1 Answers
ইসলামে অধিকারভুক্ত দাসীর সাথে যৌন মিলন বৈধ। অধিকারভুক্ত দাসী বলতে ক্রীতদাসী ও কাফের যুদ্ধবন্দিনীকে বুঝানো হয়েছে। এখানে কাজের মেয়ে, দাসী, খাদেম বা চাকরানী উদ্দেশ্য নয়।
কিতাব বা কুরআনের দলীল; আল্লাহ তা’আলা বলেন, “যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে নিজেদের পত্নি অথবা অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে অন্যথা করলে তারা নিন্দনীয় হবে না। আর যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।” (সূরা মু’মিনূনঃ ৫-৭)।
অধিকারভুক্ত দাসী বলতে ঐ সমস্ত নারীদেরকে বুঝায়, যারা কাফের ছিল। মুসলিমগণ যুদ্ধে তাদের পুরুষদের পরাজিত করে তাদেরকে নিজেদের অধিকারে নিয়ে আসে, তখন তাদেরকে মুসলিমদের জন্য বিয়ে ছাড়াই হালাল করা হয়েছে।
যুদ্ধ-বন্দিনী দাসীদের সাথে সংগম করার ব্যাপারে কিছু নিয়মনীতি রয়েছেঃ
(এক) অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, এটা শুধুমাত্র মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে যুদ্ধ হলেই হতে পারে। কোন কারণে যদি মুসলিমদের মধ্যে পরস্পর যুদ্ধ হয়, কিংবা মুসলিম দুটি রাষ্ট্রে যুদ্ধের সূচনা হয়, অথবা মুসলিমদের কোন জাতিগত বা ভাষাগত বা রাজনৈতিক দাঙ্গা হয় সেখানে যে যুদ্ধ হবে সে যুদ্ধের কারণে কাউকে অধিকারভুক্ত দাস-দাসী বানানোর অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি। যদি কেউ এটা করতে চায় তবে সেটা হবে সম্পূর্ণ অবৈধ ও ব্যভিচার। এ ধরনের লোকদেরকে ব্যভিচারের শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
(দুই) যে সমস্ত মেয়ে বন্দী হয় তাদেরকে ইসলামী আইন অনুযায়ী সরকারের হাতে সোপর্দ করে দিতে হবে। সরকার চাইলে তাদেরকে বিনা শর্তে মুক্ত করে দিতে পারে, মুক্তিপণ গ্রহণ করতে পারে, শক্রর হাতে যে সমস্ত মুসলিম বন্দী রয়েছে তাদের সাথে এদের বিনিময়ও করতে পারে এবং চাইলে তাদেরকে সৈন্যদের মাঝে বন্টনও করে দিতে পারে। তাই বন্দী করার সাথে সাথেই কোন সৈনিক তাদের সাথে সংগম করার অধিকার লাভ করে না। তাছাড়া কোন ক্রমেই যুদ্ধাবস্থায় এ অধিকার কারও থাকবে না। যদি কেউ যুদ্ধাবস্থায় এ কাজ করে তবে তাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
আল্লাহ তায়ালা সূরা নিসা, সূরা মুমিনসহ কোরআনে কারিমের অনেক আয়াতের মধ্যে অধিকারভুক্ত দাসীর কথা উল্লেখ করেছেন। এখানে দাসী বলতে যেসময়ে দাসী কেনা হতো, সেই সময়ের বিধানের কথা আলোচনা করা হয়েছে। কারণ তখনকার সময়ে দাস-দাসী বিক্রি হতো। সেই রকম দাসদাসী যদি থাকে, তাহলে তাদের বিধান হচ্ছে এটি।
কিন্তু বর্তমানে দাস-দাসী কেনাবেচা হয় না। তাই এটি বর্তমানের দাসদাসীদের বিধান নয়। আমাদের অনেকেই অধিকারভুক্ত দাসদাসী বিষয়টি বোঝেন না, অথবা অনেকেই একে ভুল ব্যাখ্যার মধ্যে নিয়ে যান, সেটি হচ্ছে, অনেকেই মনে করেন যে, যারা কর্মচারী আছেন, কাজ করেন অথবা ঘরবাড়ীতে যারা কাজ করে থাকেন, এরাই এই দাসী। বিষয়টি মূলত এমন না। এই ধারনের দাসী বলতে বুঝানো হয়, যাদের কেনা হয়ে থাকে, যারা একেবারেই আপনার মালিকানাভুক্ত।
◄❖► ◄❖ আল্লাহ-ই ভাল জানেন। ❖► ◄❖► ▬▬▬▬▬▬▬ ◄❖► ▬▬▬▬▬▬▬
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy