হেল্প প্লিজ?
3 Answers
বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে,যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের ৪০% হচ্ছে ডি এইচ এ, যা সামুদ্রিক মাছের তেলে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ব্রেনের বিভিন্ন কোষের মধ্যে সংবেদন আদান-প্রদান বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘদিন কফি পান করেন এমন ১৪০০ লোকের উপর চালানো গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ কফি খান করেন তাঁদের স্মৃতিভ্রংশের রোগ অনেকটাই কম হয়। এদের তুলনায় যারা দিনে দুই কাপ কফি খান তাদের ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সে অ্যালজাইমার রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি। ধারণা করা হয়,কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও এন্টি-অক্সিডেন্ট ব্রেনের কোষগুলোকে সুরক্ষিত করে। ডার্ক চকলেট,যাতে অন্তত ৭০% কোকো থাকে,মস্তিষ্কের দক্ষতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় প্রমাণিত। এতে ফ্ল্যাভোনয়েড নামে এক ধরণের এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকে,যা ব্রেনের কোষকে সজীব ও কর্মক্ষম রাখে । দুধ থেকে তৈরি দই খেলেও ঘোল অনেকেই খান না। ঘোলে থাকে ভিটামিন বি-১২৷ এই ভিটামিনের অভাবে স্মৃতিশক্তি ভয়াবহভাবে হ্রাস পায়। ঘোলে থাকা ভিটামিন বি-১২ বয়সজনিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় মস্তিষ্কের সংকোচন কমিয়ে দেয়। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন সবুজ শাক-সবজি। এদের মধ্যে থাকা প্রোটেক্টিভ এন্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে আরো অধিক কার্যক্ষম করে তোলে । বাদামে রয়েছে ভিটামিন ই, যা হল আরো একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট। এটিকে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় রাখলে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকবে৷ এছাড় আমন্ড বাদামও ব্রেনেই কার্যক্ষমতা বাড়াতে বেশ উপযোগী ৷ তথ্যসূত্রঃ ওয়েবসাইট
ওতো এখন ছোট তাই ওকে খেলাধুলা বা আন্দের মাধ্যমে ওকে টিচ দিন। আর প্রতিটা বিষয় শেখার জন্য একটা করে পুরষ্কারের ব্যবস্হা করুন। তাতে আপনার সন্তানের পডাশোনায় আগ্রহ বাডবে। আর স্ম্রিতিশক্তি বাডানোর জন্য ওকে নিয়মিত হরলিক্স খাওয়ান।
আপনি প্রথমত তাকে লোভ দেখান বিশেষ করে আপনার বাচ্চা যে জিনিস গুলো পছন্দ করে ওইগুলার,তাকে বলেন যে পড়া শেষে হলে,তার প্রিয় খাবার খেতে দিবেন,প্রিয় ম্যাগাজিন বা টিভি-সিরিয়াল দেখতে দিবেন এইসব বলেন,আর স্কুলে কিছু বন্ধুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। আর স্মৃতিশক্তি বিকাশে ওটমিল,মাছ,দুধ,ড্রাই ফ্রুটস,বাদাম,দই,ডিম খেতে দিন।