রাতে ঘুমালে মুখ থেকে লালা বের হয় অনেক দিন যাবত , মোটামুটি সব চেষ্টাও করছি কিন্তু কোন কাজ হয় নাই !?
6 Answers
আপনার বদ অভ্যাসই এর মুল কারন যাহোক আজ থেকে একেবারে চিৎ হয়ে ঘুমাবেন আর ঘুমের মাঝে মাথা যেন ডান কিংবা বায়ে হেলে না যায়
চিৎ হয়ে ঘুমালে জ্বিনে ক্ষতি করতে পারে আপনি ডানপাশ হয়ে ঘুমাবেন ইনশা'আল্লাহ লালা বাহির হবেনা.
মুখে লালা আশা প্রধান কারণ হলো আপনার মধ্যে যদি কৃমির প্রভাব পড়ে.কৃমি বেড়ে গেলে সাধারণত মুখে লালা বের হয়.পরের কারণ টি হলো..কেও কেও আছেন যারা শিশু কাল থেকেই এই লালা পড়া কিংবা লালা ঝরা সমস্যায় ভুগে আসতেছেন.এর জন্য ডাক্তার দের. এখন দিচ্ছি সমধান...প্রথম কারণ তির সমধান হলো..আপনি অতিসত্তর ডাক্তার এর কাছে গিয়ে কৃমি নিরাময়ের ব্যবস্তা নিন.দেখবেন মুখে লালা পড়া আসতে আসতে কমে যাচ্ছে.এর পরের কারণটির সমধান হলো যদি কারো শিশু কাল থেকেই ঝরে আসতেছে এবং বিভিন্ন ওষুধ সেবন করার ফলেও কোনো নিরাময় হয়নি তাদের জন্য সমধান হলো...আপনি/আপনারা শোয়ার সময় পুরোপরি চিৎ হয়ে শুবেন.ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানি পান করতে যেন ভুল না হয়,মনে রাখতে হবে যে,ঘুমানোর অন্তত ১ ঘন্টা আগে মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার কিংবা পানীয় পান করনেন/খাইবেন না.আর ঘুমানোর ১০/১৫ মিনিট আগে একটু টক কিংবা লবন মিশ্রিত কিছু খেয়ে খাবেন..তাতে আপনি/আপনারা অবশ্যই আরোগ্য লাভ করবেন
এটা হয় গভির ঘুম ও অলসতার কারনে। আপনি যদি ঘুম ও অলসতাকে কন্ট্রোল করতে পারেন তাহলে এটা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ধন্যবাদ।
হলো কৃমি। দেহে কৃমি বেড়ে গেলে সাধারণত মুখে লালা বের হয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ মত কৃমির ওষুধ খেয়ে এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এছাড়া অনেকের ছোটবেলা থেকেই মুখে লোল পড়ার অভ্যাস রয়েছে। এক্ষেত্রে চিৎ হয়ে শোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে কিছুটা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরও কয়েকটি বিষয় মেনে চলুন : - ঘুমানোর আগে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না। - শোবার আগে এক গ্লাস পানি খান। - ঘুমানোর আগে টক বা লবণ মিশ্রিত খাবার খেলে উপকার পাওয়া যাবে। -অবশ্যই চিৎ হয়ে শোবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।