3 Answers
আপনি ভালোভাবে ইসলামি জিবন যাপন করুন। তাহলে এই সব ভয় পাবেন না। কারন ইসলামে ভয় পেলে শুধু মহান আল্লাহকে ভয় পেতে হবে। আর যখন আপনি আল্লাহকে ভয় পাবেন তখন এই সব কিছুতে ভয় পাবেন না। আল্লাহ আপনাকে দ্বীনের পথে আনার তৌফিক দান করুক। আমিন।
ভাই, ভয় সবার মাঝে কম বেশি আছে। তাই বলে এভাবে ভয় করলে চলবে না জীবনটা থমকে যাবে। নিজের আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলুন, সমাজে মাথা উঁচু করে চলুন। আর যদি ভয় পেতেই হয় তাহলে একমাত্র সৃষ্টিকর্তাকে ভয় করুন। এটা আপনার জন্য মঙ্গল জনক। আপনি ইসলামীক জীবনযাপন করুন,সত্য কথা বলুন,ন্যায় পথে চলুন,অন্যায়কে পশ্রয় দিবেন না,আর বেশি আল্লাহকে ভয় করুন। আর একটা কথা মনে রাখবেন- মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব এবং আত্মা শক্তিতে বলীয়ন। জীবনে ব্যথা,বেদনা,দুঃখ এসব আসবেই। তা বলে এ সবে ভীত হলে চলবে না। সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ কামনা করে নিজে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকা ঠিক নয়। দৃঢ় মনোবল ও সৎ সাহসের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করতে হবে। যেন তিনি ধৈর্যের সাথে বিপদ মোকাবেলা করার শক্তি দেন। অতএব, আপনার আত্মবিশ্বাস,আত্মপোলব্ধিকে জাগিয়ে তুলুন। মনের মধ্যে সাহসের জুশ আনুন।
কিসের ভয় পান আগে সেটা বের করুন। যদি বাস্তবিক জীবনের কোনো কিছুতে ভয় পান যেমন কেস, পরীক্ষা তাহলে সেটাকে জয় করার তো সহহ উপায় আছে। সেটা হলো আত্মবিশ্বাস। অবশ্যই আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। কখনো নিজে অধম মনে করবেন না। সবসময় এক চিন্তাই করুন যে আমিই সেরা। আমাকে কেউ হারাতে পারবে না। আর যদি পরলৌকিক জীবনের কোনো ভয় থাকে তাহলে তার জন্য পথ তো আরো সোজা। পরলোকের শান্তি পেতে কি করণীয় তা আমাদের ধর্মে বিশদভাবে বর্ণিত আছে। আপনি সে অনুযায়ী চললে তো ভয়ের কারণ থাকে না। আর যদি ভূত, প্রেতের ভয় থেকে থাকে তাহলে আর কি বলব। তখন তো নিজেকে আগে বিশ্বাস করাতে হবে যে এসব কিছু পৃথিবীতে নেই। তাতে আমি কেন ভয় পাব। আর ভূত বলতে জ্বিনের কথা বুঝিয়ে থাকলে সেটা ভিন্ন বিষয়। তারপরও বুঝতে হবে যে এতে ভয়ের কিছু নেই। এভাবে ভয়ের বিষয় বের করে তাকে ভয় না পাওয়ার কারণগুলো নিজেই চিন্তা করে বের করুন। আর একটা পরামর্শ হলো নিজের যে কাজে সমস্যা হবে এরকম কাজে যাবেন না। ভয় তখনই হয় যখন সমস্যা হতে পারে। আর সমস্যা তখনই হয় যখন অপ্রিয় কাজ করা হয়। সবসময় নিজের কথা শুনুন। নিজের প্রিয় কাজ করুন। ভয়কে জয় করা শিখেই তো জীবনে বাঁচতে হয়।