আলো ভরহীন হওয়া সত্ত্বেও ব্লাকহোল কর্তৃক আকর্ষিত হয় কেন?
1 Answers
আলোর ৪টি তত্তের মধ্যে নিউটনের কনাতত্ব ও হাইগেন এর তরঙ্গ তত্ত্ব দুটি নিয়া বহু বিতর্ক আছে, কোনটি ঠিক তা নিরুপন করা যায়নি। নিউটনের মতে আলো হচ্ছে ক্ষুদ্র কনা, এই তত্ত্বের সাহায্যে আলোর সমাবর্তন, অপবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়। পরোক্ষভাবে এটি আলোক তড়িৎক্রিয়াকে সামর্থন করে। তবে বিতর্ক হচ্ছে আলো কনা হলে যত সামান্যই হোকনা কেন একটি ভর অবশ্যই থাকবে। বিজ্ঞানীরা এমন কিছু ব্লাক হোল পেয়েছেন যেখান থেকে আলো বেরিয়ে আসতে পারেনা বলে ব্লাক গহব্বরের ন্যায় দেখায়। এটিকে কনা তত্বের সাহায্য ব্যাখ্যা করা যায় কারন কনা গুলো অভিকর্ষজ ত্ব্ররনের জন্য উৎক্ষিপ্ত হয়ে আবার ফিরে যায় ফলে আলো বেরিয়ে আসতে পারেনা। অন্যদিকে তরঙ্গ তত্ত্ব দ্বারা আলোর ব্যতিচার ব্যাখ্যা করা যায়(অপবর্তন,সমাবর্তনসহ) আবার ম্যাক্স প্লাংক তড়িত চুম্বকীয় তত্ত্ব দ্বারা ফটো ভোল্টেক ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। কাজেই আলো তরঙ্গ হলে ভরের প্রশ্ন নেই বলে ব্লাক হোল কতৃক আকর্ষীত হবা প্রশ্ন নেই। এক্ষেত্রে পালসারে দেখা যায় নির্দিষ্ট সময় পর পর বিদ্যুতিক পালস উৎন্ন করে। তবে আধুনিক বিজ্ঞানীরা নতুন ভাবে বলতে চেষ্টা করছেন যে আলো হচ্ছে বিকিরনের ফল বা শক্তি, তাই উৎস থেকে দুরত্ব বাড়লে শক্তি স্থানান্তর হ্রাস পায়। তাই ব্লাক হোল থেকে উৎপন্ন আলো দুররত্বের সাথে সাথে আর দেখা যায়না এবং সুপারনোভার প্রভাবে এই ক্ষীন আলো হারিয়ে যেয়ে ব্লাক হোলের সৃষ্টি করে।