6 Answers

পেঁয়াজ ও রসুনঃ সালফার (sulphur) এমন একটি উপাদান যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। রসুন ও পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুড় পরিমাণে সালফার থাকে যা চুলের জন্য খুবই উপকারী। তাই যেভাবে আপনি রসুন ও পেঁয়াজ ব্যবহার করে চুল পড়া রোধ করতে পারেন তা হলঃ # সমপরিমাণ পেঁয়াজের রস ও ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১ ঘন্টা। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২ বার করে নিয়মিত ব্যবহার করুন। # রঁসুনের ৫/৬ টি কোয়া নিয়ে বেঁটে নিন। এবার এই বাঁটা অংশটি নারিকেল তেলে কিছুক্ষন চুলায় ফুটিয়ে নিন। মিশ্রনটি ঠান্ডা হলে মাথার ত্বকে লাগান। সপ্তাহে ২/৩ বার করে নিয়মিত ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। আলুঃ আলু চুলের যত্নেও ব্যবহার করা যায়। যেভাবে আলু ব্যবহার করবেনঃ # একটি জ্যুসার বা ব্লেন্ডারে ৩ টি আলু নিয়ে এর রস সংগ্রহ করুন। এবার আলুর রসে একটি ডিমের কুসুম, কিছু পরিমাণ পানি ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন ভালো করে। ভেজা চুলে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর হাল্কা কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহে একবার করে কয়েক মাসের জন্য টানা ব্যবহার করে দেখুন। দেখবেন চুল পড়া কমে গেছে। মেহেদি পাতাঃ ন্যাচারাল ভাবে চুল রঙ ও চুলকে কন্ডিশন করার পাশাপাশি মেহেদি পাতা ব্যবহার করে চুল পড়া কমানো ও সম্ভব। যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ # ২৫০ মিলি সরিষার তেল নিন একটি টিনের কৌঁটায়। এবার এতে ৬০ গ্রাম মেহেদি পাতা (ধোয়া ও শুকনো) দিয়ে চুলার জ্বাল দিন যতক্ষন না পাতাগুলো পুড়ে যায়। এবার মিশ্রণটি একটি মসলিনের কাপড়ে ছেকে নিয়ে শুধু তেলটি রাখুন। এই তেল নিয়মিত মাথার ত্বকে ও চুলে লাগাবেন। # এক কাপ শুকনো মেহেদি পাতার গুড়ার সাথে আঁঁধা কাপ দই মিশিয়ে নিন ভালো করে। মিশ্রণটি চুলে লাগান এবং যতক্ষণে চুল না শুকিয়ে যায় অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। নারকেলের দুধঃ নারকেলের দুধ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য খুব কার্যকর, তাই এটি যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ # নারকেলের দুধ প্রোটিন, আয়রন, পটাসিয়াম ও অপরিহার্য চর্বিতে পরিপূর্ণ। চুল ছাটাই ও ভাঙ্গন রোধে এটি সাহায্য করে। তাই আপনি যদি সুন্দর চুল পেতে চান তাহলে নারকেলের দুধ রাতে মাথার ত্বকে লাগিয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। এটি খুবই কার্যকর একটি উপায়। # ডিম আরেকটি উপাদান যা সালফারে পরিপূর্ণ। তাই ডিম যেভাবে ব্যবহার করতে পারেনঃ # ১ টি ডিমের সাদা অংশের সাথে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল বিট করে নিন। এটি মাথার ত্বকে ও চুলে লাগান। ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে চুলে শ্যাম্পু করে নিন। গ্রীন টিঃ গ্রীন টি শুধু খাওয়ার জন্যই নয় চুলের জন্যও খুব উপকারী কেননা এতে প্রচূড় পরিমাণে আন্টি- অক্সিডেন্ট থাকে। কুসুম গরম গ্রীন টি মাথার ত্বকে ১ ঘন্টা লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুলের বৃদ্ধির জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন।

3125 views Answered

আপনি রেজিস্টার্ড ডাক্তার কাছে পরামর্শ করুন,অথবা সপ্তাহে একবার করে মাথায় পেয়াজ এর রস মাখুন,,আশা করি ভাল ফলাফল পাবেন।

3125 views Answered

হ্যা অবশ্যই আছে আপনি হামদর্দের হেয়ার আমলা কেশ তেলটি ব্যাবহার করতে পারেন।এই তেল চুলের জন্য খুবি উপকারী।এই তেল চুল পড়া কমায় চুল ঘনো করে এবং মাথার খুশকি দুর করে।

3125 views Answered

আপনি নিয়মিত নিমপাতা বেটে লাগান,ই ক্যাপ ব্যাবহার করুন

3125 views Answered

হ্যা আছে । খুবসুরত রিগ্রোথ হেয়ার টনিক ব্যাবহার করুন । 

 চুল পড়া সমস্যা, খুসকি , চুল পাতলা হয়ে গেছে , চুল লম্বা হয়না  যাদের তদের জন্য খুব উপকারী ।

৬ দিন ব্যবহারে চু-ল পড়া বন্ধ হয় । টনিক টি কসমেটিক্স এর দোকানে পাওয়া যায় ।

https://www.facebook.com/SHOVONROYUTTAM/?notif_id=1543594563406549¬if_t=page_user_activity
লিঙ্কটিতে  দেখতে পারেন । 
3125 views Answered

## চুল গজানোর জন্য অনেক পদ্ধতি আছে। তবে বর্তমানে ঘড়ের পদ্ধতি বেশি ব্যাবহার হয়। ঘড়ের পদ্ধতি বলতে মেহেদি বাটা,  আমলকী বাটা, ইত্যাদি বোঝায়। ##তবে  আপনি ভিটামিন "ই " জাতীয় খাবার খান,চুলে কৃত্রিম রঙ ব্যাবহার বন্ধ করুন, চুলে ভুল ভাল প্রডাক্ট ব্যাবহার বন্ধ করুন। ## চুল গজাতে সঠিক প্রডাক্ট ব্যাবহার করুন। পেয়াজ বঁাটা ব্যাবহার করুন। আশাকরি চুল গজাবে।

3125 views Answered

Related Questions