3 Answers
কেন হয় : আমাদের নাসারন্ত্র ও শ্বাসনালীতে স্নায়ুকোষের কিছু রিসেপ্টর আছে। এই রিসেপ্টরগুলো আবার ভ্যাগাস নার্ভ (এক) জোড়া নার্ভ যা শ্বাসনালী ও কণ্ঠনালীর মাংসপেশীর সংকোচন ও প্রসারণকে উদ্দীপ্ত করে এর সাথে সংযুক্ত। ইতিপূর্বে উল্লেখিত এলারজেনসমূহ শ্বাসনালীর রিসেপ্টর নার্ভকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে শ্বাসনালীর মাংসপেশীর সংকোচন ঘটে এবং শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দেখা দেয়। সাধারণত খুব কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা দেয়, তবে যে কোন বয়সেই হতে পারে।
উপসর্গসমূহ : নাক দিয়ে পানি পড়ে, নাক চুলকায়, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বাঁশির মতো আওয়াজ বের হওয়া ইত্যাদি।
কি করণীয় : যে কারণে এ উপসর্গগুলো দেখা দেয় এলার্জি টেস্ট করে কারণ নির্ণয় করে তা পরিহার করে চলা উচিত। ঠাণ্ডা বাতাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য এক ধরনের মুখোশ (ফিল্টার মাস্ক) বা মুখবন্ধনী ব্যবহার করা যেতে পারে। যা ফ্লানেল কাপড়ের তৈরি এবং মুখের অর্ধাংশসহ মাথা, কান ঢেকে রাখে। ফলে ব্যবহারকারীরা উত্তপ্ত নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে পারেন। শীত প্রধান দেশে সাধারণত তাদের শীতকালীন বিশেষ পোশাক-এর সাথে এই মাস্ক বা মুখোশ ব্যবহার করে থাকেন। সালবিউটামল ইনহেলার নেয়া যেতে পারে কারণ এ ওষুধ উপসর্গ নিসরণে প্রথম পছন্দনীয় ওষুধ। দীর্ঘমেয়াদি ভাল থাকার জন্য স্টেরয়েড ইনহেলার নেয়া যেতে পারে। ভ্যাকসিন পদ্ধতিতে কর্টিকোস্টেরয়েডের ব্যবহার অনেক কমে যায়। ফলে কর্টিকোস্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। এই ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে এলার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করা হয়।
ডাঃ গোবিন্দ চন্দ্র দাস, সহযোগী আধ্যাপক, দি এলার্জি অ্যান্ড অ্যাজমা সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা।
কোল্ড এলার্জি কি?
শীতকালে আমাদের দেশে বিভিন্ন বয়সের মানুষের শীতকালীন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়, তন্মধ্যে একটি কোল্ড এলার্জি বা শীত সংবেদনশীলতা। আমরা দেখে থাকি শীত আসলেই অনেক শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বা সারা শীত জুড়ে অসুস্থ থাকেন। এর বেশীর ভাগ হয়ে থাকে কোল্ড এলার্জির কারণে।
ঠাণ্ডা বাতাস, সিগারেটের ধোঁয়া, সুগন্ধি, তীব্র গন্ধ, পত্রিকা বা বই-খাতার ধুলা যাতে মাইট থাকে, ফুলের রেণু, মোল্ড ইত্যাদির উপস্থিতি অনেকেই একেবারে সহ্য করতে পারেন না। এসবের উপস্থিতি শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা এ্যাজমা, সর্দি ইত্যাদির দেখা দেয়। এসব বিষয়কে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এলারজেন বলা হয়। এসব এলারজেন জনিত উপসর্গকে আমরা এলার্জি বলে থাকি। সুতরাং প্রচণ্ড শীতও অনেকের জন্য এলারজেন হিসাবে কাজ করে এবং এ কারণে সৃষ্ট উপসর্গকে কোল্ড এলার্জি বলা হয়।
কেন হয়?
আমাদের নাসারন্ধ্র ও শ্বাসনালীতে স্নায়ুকোষের কিছু রিসেপ্টর আছে। এই রিসেপ্টরগুলো আবার ভ্যাগাস নার্ভ (এই জোড়া নার্ভ যা শ্বাসনালী ও কক্তনালীর মাংসপেশীর সংকোচন ও প্রসারণকে উদ্দীপ্ত করে) এর সাথে সংযুক্ত। ইতিপূর্বে উল্লেখিত এলারজেনসমূহ শ্বাসনালীর রিসেপ্টর নার্ভকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে শ্বাসনালীর মাংসপেশীর সংকোচন ঘটে এবং শ্বাসনালী সরু হয়ে যায় তখন রোগীর শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দেখা দেয়।
কাদের বেশী হয়?
সাধারণত খুব কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশী দেখা দেয়, তবে যে কোন বয়সেই হতে পারে।
শীতকালে কেন বেশী হয়? শীতকালে কেন এ উপসর্গ বেশী হয় তা এখনো পরিপূর্ণভাবে জানা যায়নি। তবে অনেক রোগীর সামগ্রিক অবস্থা পরীক্ষা করে কিছু জিনিস চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে যেমন- আবহাওয়ার অবস্থা, দ্রুত তাপমাত্রা এবং বায়ুচাপের পরিবর্তন, উচ্চ আর্দ্রতা মোল্ড ও মাইট-এর বংশ বিস্তারের জন্য উপযোগী বা শীতকালীন রোগগুলোর কারণগুলোর অন্যতম।
উপসর্গসমূহ
নাক দিয়ে পানি পড়ে, নাক চুলকায়, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বাঁশির মত আওয়াজ বের হওয়া, বুক চেপে আসা ইত্যাদি।
কি করণীয়?
যে কারণে এ উপসর্গগুলো দেখা দেয় এলার্জি টেস্ট করে কারণ নির্ণয় করে তা পরিহার করে চলা উচিত। ঠাণ্ডা বাতাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য এক ধরনের মুখোশ (ফিল্টার মাস্ক) বা মুখবন্ধনী ব্যবহার করা যেতে পারে। যা ফ্লানেল কাপড়ের তৈরি এবং মুখের অর্ধাংশসহ মাথা, কান ঢেকে রাখে। ফলে ব্যবহারকারীরা উত্তপ্ত নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে পারেন।
হোমিওপ্যিাথি এলার্জি রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।
অল্প একটু ঠান্ডা লাগলেই অনেকের হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে পানি ঝরে।
এটিই আসলে কোল্ড এলার্জি।
কোল্ড এলার্জি হলে Tab. Alcet অথবা Tab. Rupadin ( 0 + 0 + 1 ) টানা ১০ দিন খেতে হবে।
ঠান্ডা লাগানো যাবে না।
গরম খাবার খেতে হবে।
০৫ দিনের ভেতর উন্নতি না হলে ডাক্তার দেখাতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy