে  কি সব গুলা সিজদাহ একসাথে দেওয়া যায়েজ আছে.? যদি থাকে তার নিয়ম কি?
আর কোরআন খতম করার পর একসাথে সবগুলা সিজদাহ দেওয়া জায়েজ না থাকলে, তবে এখন করনীয় কি.? আমার অলরেডি খতম হয়ে গেছে।

3316 views

3 Answers

জ্বি আপনি এক সাথে সকল সিজদাহ আদায় করতে পারেন। আপনি দাড়াবেন এবং আল্লাহ্ আকবর বলে সিজদাহ করবেন। হাত বাঁধার প্রয়োজন নেই। প্রতিটা সিজদার আগে উঠে দাড়াবেন।

3316 views

 আপনি ইচ্ছা করলে যখন যে সিজদার আয়াত যেখানে ছিল, তখন আদায় করে নিতে পারেন। অথবা পরেও আদায় করে নিতে পারেন। উবয়টাই জায়েজ আছে। তবে যেহেতু সিজদায়ে তিলাওয়াত ওয়াজিব তাই বিলম্ব না করে, তাড়াতাড়ি আদায় করে  নেওয়াটাই ভালো । কেননা ওয়াজিব আদায় না করা অবস্থায় যদি আপনি মুত্যুবরণ করেন তাহলে আল্লাহর কাছে জবাব দিহি করতে হবে।

3316 views

হ্যাঁ ভাইয়া।আপনি একসাথে সব সিজদা দিতে পারেন। 


এই সিজদা ফরজ নয়, ওয়াজিব। এ সিজদা না কলে গোনাহ হবে।তাই আপনার সিজদা অবশ্যই দিতে হবে।অন্যথায় আপনি গুনাগার হবেন।
আমি আপনাকে নিয়মটাও বললাম-

 তেলাওয়াতে সিজদার পদ্ধতি হলো, হাত না উঠিয়ে দাঁড়ানো থেকে আল্লাহু আকবার বলে সোজা সিজদায় চলে যেতে হবে এবং সুবহানা রাব্বিয়াল আলা তিনবার পড়ে আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়াতে হবে। সিজদা মাত্র একটি হবে। এতে তাশাহ্হুদ নেই, সালামও নেই। এ সেজদার জন্য হাত উঠাতে বা হাত বাঁধতে হবে না এবং দুটি সেজদাও করতে হবে না। যদি না দাঁড়িয়ে বসে বসে সেজদা করে অথবা সেজদা করে বসে থাকে তাও জায়েজ আছে। পুরুষদের জন্য আল্লাহু আকবর জোরে বলা উত্তম। 

হানাফি মাজহাব মতে পবিত্র কোরআনে কারিমের সিজদার আয়াতসমূহ হলো- ১. সূরা আরাফ, আয়াত ২০৬।‍ ২. সূরা আর রাদ, আয়াত ১৫। ৩. সূরা আন নাহল, আয়াত ৪৯। ৪. সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত ১০৯। ৫. সূরা মারইয়াম, আয়াত ৫৮। ৬. সূরা হজ, আয়াত ১৮। ৭. সূরা আর ফোরকান, আয়াত ৬০। ৮. সূরা আন নামল, আয়াত ২৬। ৯. সূরা আস সিজদাহ, আয়াত ১৫। ১০. সূরা সাদ, আয়াত ২৫। ১১. সূরা হা-মীম সিজদা, আয়াত ৩৮। ১২. সূরা আন নাজম, আয়াত ৬২। ১৩. সূরা আল ইনশিকাক, আয়াত ২১। ১৪. সূরা আল আলাক, আয়াত ১৯
3316 views

Related Questions