আমার সমনে ফাইনাল পরীক্ষা.... কিন্তুু কিছুতেই পড়তে ইচ্ছা করছেনা। পড়ার টেবিল বসলে কেমন যেন অস্থির লাগে...কিছুতেই পড়তে পরছিনা....কি করলে আমি পড়াশুনয় মন বসাতে পারব & নিয়মিত পড়াশুনা করতে  আপনাদের পরামর্শ চাই ।
2982 views

5 Answers

সব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে একটি আদর্শ রুটিন তৈরি করুন এবং মনোযোগ দিয়ে সে মোতাবেক পড়াশুনা চালিয়ে যান; দেখবেন সবঠিক হয়ে  গেছে।

2982 views

আপনার যত অস্থিরতাই থাকুক না কেন,আপনাকে আগে ১০-২০ মিনিট পড়ায় মন বসাতে হবে।গাড়ি প্রথমেই ৮০ কি.মি বেগে চলে না।একসময় আপনার পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বাড়তে থাকবে।এটি আসলে অভ্যাসের ব্যাপার।দিনে ৮-৯ ঘন্টা পড়াশোনা করুন।কয়েক দিনের মধ্যে আপনার পরিবর্তন ঘটবে এবং বইপোকা হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পাবে। ১ ঘন্টা পড়ার পর ১০ মিনিট বিশ্রাম নিন।এছাড়া,অন্য কাজও করতে পারেন।যেমন পরিবারকে সময় দেয়া,টেবিলটি বা ঘরটি গুছিয়ে নেয়া,কিছুক্ষণের জন্য ঘরের বাইরে ঘুরতে বের হওয়া ইত্যাদি।আর পড়ার সময় এলোমেলো চিন্তা করবেন না।এই চিন্তাগুলো করার জন্য আলাদা ৫-১০ মিনিট সময় রাখুন।আশা করি অস্থিরতা দূর হবে।

2982 views

১. লক্ষ্য ঠিক করুন

আপনার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ঠিক করাই আছে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার লক্ষ্যটিকে মনে করে আবার ঝালাই করুন। আপনি চাইছেন এবারের পরীক্ষায় যে করেই হোক একটা আকাঙ্খিত পয়েন্টে নিয়ে যাবেন আপনার রেজাল্ট। এই লক্ষ্যে মটাকে একটু নিবিষ্ট করুন। দেখবেন আপনার মাঝে একটা জিদের উদ্ভব হয়েছে এবং আপনি আবারো পড়ায় মন দিতে পারছেন। 
২. ক্ষুধা নিবারণ করুন : এমন অনেক সময় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে আর পড়তে মন চায় না। এমনিতেই পড়তে বসলে একটু পর পর ক্ষুধা লাগে। এ ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন আপনার ক্ষুধা লেগেছে কিনা। যদি ক্ষুধা লেগে থাকে তাহলে তা নিবারণ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার করে আবার পড়তে বসুন। দেখবেন এবার আপনার পড়ায় মন বসেছে। 
৩. সময় সচেতন হোন : নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে পড়া খুব দ্রুত আয়ত্বে আসে। যেমন কেউ অনেক ভোরে পড়েন, কেউ সারাদিন পড়েন. কেউ আবার অনেক রাতে পড়েন। আপনার কোন সময়টাতে পড়া হয় সে সময়ে পড়তে বসুন। প্রয়োজনে একটা রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যে সময়ে পড়া হয় না সে সময়ে অযথা পড়তে বসে এ্যানার্জি নষ্ট না করে ঘুমিয়ে ব্রেনটাকে বিশ্রাম দিন।
 ৪. গান শুনুন : গান শুনতে সবারই অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। যদি এমন হয়ে থাকে যে আপনি হয়ত অনেকক্ষণ ধরে পড়ছেন কিন্তু এমন একটা সময় উপস্থিত যখন আর পড়া মাথায় ঢুকছে না। এমতাবস্থায় আপনি কিছুক্ষণের জন্য গান শুনতে পারেন। এর ফলে আপনি মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবেন এবং দেখবেন পড়ায় পুনরায় মনোযোগ ফিরে এসেছে। 
৫. ঘুমিয়ে নিন : অনেকক্ষণ ধরে পড়লে মস্তিষ্কে অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক আর কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনি যদি কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নেন তাহলে ব্রেনের রিফ্রেশমেন্ট হবে। এর ফলে খুব দ্রুত আবার পড়া ক্যাচ করতে পারবে আপনার ব্রেন। এজন্য অতিরিক্ত চাপ কমাতে অবশ্যই কিছুটা ঘুমিয়ে নিন। 
৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার খান : মিষ্টি জাতীয় খাবার দেহে যাওয়া মাত্র সারা শরীরকে সতেজ করে তোলে। এছাড়া ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। 
৭. মেডিটেশন করুন : মেডিটেশন মন ও শরীর দুইই প্রাণবন্ত করে তোলে। মেডিটেশনের ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজ করা ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া মেডিটেশনের ফলে ব্রেন এর রিফ্রেশমেন্ট ঘটে। ফলে পড়া খুব দ্রুত মুখস্ত হয়ে যায় এবং তা বহুক্ষণ মনে থাকে।
2982 views

পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর তেমন কোন উপায় নেই। তবে আমার মনে হয়। আপনি যেটা পড়বেন সেটা যদি পড়ার আগে ভালো করে বুঝে নিতে পারেন। তাহলে আপনার কাছে ঐ পড়াটা অনেক মজা লাগবে। আর যখন মজা লাগবে, তখন এমনিতেই আপনার ঐ পড়ার প্রতি আগ্রহটা অনেক বেড়ে যাবে। ধরে নিন এটাই আপনার শেষ সুযোগ ওই বিষয়টি পড়ার। যেমনটা আমরা পরীক্ষার আগের রাতে মনে করি। তাহলে দেখবেন পুরোপুরি মনযোগ ও পাবেন এবং খুব তারাতারি ওই পড়া আপনার আয়ত্ত চলে আসবে।

2982 views

এই রকম টা আমার হত গত কয়েক মাস আগেও এই সমস্যাতে আমি ভুগেছি,,,,আপনার মত আমি ও বিস্ময় এ প্রশ্ন করেছি অনকে ভালো ভালো পরামর্শ পেয়েছি কিন্ত সে গুলা কাজে লাগাতে পারি নাই মাঝে মাঝে শিক্ষকদের ও এই বিষয় এ প্রশ্ন করেছি স্যার দের পরামর্শ ও কোন কাজে লাগে নাই।


কিন্ত বর্তমানে আমি অধিক পরিমাণে পরিশ্রম করছি

প্রায় সব সময় ই লেখা পড়া করছি কেন জানেন আগামী

৭ ই ডিসেম্বর আমার পরীক্ষার আর আমার স্বপ্ন আছে

সেই পরীক্ষাতে নিজের সর্বস দিয়ে ভালো রেজাল্ট করা।

কারণ এখন আমার একটা স্বপ্ন আছে যে কারণে আমাকে

পড়তে বসতেই হয়।


উপরক্ত কথা গুলা আপনাকে কেন বললাম জানেন...!??


কথা গুলা এ জন্য বললাম যাতে আপনি ও আমার মত একটা

স্বপ্ন দেখেন।

যখন কোন মানুষ একটা স্বপ্ন দেখে তখন সে যে কোন মূল্যে সে স্বপ্ন পূরণ করতে চেষ্টা করে,,,,,এতে যদি তাকে ২৪ ঘন্টার ও লেখা পড়া করতে হয় তাও সে রাজি আছে কারণ কেউ চাইনা তাঁর স্বপ্ন ভঙ্গ হোক বা স্বপ্ন অপূরণীয় থাকুন।

তাই আপনাকে বলবো আগে আপনি একটি স্বপ্ন দেখুন আর সব চিন্তা বাদ দিয়ে সেই স্বপ্ন টার কথা ভাবুন। তাহলে দেখবেন আপনার পড়ার ইচ্ছা প্রবল হচ্ছে।

বর্তমানে ছাত/ছাত্রী দের জন্য বড় সমস্যা ফেসবুক তাই আমি বলবো ফেসবুক একাউন্ট এ থাকা সব অচেনা ফ্রেন্ডস কে আনফ্রেন্ড করে দিন। যত মেয়ে ফ্রেন্ডস আছে প্রত্যেক কে আনফ্রেন্ড করে দিন যে সব বিনোদন মূলক গ্রুপ আছে সে গুলা থেকে লিভ নিন এবং শিক্ষামূলক গ্রুপে জয়েন করুন ( এটা ব্যাক্তি গত ভাবে আমার পদ্ধতি আমি নিজেও এটাই করেছি)

গফ থাকলে তাকে সময় দেওয়া বন্ধ করুন।

এতে ব্রেক আপ হয়ে গেলেও সমস্যা নাই

যখন রেজাল্ট ভালো করবেন তখন গফ

আবার পাবেন।


এই নিয়ম গুলা মেনে পড়া শোনা করুনঃ

  • সময় হিসাব করে নয় টার্গেট নিয়ে পড়ুন
  • ১ ঘন্টার পড়ার পর ৫-১০ ব্রেক নিন ব্রেক টা এনালগ নিবেন কোন প্রকার ফেসবুক,মেসেঞ্জার এ ডু মারতে যাবেন না।
  • বেশি রাত জেগে পড়বেন না রাত ১০ টা পর্যন্ত পড়ে ঘুমিয়ে পড়বেন পরে ভোর ৪/৫ টাই উঠে ধর্মীয় কাজ শেষ করে পড়তে বসবেন।
  • সারা দিন পড়বেন।
  • সময় নষ্ট করবেন না।
  • যখন ভালো লাগবে না তখন টেবিল ছেড়ে উঠে যাবেন তখন যা করতে ইচ্ছা করবে তা করবেন।
বিকেলে খেলা ধুলা করবেন বা আড্ডা দিবেন।



উপরক্ত কাজ গুলা যদি করতে পারেন আপনার লেখা পড়াতেও মন বসবে আবার রেজাল্ট ও ভালো হবে ইন শা আল্লাহ্‌। 

2982 views

Related Questions