2 Answers
সমকামীতা একটি চরম পর্যায়ের অসুস্থ মনমানষিকতা। যারা এ কাজে অভ্যাস করে ফেলে নিজেদের তারা নিজেকে ধ্বংশ করে ফেলে। যে রাস্তা যৌনাঙ্গ প্রবেশ করানোর নয়, সেখানে তা প্রবেশ করানো কত টুকু অযৌক্তিক কাজ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যিনি প্রবেশ করাচ্ছে ও যাকে দুজনের অঙ্গই বিকল হয়ে যাবে। নানা রকম যৌন রোগও বাসা বাঁধবে। তার দুনিয়া তো বরবাদীর মধ্যেই যাবে আখিরাতও বরবাদী। এ কাজ সকল ধর্ম ই নিরুৎসাহিত করে। এমনকি পশু ধর্মও। কোন পশু এতটুকু নিচ হয় না যে, তারা সমকামী। মানুষ হয়ে, যার বিবেক আছে, বুদ্ধি আছে সে কিভাবে এ কাজ করতে পারে। কোন ডাক্তারও সমকামীতাকে পছন্দ করেন না। আপনি নিচের লিংক টা থেকে অধ্যয়ণ করতে পারেন।
তোমাকে হৃদয় থেকে সত্যিকার অর্থে তওবা করতে হবে। আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে হবে। অতীতে যা করেছ তার জন্য লজ্জিত হতে হবে। বেশি-বেশি দুয়া করতে হবে এবং কায়মনোবাক্যে আকুতি করতে হবে আল্লাহ যেন তোমাকে ক্ষমা করে দেন। তিনি যেন তোমাকে এই বিষয় থেকে নিষ্কৃতি পেতে সহায়তা করেন। নিশ্চয় আল্লাহ আরাধ্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মেহেরবান এবং দুয়া কবুলে অধিক নিকটবর্তী। আল্লাহ তাআলা বলেন, বলুন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজদের উপর বাড়াবাড়ি করেছে, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সকল গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।”[সূরা আল-যুমার, আয়াত: ৫৩] তাই তুমি আল্লাহর সামনে পড়ে যাও। কাঁদো, নিজের মনকে বিগলিত করে অশ্রু ঝরাও, তোমার প্রয়োজন ও দীনতা প্রকাশ করো। গুনাহ মাফ চাও। আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা ও বিপদমুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী হও। দুই: নিজের হৃদয়ে ঈমানের বীজকে যত্ন করো। যখন এ-বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে ওঠে, তখন তা দুনিয়া-আখেরাত উভয় জাহানের কামিয়াবি নিয়ে আসে। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসই, আল্লাহর তাওফিকের পর, বান্দাকে হারাম কাজ থেকে বাঁচায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননি, “ব্যভিচারকারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন অবস্থায় থাকে না।”[সহিহ বুখারি (২৪৭৫) ও সহিহ মুসলিম (৫৭)] তাই ঈমান যখন তোমার হৃদয়কে কর্ষিত করবে তোমার অন্তরাত্মা ও অনুভূতি ঈমান দিয়ে ভরে যাবে, তখন আর তুমি হারাম কাজ করতে সাহস পাবে না। আর মুমিন যদি একবার পড়ে যায় তাহলে সাথে সাথেই সে চৈতন্য ফিরে পায়। আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “নিশ্চয় যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, যখন শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা তাদেরকে স্পর্শ করে তখন তারা আল্লাহকে স্মরণ করে। তখনই তাদের দৃষ্টি খুলে যায়।”[সূরা আল-আরাফ, আয়াত: ২০১] তিন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবসমাজকে যে উপদেশ দিয়েছেন তা পালন করার চেষ্টা করো। সেটা হলো বিবাহের উপদেশ যদি তুমি এ ব্যাপারে সক্ষম হও। তোমার বয়স কম বলে অজুহাত দাঁড় করিও না, কেননা কম বয়স বিবাহের প্রতিবন্ধক নয়; কখনো না। যেহেতু তোমার বিয়ে করা জরুরি, তাই তোমার বেলায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিম্নোক্ত হাদিসটি বর্তাবে। তিনি বলেছেন: “হে যুবসম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ে করার ক্ষমতাসম্পন্ন সে যেন বিয়ে করে ফেলে। কেননা দৃষ্টিকে অধিক অবদমনকারী, যৌনাঙ্গকে অধিক হেফাজতকারী। আর যে তা পারবে না, সে যেন রোজা রাখে, এটা তার জন্য যৌন-উত্তেজনা দমনকারী।[সহিহ বুখারি (৫০৬৫) ও সহিহ মুসলিম (১৪০০)] তুমি নবীর এই উপদেশকে আঁকড়ে ধরো। এতে আল্লাহ চাহে তো মুক্তির উপায় পাবে। তোমার মাতা-পিতাকে এ ব্যাপারে খোলাখুলি বলে বিবাহের আগ্রহ ব্যক্ত করতেও কোনো সমস্যা নেই। লজ্জা যেন তোমাকে মাতা-পিতার কাছে খোলামেলা বলা থেকে বিরত না রাখে সে ব্যাপারে সতর্ক হও। বিবাহের ব্যাপারে সিরিয়াসলি চিন্তা করো। দারিদ্র্যকে ভয় পেয়ো না; আল্লাহ তোমাকে তার করুণায় অভাবমুক্ত করে দেবেন। ইরশাদ হয়েছে, “আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী-পুরুষ ও সৎকর্মশীল দাস-দাসীদের বিবাহ দাও। তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যবান ও মহাজ্ঞানী।”[সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩২]
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy