1 Answers
"সুরা ইব্রাহীম"-এর ফযীলত হল, এই সুরাটি পূর্বাক্ত (সুরা রাদ) সুরাটির শেষ অংশ বিশেষ হিসেবে ধরা যায়। এই সুরাটিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, কি ভাবে স্বার্থান্ধ লোকের স্বার্থপরতা সত্বেও, সত্য তার নিজস্ব শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এই সত্যকে উপস্থাপন করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত মুসা (আঃ) ও হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর জীবন কাহিনীকে উদাহরণ স্বরূপ তুলে ধরেছেন। এই সুরার মর্মার্থ হচ্ছে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর প্রার্থনা। আর এ সুরার প্রধান ফযীলত হচ্ছে, মানবজাতিকে হেদায়াতের দিকে ধাবিত করা। নবীর কাজ শুধু হিদায়াতের রাস্তা দেখানো। যদি কেউ হিদায়াতের পথ অবলম্বন করে, তাহলে তা একমাত্র আল্লাহর হুকুম ও ইচ্ছার ভিত্তিতেই করে থাকে। কেননা মূল হিদায়াতদানকারী তো তিনিই। যদি তাঁর ইচ্ছা না হয়, তাহলে নবী-রাসূল যতই ওয়ায-নসীহত করুক না কেন, লোকেরা হিদায়াতের পথে আসতে প্রস্তুত হবে না। এর বিভিন্ন উদাহরণ পূর্ববর্তী নবীদের জীবনে বিদ্যমান রয়েছে। স্বয়ং মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর কঠিন ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তাঁর দয়ার্দ্র চাচা আবূ তালেবকে মুসলমান করতে পারেননি। তবে, আল্লাহ তায়ালা এ সুরাটি অবতীর্ণ করেছেন মানবজাতিকে সঠিক রাস্তা প্রদর্শনের জন্য।