আমি একটি মিয়েকে ভালো বাসি সে আমাকে ভালো বাসে না?
6 Answers
ইসলাম এসব আজেবাজে প্রেম কে সমর্থন করে না, তাই নিজেকে এ সকল পাপ কাজ থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করুন, আর না হয় বিয়ে করে নিন
দেখুন, যদি আপনার চরিত্র ভালো হয় এবং আপনি যদি একজন সুন্দর মনের অধিকারী হন তাহলে অবশ্যই সে আপনাকে পছন্দ করবে। তবে তার দিক থেকে বিবেচনা করে কাজ করবেন। সে যদি সত্যিই আপনাকে পছন্দ না করে তাহলে তাকে জোর করে তো রাজি করাতে পারবেন না। এমনিতেও একটা কথা আছে ভালোবাসা জোর করে পাওয়া যায় না। এসব আমল, তাবিজ, কোনো কিছুই হবে না। এসব না করে বরং তার মন পেতে ভালো মানুষ হিসেবে তার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠুন। ভালো একটা মন থাকলে সব জয় করা সম্ভব। আপনিও পারবেন, তবে আগে নিজেকে তৈরি করে নিন। খারাপ চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে দিন। নিয়ত ভালো থাকলে অবশ্যই তাকে পাবেন 100% আর যদি আপনার উদ্দেশ্য ভালো না হয় তাহলে কিছুই পাবেন না। হাদিসে আছে, নিয়ত গুনে বরকত। তাছাড়া এটা একান্তই আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার । আমরা শুধু পরামর্শ দিতে পারি কিন্তু সিদ্ধান্ত আপনার।...
এমনিতেই ইসলামী শরীয়তে বিবাহপূর্ব প্রেমের সম্পর্ককে সমর্থন করে না৷ তাতে আবার মেয়ে আগ্রহী নয়৷ সুতরাং শরীয়ত পরিপন্থী এ কাজটি জোরপূর্বক না করে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার চেষ্টা করি৷
বিয়ের আগে প্রেম হারাম।এজন্য এমন কোন আমল নেই যাতে কোন মেয়ে আপনাকে ভালবাসবে।আর যদি তাবিজের কথা ভেবে থাকেন।তাহলে বলব এসব থেকে দূরে থাকুন।কারণ এটারও অনুমোদন নেই।তাই আপনার উচিত এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা এবং মেয়েটিকে ভূলে যাওয়া।
কোনো মেয়েকে ভালো লেগেছে তার সাথে প্রেম করার তথা *তাকে রাজি করার* কোনো আমল ইসলাম ধর্মে নেই। কারন প্রেম করা হারাম।এমনকি একটা মেয়ের প্রতি তাকানো ও কবিরা গুনাহ। তো আপনি এতটুকু করতে পারেন, যে হে আল্লাহ ঐ মেয়েটাকে আমার ভালোলেগেছে, এখানে অনেক কারনে মেয়েটাকে ভালো লাগতে পারে যদি আল্লাহভিরু দেখে ভালো তাহলে তো খুব ভালো. তখন আপনি নামায পড়ে দোয়া করুন, হে আল্লাহ আমি অমুক মেয়েটাকে সহধর্মিনী বা স্ত্রী হিসাবে পেতে চাই। মহান আল্লাহ যদি দোয়া কবুল করে তো আপনি পাবেন মেয়েটাকে ইত্যাদি।