1 Answers

সবার জন্য নিজের দেশটির জাতীয় সঙ্গীত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে মধুর শব্দগুলি আমরা এই জাতীয় সঙ্গীতেই খুঁজে পাই।
এটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যিনি বিশ্বকবি এবং ভারতের জাতীয় সঙ্গীতেরও রচয়িতা। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতটি তার রচিত প্রথম স্বদেশের জন্য গান। তবে এর পুরোটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত নয়। এর প্রথম দশটি পঙক্তি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত। বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ৭ই আগষ্ট ১৯০৫-কলিকাতার টাউন হলে যে সভা হয়, সেই সভা উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথের নতুন সঙ্গীত- আমার সোনার বাংলা বাউল সুরে গীত হয়েছিল। জাতীয় সঙ্গীতাবলীর মধ্যে এই সঙ্গীতটি বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করে।  বাংলাদেশের সংবিধানের 'প্রথম ভাগ' (প্রজাতন্ত্র) -এর ৪ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ'। জাতীয় সঙ্গীত আমাদের গর্ব। এটি বহন করে বাংলাদেশের পরিচয়, বাংলাদেশীর পরিচয়, আমাদের পরিচয়। তাই আমরা সর্বদা এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করব। যখনই শুনতে পাব এই অমৃত সুরটি তখনই দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করব এবং বুকে হাত রেখে অনুভব করব দেশকে আমরা কতটা ভালোবাসি তা।
গুগলের বিভিন্ন সাইট থেকে তথ্য সংগৃহিত। তবে লেখাটি নিজেই লিখেছি।
9027 views

Related Questions