3 Answers
মাসিকের স্থায়িত্ব এক একজনের জন্য এক এক রকম । এর নির্দিষ্ট কোন দিন নেই। যেদিন শেষ হবে তার পর থেকেই নামাজ , রোজা করতে হবে।
যদি উক্ত মহিলার মাসিক ঋতুস্রাবের সময়সীমা ছয় বা সাত দিন হয় কিন্তু মাঝে-মধ্যে এ সময়সীমা বৃদ্ধি হয়ে আট, নয়, দশ অথবা এগারো দিনে গড়ায়, তাহলে পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাকে নামায আদায় করতে হবে না। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঋতুস্রাবের কোন নিন্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেননি। আর আল্লাহ তা‘আলা বলছেন, “তারা তোমাকে মহিলাদের ঋতুস্রাব সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে; তুমি বলে দাও, সেটা হচ্ছে কষ্টদায়ক বস্তু”। (সূরা বাকারা: ২২২) সুতরাং এই রক্ত থাকাকালীন সময়ে মহিলারা আপন অবস্থায় থাকবে, তারপর ভাল হয়ে গেলে গোসল করে নামায আদায় করবে।
অনুরূপভাবে পরবর্তী মাসে যদি গত মাসের তুলনায় কম দিনে ঋতু বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সে গোসল করে নিবে [এবং নামায-রোযা শুরু করবে]। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো এই যে, মহিলার ঋতুস্রাব থাকাকালীন সময়ে সে নামায আদায় করবে না- চাই ঋতুস্রাব গত মাসের মত একই সময় পর্যন্ত চলুক অথবা কিছু দিন বেশি বা কম চলুক। আর যখনই ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাবে, তখনই নামায আদায় করবে।
প্রথমে জানতে হবে যে, মাসিক সবার ক্ষেত্রে, সমান নয়। কারোর ৩, কারোর ৪, কারোর ৫, কারোর ৬,৭, দিন হয়। তাই, প্রত্যেকের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। তবে, মাঝে মধ্যে ব্যতিক্রম হয়ে, দিন কমতে পারে বা বাড়তে পারে। তবে, এমন হলে যতদিন হবে রক্ত যাবে, ততদিন মাসিকের রক্ত ধরবে কিন্তু তা যদি বেড়ে ১০ দিনের বেশি বা ৩ এর কম হয়ে যায়, তাহলে সেটি ইস্তেহাযার (রোগের) রক্ত গণনা করবে। ★★★মাসিকের সর্বনিম্ন দিন হচ্ছে, ৩ দিন ৩ রাত। আর সর্বোচ্চ দিন হচ্ছে, ১০ দিন ১০ রাত। এই হলো মূলনীতি। নিম্নে কয়েকটি মাসাইল দেয়া হলোঃ- ★★★(১)এখন যার মাসিক ( হায়েয বা ঋতুস্রাব), যত দিন বা সময় হবে, তার মাসিকের রক্ত বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে, সে পবিত্র হবে ( অবশ্য গোসল করতে হবে) অর্থাৎ সে ইবাদত করতে পারবে। ★★★(২) রমযান মাসে কারো মাসিক হলে, সে দিনে পানাহার, সহবাস করতে পপারবে না কিন্তু নামায, তেলাওয়াত করতে পারবে না। ★★★(৩) যে নামাযের ওয়াক্তে, তার মাসিক বন্ধ হবে, সে ওয়াক্ত থেকে, সে ইবাদত বা সে ওয়াক্তের নামায আদায় করবে এবং তার পরবর্তি দিন থেকে রোযা রাখবে।