আমি একটা গান লেখতে চাই, তো এর আগে কখনো লেখা হয়নি। এখন বুঝতে পারছি না যে, গানটা কীভাবে লেখবো বা লেখার নিয়মটা কী। যদি এমন অভিজ্ঞতা কারো থেকে থাকে তাহলে জানাবেন প্লীজ। 
2862 views

1 Answers

এইটা কে স্ক্রিপ্ট বলে না, লিরিক্স বলে। নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করলে আপনি সফলভাবে একটা সুন্দর গান লিখতে পারবেন।

১। গানের নাম নির্ধারণ করুন। এমন একটি নাম রাখুন যা গানটিকে এক কথায় প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

২।গানের কাঠামো ঠিক করুন। সাধারণত এই কাঠামোটি ব্যবহার করা হয়:

  ক) Intro/সুচনাঃ এই লাইন গুলোতে গানের মূলভাব প্রকাশ হয় না,তার আংশিক সম্পর্কিত কিছু লেখা হয়। যেমন আমরা বাংলা রচনায় লিখি। এই পার্টটির পুনরাবৃত্তি হয় না, কারন প্রয়োজন হয় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে করা রিপিট করা যায়।  

  খ) Verse/স্তবকঃ এখানেই গান শুরু হয়। এখান থেকে গানটি তার মূলভাবের দিকে মোড় নিচ্ছে।এই পার্টটি এবং কোরাস এর পুনরাবৃত্তি হয় (২ থেকে ৩ বার)। কিছু গানে ২ টা ভিন্ন ভিন্ন ভার্স থাকে আবার কিছু গানে এক ভার্সকেই দুইবার গায়।  

  গ) Chorus: এটা আপনার গান এর মেইন অংশ। এই পার্টির ওপরেই ভিত্তি করে পুরো গানটি। সাধারণত গানের নাম হিসেবে কোরাস এর থেকে কোনো অংশকে নেয়া হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ২য় কোরাসের পূর্বে প্রি কোরাস হিসেবে একটা প্যারা থাকে। যা এককথায় ২য় ইনট্রো কারন, এটি গানটির ২য় এবং ৩য় অংশের সুচনা করে।


  ঘ) ব্রিজ/সোলোঃ গানের এই পার্টটি কখনোই পুনরাবৃত্তি হয় না। এই পার্টি স্পেশাল একটা পার্ট যা গানটির অতিরিক্ত সারমর্ম প্রকাশ করে থাকে। সব গানে ব্রিজ থাকে না, আবার অনেক গানে থাকে।


  ঙ) Outro/উপসংহারঃ অধিকাংশ ক্ষেত্রে গানের স্তবক অথবা কোরাস কিংবা উভয়কেই একসাথে আবার ব্যবহার করা হয় কিন্তু সামান্য ভিন্ন সুরে গেয়ে এটিকেই আউট্রো হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিছুক্ষেত্রে আবার আলাদা করে গানের আউট্রো লিখা হয়।

কাঠামো সংকেতঃ ইনট্রো-ভার্স-কোরাস-ভার্স-কোরাস-ব্রিজ-আউট্রো


কিছু উদাহরণঃ (মন্তব্য দেয়া)

2862 views

Related Questions