মিথ্যা বলা কখন জায়েজ?
2 Answers
৩টি স্থানে মিথ্যা বলা জায়েজঃ
আবু দাউদ শরীফের হাদীস নং ৪৯২১ এ হাদীসে দেখা যায় নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন ৩ স্থানে মিথ্যা বলা জায়েজ।
১। স্বামী তার স্ত্রীকে খুশি করার জন্য মিথ্যা বলা জায়েজ।
২। যুদ্ধ ময়দানে মিথ্যা বলা জায়েজ
এর ব্যাখ্যায় ওলামায়ে কেরাম বলেন আপনি যুদ্ধের ময়দানে গ্রেফতার হলেন তখন আপনাকে জিজ্ঞাসা করল তোমরা কতজন সৈন্য? তখন আপনি সেখানে যুদ্ধ কৌশল হিসেবে সংখ্যা বেশী বলতে পারেন, যেমন নবী করিম (দঃ) ঘোষনা দিতেন আগামীকাল সকালে ফজরের নামাজ আদায় করে সৈন্যদের নিয়ে পূর্ব দিকে রওয়ানা দিব কিন্তু দেখা যেত তিনি নামাজ শেষে পশ্চিম দিকে রওয়ানা দিতেন। কারন রাতে নামাজে মুনাফিকরা থাকত তারা শত্রুদের সে খবর দিয়ে দিত তাই রসুলুল্লাহ (দঃ) যুদ্ধ কৌশল হিসেবে এমনটি করতেন।৩। ২ জন লোকের মাঝে সন্ধি করতে ঝগড়া মিটাতে মিথ্যা বলা জায়েজ।
যেমন আপনার ২ প্রতিবেশী ঝগড়া করে একে অপরের মুখ পযন্ত দেখে না তখন আপনি একজন প্রতিবেশীকে গিয়ে বললেন যে তুমি ওর সাথে কথা বলনা অথচ দেখলাম সে তোমার খুব প্রসংশা করছে, তুমি যে তার অনেক ভাল প্রতিবেশী সেটা সে স্বিকার করেছে, কিন্তু এখন তুমি যে তার সাথে কথা বলছনা তাতে সে খুবই দুঃখীত। তারপর যখন ২য় প্রতিবেশীর সাথে দেখা হবে তাকেও একইভাবে বুঝালে দেখা যাবে একে অপরের সাথে আবার মিলে যাবে। এভাবে ২ জন লোকের মাঝে
রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেন তিন স্থানে মিথ্যা বলা জায়েজ। ১। স্বামী তার স্ত্রীকে খুশি করার জন্য মিথ্যা বলা জায়েজ। ২। যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা জায়েজ। ৩। দুই জন লোকের মাঝে সন্ধি করতে ঝগড়া মিটাতে মিথ্যা বলা জায়েজ। উম্মে কুলসুম বিনতু উকবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি লোকদের মাঝে সংশোধন করার চেষ্টা করে সে মিথ্যাবাদী নয়। সে 'যা বলেছে' ভাল বলেছে অথবা ভালকাজের অগ্রগতি ঘটিয়েছে। (সুনান আত তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯৩৮) উম্মে কুলসুম (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি লোকজনের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করে দেয় এবং কল্যাণকর কথা বলে বা কল্যাণকর ব্যবস্থার উন্নয়ন করে, সে মিথুক নয়। উম্মে কুলসুম (রাঃ) আরো বলেন, আমি তিনটি ক্ষেত্র ছাড়া আর কোন ব্যাপারে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাউকে মিথ্যা বলার অনুমতি দিতে শুনিনিঃ ১। লোকজনের মধ্যে আপোষ-রফা করতে। ২। স্ত্রীর নিকট স্বামীর কথায় এবং ৩। স্বামীর নিকট স্ত্রীর কথায়। (আল-আদাবুল মুফরাদ হাদিস নম্বরঃ ৩৮৬ বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, হাদিসের মানঃ সহিহ) জনাব! স্বামী যদি খুব রাগী হন তবে তার তার গালী এবং অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য মিথ্যা বলা জায়েজ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy