1 Answers
কুকুরের ৫ টি স্বভাব একজন মানুষের কাছে থাকা উচিত এটা কোরান হাদিসে পাওয়া না গেলেও বর্তমানে তা লক্ষ্য করা যায়। ১.কুকুর হারাম খাদ্য খায়। কিছু মানুষের মধ্যে সেই স্বভাব বিদ্যমান। ২.কুকুর দাড়িয়ে প্রসাব করে। কিছু মানুষের মধ্যে সেই স্বভাব বিদ্যমান। ৩.কুকুর সর্বদা নাপাক থাকে। কিছু মানুষের মধ্যে সেই স্বভাব বিদ্যমান। ৪.কুকুর যেখানে সেখানেই আলিঙ্গন করে। কিছু মানুষের মধ্যে সেই স্বভাব বিদ্যমান। মহান আল্লাহ তাআলা সকল প্রাণী এমনিতেই সৃষ্টি করনেনি। এগুলোর প্রত্যেকটার দ্বারাই অনেক উদ্দেশ্য আছে। প্রাণী জগতের মধ্যে সবচেয়ে ইতর প্রাণী কুকুর। এই কুকুর সম্পর্কেও কুরআনে আল্লাহ পাক বলেছেনঃ- কিছু লোক আছে কুকুরের মতো। কুকুরের মাথায় যদি বোঝা চাপাও তাহলে সে জিহ্বা বের করে হাপাতে থাকে। এটা হলো সেই সকল লোকদের উদাহরণ যারা আমার নিদের্শনাবলীকে অস্বীকার করে। সুতরাং আপনি তাদের সামনে এই ঘটনা বর্ণনা করুন, হয়তো তারা এ নিয়ে চিন্তা- ভাবনা করবে। (সুরাঃ আরাফ ১৭৬ ) কুকুরের মধ্যে এমন কিছু গুনাবলী আছে যা অনেক মানুষের মধ্যেও দেখা যায় না। ১.কুকুর সব সময়ে মালিককে যেমন ভালোবাসে তেমনি ভয়ও করে। – মুমিনের মধ্যেও আল্লাহর ব্যাপারে ভয় এবং আশা রাখা উচিত। ২.কুকুরের জন্য থাকার কোন আলাদা স্থান থাকে না। – যদি কেউ বানিয়ে দেয় তাহলে তা ভিন্ন কথা। কিন্তু সাধারণত সে সাধারণ স্থানেই থাকে। কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। – মুমিনদেরও এই পৃথিবীতে স্থায়ী বলে কিছু নেই এমনভাবে থাকা দরকার। ৩. কুকুর রাতের বেলায় কম ঘুমায়। – মুমিন ও নেক্কারদের এমনহওয়া উচিত। ৪. কুকুর মারা গেলে ওয়ারিস সূত্রে তার কোন সম্পত্তি থাকে না। – আল্লাহ ওয়ালাদের এমন হওয়া উচিত। ৫.কুকুরকে যদি তার মালিক মারে এবং পিটায় তারপরও কিন্তু কুকুর কখনোই তার মালিককে ছেড়ে চলে যায় না। বরং একটু দূরে গেলেও আবারও ফিরে আসে এবং মালিকের দরবারে ধর্না দেয়। – এটাই হওয়া উচিত একজন মুমিনের তার রবের সাথে সম্পর্ক। কোন অবস্থাতেই সে যেনো তার রবের কাছ থেকে দূরে না যায়। যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন বিপদ-আপদও তার উপর আসে কিন্তু তারপরও সে যেন মাফ চেয়ে রবের কাছেই ধর্না দেয়। ৬.কুকুর সামান্য খাবার ও সামান্য স্থানেই খুশি। – আল্লাহর কাছে যারা বিনয়ী হতে চায় এটা তাদের জন্য আবশ্যক। ৭.যদি কুকুরকে কেউ মেরে তার স্থান থেকে ভাগিয়ে দেয়, তাহলে সেই লোক চলে যাওয়ার পর কুকুর আবারও তার স্থানে ফিরে আসে। – এটা মুমিনের গুন হওয়া উচিত। ৮. যদি কুকুরকে অপমান করে, দুর দুর করে তারিয়ে দেয়া হয় তাহলেও কুকুর এটা সহ্য করে নেয়। কোন প্রতিবাদ করে না। ৯. কুকুরের সামনে খাবার দিলে সে দূরে থেকে ধীরে ধীরে খাবারে কাছে এসে বসে এবং আস্তে আস্তে খাবার গ্রহণ করে। – এটাও মুমিনদের গুন হওয়া উচিত যে সে খাবারের আদব বজায় রাখবে। ১০. নতুন কেউ এলে কুকুর তার পিছু নেয় না, কিন্তু তাকে ফলো করে। -মুমিনদের জন্যও এটা প্রয়োজন যে সে সর্বদা আল্লাহর ইবাদত করবে আবার নিজের কোন ভুল হচ্ছে কি না তাও লক্ষ্য রাখবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy