3 Answers
কোকাকোলা, পেপসি এবং সকল প্রকার কোমল পানীয় কয়েকটি প্রধান উপাদান যেমন পানি, চিনি এবং কার্বনডাইঅক্সাইড দিয়ে তৈরি করা হয়। চিনির সরবতে উচ্চ চাপে কার্বনডাইঅক্সাইড যোগ করলেই কোমল পানীয় তৈরি হয়। বাকি উপাদানগুলো পানীয়ের রং এবং স্বাদ ( বিভিন্ন প্রকার অনুমোদিত ফ্লেভার) বর্ধনের জন্য দেওয়া হয়।
কোকাকোলা :
কোমল পানীয় হিসেবে বিশ্বজুড়ে দারুণ জনপ্রিয় কোকাকোলার যথাযথ প্রস্তুত প্রণালি পাওয়ার দাবি করেছে একটি ওয়েবসাইট। Thisamericanlife.org নামের এই ওয়েবসাইটের দাবি, একটি পত্রিকায় তারা কোকাকোলা তৈরির বিভিন্ন উপকরণের তালিকা পেয়েছে। এতে ওই পানীয় তৈরির সব উপাদানের সঠিক পরিমাণ রয়েছে।
কোকাকোলার সঠিক প্রস্তুত প্রণালি আজও এক রহস্যের আঁধারে ঢাকা। ১৮৮৬ সালে জন পেম্বারটন নামের এক ফার্মাসিস্ট এই কোমল পানীয় তৈরি করেন। তবে তাঁর এই প্রণালি প্রকাশ করা হয়নি।
কোকাকোলার প্রতিষ্ঠান এই পানীয়র সঠিক প্রস্তুত প্রণালির একটি মাত্র লিখিত কপি সংরক্ষণ করে আসছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় একটি ব্যাংকের ভল্টে রয়েছে। কেউ যাতে কপিটি না পায়, এ জন্য ওই ভল্ট ২৪ ঘণ্টা পাহারা দেওয়া হয়।
ওই কপি ছাড়া কোম্পানির দুজন মাত্র কর্মী কোকাকোলার মূল প্রস্তুত প্রণালি জানেন। অর্থাৎ, যুগে যুগে কেবল দুজন করে কর্মীর মাধ্যমে প্রণালিটি সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এভাবে টানা ১২৫ বছর ধরে কঠোরভাবে সংরক্ষণের পর কোকাকোলার প্রস্তুত প্রণালি ফাঁস হওয়ার খবরে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়েবসাইটের দাবি, ১৯৭৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আটলান্টা জার্নাল কনস্টিটিউশন-এর ২৮ পৃষ্ঠায় একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে একটি আলোকচিত্র ছাপা হয়। ওই সময় লেখাটি ঢাকঢোল পিটিয়ে ছাপা হয়নি বলে এর গুরুত্বও কেউ অনুধাবন করেনি। আলোকচিত্রে এমন সব উপকরণের বর্ণনা ও পরিমাণ রয়েছে, যা কোকাকোলার আবিষ্কারক জন পেম্বারটনের কোকাকোলার প্রস্তুত প্রণালির অনুলিপি। প্রস্তুত প্রণালির লেখাটি পেম্বারটনের এক বন্ধুর বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে এটি বিভিন্ন হাত ঘুরে পত্রিকায় চলে আসে।
কোকাকোলার গোপন মূল উপাদানটি হচ্ছে ‘ম্যার্চেন্ডাইজ সেভেন এক্স’। এটি তৈরি করতে যেসব উপকরণ লাগে, সঠিক পরিমাণসহ এসবের বর্ণনা আলোকচিত্রে দেওয়া তালিকায় রয়েছে বলে দাবি করে ওয়েবসাইটটি। ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ গ্যালন সিরাপে দুই আউন্স পরিমাণ মার্চেন্ডাইজ সেভেন এক্স যোগ করে কোকাকোলা তৈরি করা হয়। সিরাপ তৈরি করতে লাগে কোকার তরল নির্যাস, সাইট্রিক এসিড, ক্যাফেইন, চিনি, পানি, লেবুর রস, ভ্যানিলা ও ক্যারামেল। আর ‘মার্চেন্ডাইজ সেভেন এক্স’ তৈরিতে লাগে আট আউন্স অ্যালকোহল, ২০ ফোঁটা কমলার নির্যাস, ৩০ ফোঁটা লেবুর নির্যাস, ১০ ফোঁটা জায়ফলের নির্যাস, পাঁচ ফোঁটা ধনের নির্যাস ও ১০ ফোঁটা দারুচিনির নির্যাস।
ডেইলি মেইল,
PEPSI :
ক্যান হাতে নিয়ে দেখলাম কি কি উপাদান বেবহার করে PEPSI তৈরী হয়. উপাদান গুলো হলো - ১) কার্বনেটেড পানি ২) হাই ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ ৩) কেরামেল কালার ৪) সুগার ৫) কেফিন ৬) সাইট্রিক অ্যাসিড ৭) কোলা ফ্লেভার . উপাদান গুলোতে পর্ক প্রোডাক্ট আছে বলে মনে হয় না. মার্কিন ফুড এন্ড ড্রাগ ল বাধ্য করে যে কোনো খাবার বা পানীয় প্রোডাক্ট এর গায়ে সঠিক উপাদানের ঘোষণা.
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy