৫বছর ধরে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ?
-
৫বছর ধরে আমার অতিরিক্ত স্বপ্নদোস।
- ঘনঘন প্রসাব, দাতুখয়,প্রস্রব করার ফর মাথা জিমায়।
- সপ্তায় ৪বার এর বেশি ও স্বপ্নদোস হয়।
- মাজাবেথা,হাড়খয়,গাড় বেথা,
- শরীর শোকাই জাইতেছে দিনদি
- জারনাইড খাইছি কাজ হচ্ছেনা
-
Please Answer Me
2 Answers
আপনি নিশ্চয়ই হস্তমৈথুন করতেন যারফলে আপনার চেতনায় এটা প্রবেশ করে গেছে। আর যৌনাঙ্গ দুর্বল হয়ে গেছে। আপনি যখন ঘুমাচ্ছেন তখনও আপনি যৌনকর্ম করার স্বপ্ন দেখছেন। আর আপনার শরীর তো খুবই দুর্বল । স্বপ্নদোষ আরও বেশী হচ্ছে। এখানে ওখানে ব্যথা। আর আপনি এবিষয়ে ভাববেন না একদমই । আপনি ভয় পাবেন না একদমই । নিজেকে অপরাধী মনে করার চিন্তা দূর করুন। দুর্বলতা ঠিক করতে খাবার খান ঠিকমত করে। মন ঠিক করতে বাইরের জগতের সঙ্গে মেলামেশা করুন। স্নায়বিক সমস্যা দূর করতে কাজকর্ম করুন। জল খান প্রচুর শরীর যাতে না শুকায়। ভেতরে infection হতে পারে যেজন্য সবসময় মূত্রত্যাগ হচ্ছে। মনে করুন কোন সমস্যা নেই আপনার। কোনও ওষুধের দরকার নেই। কোনও vitamin tablet খাবেন না। মাছ, ফল, ডাল ইত্যাদি খাবার খান। এই সমস্যায় হজমশক্তি কমে যায় তাই যা আপনার শরীর সহ্য করতে পারে তাই খান। শরীরে স্ট্রেস হরমোনের অসাম্য দেখা দেয়। তাই আপনার হাড়ও পুষ্ট হয় না। আর হস্তমৈথুন করবেন না একদমই । আপনার শরীর থেকে কেউ যেন সব কিছু নির্যাস বের করে নিচ্ছে এবং আপনি আর এ পৃথিবীতে নেই মনে হবে । এই কথা পালন করুন কয়েক মাস। তারপর ফল পাবেন অবশ্যই। আপনার যে ক্ষতি হয়ে গেছে তা পূরন কখনোই হবে না । বীর্য এমন জিনিস যা কেবল সন্তান সৃষ্টির জন্যই অর্থাৎ লিঙ্গ সহবাসের মাধ্যমে সন্তান সৃষ্টির জন্যই । তাকে অপচয় করা চলে না ।এটা দেহের গঠনে 100% ভূমিকা নেয়। আর ডাক্তারের কাছ না গিয়ে এই সত্য মানুন । এটাকে তারা সমস্যা বলে মানবেন না অথবা রাস্তার ধারের পোস্টার দেওয়া চিকিৎসকেরা ভয় দেখাবে যে আপনার সব শেষ। আপনি স্বাভাবিকভাবেই ভালো হবেন। বাকীজীবন ভালোভাবে কাটিয়ে দিতে পারবেন। আপনি বিয়েও করতে পারবেন। আর স্বপ্নদোষ কয়বার হল মনে করবেন না। স্বাভাবিক মনে করুন এটাকে। অনেকসময় এটা মনের উপর এতটা প্রভাব বিস্তার করে যে শরীরে সমস্যা তৈরী করে। আপনারটা অবশ্যই কমিয়ে আনতে হবে উপরের উপায়গুলিতে। এ পৃথিবীতে এরকম সমস্যায় বহু যুবক পড়েছেন। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে সমাধান দিলাম। আমার তো 7 বছর আপনার মতো স্বপ্নদোষ হত। দিনে 40 বার মূত্রত্যাগ করতাম। উপরের কথাগুলি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা।
পুরোপুরি আপনি এগুলা বাদ দিতে হবে। আপনি নিজজে থেকে এগুলা বাদ না দিলে পরে সমস্যা খুব তীব্র হবে। পুরুষের যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে 'গরীবের পেনিসিলিন' বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে আর এটি অতি সহজলভ্য সবজি যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন বেশ কার্যকর৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ Semen (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। -ব্যবহার প্রণালী প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ী হয়। যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন। যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। -সতর্কতা যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে। বিষয়গুলি সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন।