4 Answers

আপনি নামাজের পর তিনবার করে বিসমিল্লাহ সহ সূরা ইখলাস,সূরা ফালাক্ব,সূরা নাস পড়ে হতে ফু দিয়ে সারা শরীর তিনবার হাত দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত আনবেন।এতেই আল্লাহর রহনতে শরীর বন্ধ হয়ে যাবে।

16681 views Answered

◆কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ আমল:
১★কারো বদনজর লাগলে পড়তে হয়ঃ
'বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা আজহিব হাররাহা ওয়া বারদাহা ওয়া ওয়াসাবাহা'।
২★শরীর বন্ধ করার উপায়ঃ
ফজর ও মাগরিব নামাজের পর দৈনিক 'আয়াতুল কুরসী' এবং 'সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস' একবার করে পাঠ করে যে ব্যক্তি নিজ শরীরে ফুঁক দিবে, আল্লাহ্'র রহমতে সেই ব্যক্তি বদ-জ্বীন ও জাদু-টোনার হাত থেকে মুক্ত থাকবে।
৩★দ্বীন-ঈমান ও জান-মাল হেফাজতের দোয়াঃ
সকাল-সন্ধায় নিম্নের দোয়াটি পাঠ করলে আল্লাহ্ পাক ইহার বরকতে ঐ ব্যক্তির জান-মাল, দ্বীন-ঈমান ও পরিবার-পরিজনকে নিরাপদে রাখবেন এবং পাঠকারীর অন্তর সকল চিন্তা-পেরেশানী হতে মুক্ত থাকবে। দোয়াটি সকাল-সন্ধায় তিনবার পাঠ করবেঃ
'বিসমিল্লাহি আলা দ্বীনি ওয়া নাফসি ওয়া ওয়ালাদী ওয়া আহলী ওয়া মালী'।
৪★সবসময় 'লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্' পাঠ করবে। কেননা, রাসূল (সাঃ) বলেছেন-'ইহা ৯৯টি রোগের ঔষধ, তন্মধ্যে সর্বনিম্ন রোগ হলো দুশ্চিন্তা বা পেরেশানী'।
৫★কোনো ব্যক্তি যদি 'সূরা ইয়াসিনের' আমল করে, তবে সেই ব্যক্তি জাদু, বিষ এবং সমস্ত বিপদাপদ থেকে হেফাজতে থাকবে।
৬★'আয়াতুল কুরসী' এক বৈঠকে তিনশত তের বার পাঠ করলে, সেই ব্যক্তি শত্রুর উপর জয়ী হবে এবং ফেরেশতাগণ তার হেফাজত করবে।
৭★আয়াতুল কুরসীঃ
'আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যূল ক্বাইয়্যুম, লা-তা'খুজুহু সিনাঁতুও ওয়ালা নাউম, লাহু মা-ফিছ সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ব, মানযাল্লাযী ইয়াশফাউ ইনদাহু ইল্লা বিইযনিহী, ইয়া'লামু মা-বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইয়ূহীতুনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহী ইল্লা বিমা-শা-য়া, ওয়াছিয়া কুরছিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা, ওয়া হুয়াল আলিয়্যূল আজীম'।
৮★আল্লাহ্ আমাদিগকে নেক আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

16681 views Answered

অাপনি অায়াতুল কুরসী একবার এবং চার কুল পড়ে হাতে ফু দিয়ে পুরো শরীর একবার মুছে নিলে শরীর বন্ধ হয়ে যাবে। 


এটাই যথেষ্ট
16681 views Answered

প্রত্যেক দিন ঘুমানোর সময় সুরা ফাতেহা, সূরা নাস, সূরা ফালাক, ও সূরা এখলাস, পড়ে উভয় হাতে ফুক দিয়ে সমস্ত শরিরে হাত বুলিয়ে দিন অতঃপর ঘুমিয়ে পড়ুন। ✳এ রকম করলে জাবতীয় রোগ, যাদু, কোন কিছুর বদ-নজর থেকে হেফাজতে তাকাবে। ✳তিন বার এ রকম আমল করলে শরিরে যে কোন কঠিন রোগ তাকালে ও সঙ্গে সঙে আরোগ্য লাভ করবে ✳মজার কথা হল এ রকমটা সয়ং মহানবি স. করতেন। ✳তো এটাকে গ্রহণ করে নিন।

16681 views Answered

Related Questions

Next steps