পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি পিতার অবর্তমানে প্রথমে আমার বড় বোনকে দান পত্র করে দিয়ে দেই। কিন্তু পারিপারিক কারনে আবার কয়েকদিন পর ঐ সম্পত্তি আমার নামে দানপত্র করে নিয়ে আসি।  এই সম্পত্তিতে থাকা একটি দোকান ঘর যদি আমার মা আমাকে না জানিয়ে এমনকি আমাকে সাক্ষী হিসাবেও না রেখে চুক্তি পত্র করে ভাড়া দিয়ে দেয় তাহলে ঐ চুক্তিপত্রের কি আইনানুগ ভিত্তি আছে বা থাকবে...।। আমি কি চাইলে ঐ চুক্তিপত্রে উল্লেখিত সময়ের আগে ঐ দোকান ঘর খালি করাতে পারবো...।।।।
2964 views

1 Answers

চুক্তিতে পক্ষগণ মানে অংশীদারগণের নাম-ঠিকানা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ঠিকানা থাকতে হবে। ব্যবসাসংক্রান্ত কার কতটুকু অংশ থাকবে, কে কতটুকু লভ্যাংশ পাবে, ব্যবসা শুরুর তারিখ এবং অবসানের তারিখ, ব্যবসার পুঁজি কত এবং এ থেকে কীভাবে লভ্যাংশ আদায় হবে, ব্যবসার ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি বিষয় অবশ্যই চুক্তিতে থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, ব্যবসার ধরন এবং লাভ- ক্ষতিসংক্রান্ত বিষয়ে কার কতটুকু প্রাপ্য থাকবে এবং কী শর্তে তা ভাগ হবে, তা স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে ভবিষ্যতে ব্যবসা পরিচালনায় জটিলতা দেখা দেবে এবং ব্যবসায়িক অংশীদার চুক্তির দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে। ব্যবসাসংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে তা কীভাবে নিষ্পত্তি হবে, তা স্পষ্ট উল্লেখ করতে হবে। অংশীদারের ধরন বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন, সাধারণ অংশীদার, সুপ্ত অংশীদার, নামমাত্র অংশীদার, সীমিত অংশীদার। চুক্তিপত্রে অবশ্যই অংশীদারের ধরন উল্লেখ করে দিতে হবে। চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ব্যবসার পরিচালনা পদ্ধতির উল্লেখ থাকা। চুক্তি শেষে দুই পক্ষের স্বাক্ষর এবং সাক্ষীদের স্বাক্ষর থাকতে হবে। যে তারিখে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সে তারিখ চুক্তিপত্রে দিতে হবে।

2964 views