খাদ্যে অরুচি কোনো রোগ নয়। এটি হতে পারে নানা রোগের লক্ষণ। দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ, যক্ষ্মা, পেটের নানা সমস্যা, ডিপ্রেশন, বিভিন্ন ওষুধের প্রভাবে খাদ্যে অরুচি হতে পারে। মানসিক চাপ ও সমস্যায়ও রুচি কমে যায়। সহজপাচ্য ও মুখরোচক খাবার, ফল বিশেষত টক ফল যেমন আমড়া, বরই, আচার, লেবু ইত্যাদি খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করা যায়। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি ও তীব্র হলে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা উচিত
আমার খাবার একদম রুচি নেই?
আমার বয়স ১৪ বছর। আমার আগে খুব ভাল খাওয়ার রুচি ছিল।আমি পারিবারিক সমস্যার কারনে কৃষি জমিতে দেয়া ঔষধ খেয়েছিলাম,তার পড় আমাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।হাসপাতালে চিকিৎসা চলা অবস্হায় আমার মানুষ চিনতে সমস্যা হয়েছিল কাউকে চিনতাম না।পড়ে আবার ভাল হয়েছে।কিন্তু এখন আমার খাওয়ার রুচি একটুকু নেই । চেহেরাও অনেক ভাল ছিল এখন অনেক খারাপ হয়ে গেছে।আমি আবার কি ভাবে আগের মত হতে পারবো।।
3 Answers
নানান কারণে মুখের রুচি নষ্ট হয়ে যায় বা খাওয়ায় অরুচি দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায়ে মুখের রুচি বাড়ানো যেতে পারে। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে মুখের রুচি বাড়ানোর কিছু উপযোগী উপায় তুলে ধরা হয়। এখানে সেগুলো তুলে ধরা হল। মৌরির চা: মৌরি পিত্ত-রস নিঃসৃত করতে সাহায্য করে, ফলে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। দুই থেকে তিন কাপ পানিতে এক চা-চামচ মৌরি ও আধা চা-চামচ মেথি ফুটিয়ে নিন। এরপর ছেঁকে দিনে একদু বার পান করুন। যোগ ব্যায়াম: দিনে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট যোগ ব্যয়ামের অভ্যাস হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। যোগ ব্যায়াম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যই সমানভাবে উপকারী। তবে যোগ ব্যায়াম শুরুর আগে ডাক্তার ও প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া দরকার। আদা: আদার নির্যাস খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক তেল হজম প্রক্রিয়ার সময় উৎপন্ন গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে আধা চামচ আদার রস মিশিয়ে পান করুন দিনে দুবার। এছাড়া রান্নায় আদার ব্যবহারও সমানভাবে উপকারী। ফল ও সবজি: আপেল, পেয়ারা, কমলা, আঙুর ইত্যাদি ফল ক্ষুদা বাড়াতে সহায়ক। অন্যদিকে টমেটো, ধনেপাতা, ব্রোকোলি ইত্যাদি সবজি হজমে সহায়ক। এই ফল ও সবজিগুলো হজমে সহায়ক এনজাইম নিঃসরণে সহায়তা করে। তাই ক্ষুদা মন্দা দূর করতে খাদ্যতালিকায় প্রচুর সবজি ও ফল রাখা উচিত।
১৪ বছর এত অল্প বয়সে এই অবস্থা ? আমার দাদী বয়স ৮৫ তার জিহ্বা নষ্ট হয়ে গিয়েছে রুচি নেই। হতেই পারে। কিন্তু আপনার অবস্থা অনেক খারাপ। আপনি অতি দ্রুত ঢাকায় আর্থিক সামর্থ্য থাকলে প্রাইভেট হসপিটালে ভালো বাইরে থেকে অাসা বা পাস করা ডাক্তারগন রয়েছেন তাদের পরামর্শ নিন। এখানে বেসিক উপদেশ পাবেন তা আপনার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।