আসল পির চিনব কি ভাবে?

২য় প্রশ্ন। মুরিদ হবার পরে যদি যানি তিনি হক্কানি পির না তা হলে সে পির বাদ দিয়ে আরেক পিরের কাছে মুরিদ হয়া যাবে কি? ৩য় প্রশ্ন। হক্কানি পিরের কাছে মুরিদ হয়ার কিছুদিন পর সে পিরের যদি মৃত্যু হয় তা হলে আমি কি অন্য পিরের কাছে মুরিদ হব কি?
3015 views

4 Answers

কামেল পীরের বৈশিষ্ট্য: একজন কামেল পীরের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো তাঁকে আল্লাহ্ তা’লার নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দা (কুরবাত) ও রাসূলুল্লাহ্ (দ:)-এর নায়েব (প্রতিনিধি) হিসেবে দ্বীনের (ধর্মের) যাহেরী (প্রকাশ্য) এবং বাতেনী (আধ্যাত্মিক) জ্ঞানে একজন আলেম বা জ্ঞান বিশারদ হতে হবে। মোট কথা, ইসলামী জ্ঞানের সকল শাখায় তাঁর অগাধ জ্ঞান থাকতে হবে। তাঁকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা-বিশ্বাস সম্পর্কেও জানতে হবে। দ্বিতীয়তঃ তাঁকে আরেফ বা ভেদের রহস্য সম্পর্কে জ্ঞানী হতে হবে। তাঁর ইহ্সান অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে, যেমন মহানবী (দ:) এরশাদ করেছেন, ‘আল্লহর এবাদত এমনভাবে কর যেন তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছো, আর যদি না দেখতে পাও তবে এটি জানো যে তিনি তোমাকে দেখছেন (আল হাদীস)। একজন আরেফ তাঁর অন্তরে সাক্ষ্য দেবেন যে আল্লাহ্ তা’লা তাঁর যাত মোবারক, গুণাবলী ও কর্মে এক ও অনন্য। তৃতীয়তঃ কামেল পীর তাঁর পীরের তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যেই পরিশুদ্ধ। তাঁকে নফস তথা একগুঁয়ে সত্তার বিভিন্ন স্তর বা পর্যায়, রোগ ও ত্রুটি-বিচ্যুতি সম্পর্কে ওয়াকেফহাল হতে হবে। শয়তান কোন্ কোন্ পদ্ধতিতে কলব্ বা অন্তরে প্রবেশ করতে পারে তাও তাঁকে জানতে হবে। তাঁর মুরীদদের পরিশুদ্ধ করা এবং কামেলিয়াত বা পূর্ণতার পর্যায়ে উন্নীত করার সকল পদ্ধতিও তাঁর জানা থাকা প্রয়োজন। চতুর্থতঃ তরীকতের পথে অনুসারীদের পথ দেখানোর ক্ষেত্রে একজন কামেল পীরের প্রয়োজন তাঁর পীর কেবলার এজাযত বা অনুমতি। বস্তুতঃ একজন কামেল পীরের বৈশিষ্ট্য ও গুণ হলো তাঁকে দেখলেই আল্লাহর কথা স্মরণ হবে, তাঁর কথাবার্তা শুনলে ঈমান সজীব ও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

3015 views Answered

পীর চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হল তার মধ্যে সুন্নত অনুযায়ী আমল আছে কি না তা লক্ষ করা। আরো কয়েকটি আলামত হল শুদ্ধভাবে তেলোয়াত পারা তাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্বরণ হওয়া। মানুষ তার অপকর্ম ছেড়ে সৎকর্মের প্রতি ধাবিত হওয়া। আর কোন পীরকে ধরার পর তাকে খাটি না পাওয়া গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া ওয়াজিব। এবং অন্য পীর ধরবে। পীর মারা গেলেও অন্য পীরকে ধরা যাবে।

3015 views Answered

,তার সুন্নতি আমল দেখে ,হ্যা অবশ্যই বাদ দিতে হবে ৷তার মৃত্যুর পর তার পুরাপুরি আমল অনুসরন করা যদি না পারেন তবে অন্য অন্ন কারো পিরের কাছে যাওয়া

3015 views Answered

আমরা কোনো শিক্ষকের কাছে আত্মসমর্পণ করি না। বরং আমরা আত্মসমর্পণ করি একমাত্র আল্লাহর নিকট । এখানেই,এক ভাই শিরকি কথা বলে ফেলল। I have surrendere only to Allah. মুসলিম অর্থ আত্মসমর্পণ কারী । শুধুই আল্লাহর নিকট। পীর শিক্ষকের নিকট না। আমরা দুনিয়ার কিছু শিক্ষকদের শুধু ব্যবহার করি। তাদের কথা দ্বীনের বিপরিত হলে তাদেরকে বর্জন করি। তাদের নিকট আত্মসমর্পণ করি না। আর হক্কানী পীর হয় না। পীর মানে শুধু ভন্ড পীরকে বোঝায়। হক্কানী আলিম হয়। ভন্ড পীরের মুরিদরা সবসময় পীরের দরগায় পড়ে থাকে।কিন্তু হক্কানী আলিম এর দরবারে কেউ পড়ে থাকে না। উমার রা. এর কাছে মানুষ সমস্যা নিয়ে আসত না। বরং তিনিই মানুষের সমস্যা বের করে সমাধান করতেন। আপনি কোনো শিক্ষককে ততক্ষণ পর্যন্ত কাছে রাখবেন,যতক্ষণ সে দ্বীনের পথে থাকবে।দ্বীন থেকে খারিজ হলে তার কোনো মুল্য থাকে না। সুতরাং,শিক্ষক আপনাকে কোনো একটি বিষয় শিক্ষা দিল আর আপনি তার কাছে সারা জীবন ঋণী হয়ে থাকবেন এমন কোনো কথা নয়। তাকে আবশ্যক আদেশ দেওয়া হয়েছে যে,তাকে যা জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তা প্রকাশ করবে। মনে করেন,একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে,অমুকের কাছে এই জীনিসটা দিয়ে আসো।যখন সে অমুককে দিবে কৃতজ্ঞ যার কাছ থেকে আনা হয়েছিল।

3015 views Answered

Related Questions

ল্যরি কিং কে?
1 Answers 2515 Views

Next steps