কোরআন আবার বিক্রি করে কি ভাবে বুযিয়ে বলুন।যারা কবিরাজ ও বক্তা তারা তো টাকা ছাড়া কোনো কিছু করে না।

3103 views

3 Answers

আপনার কথা হলো যারা কুরআন বলে টাকা আয় করে তাদের হুকুম কি। যারা জারফুক দেয় (কবিরাজ) তারা সময় নষ্ট করে আপনার পেছনে। তাদের সময়ের ক্ষতি হয়। এই সময় অন্য কিছু করতে পারত। যাতে তারা টাকা পেত। এটা তারা আপনার উপকার করেই নেয়। বক্তারাও এই ধরনেরই। তবে বিষয়টি (টাকার পরিমান) স্বাভাবিক থাকা উচিত আমার মতে। ১ ঘন্টা কথা বলে ১ লাখ এটা ঠিক না।

3103 views
***আসলে ভাই যারা কবিরাজ তাদের বিষয় টা হল, তারা কোরআন বিক্রি করে না,বরং কুরআনী চিকিৎসা দিয়ে মানুষকে সুস্থ করার চেষ্টা করে,এটা কোরআন এর বিনিময় না,বরং চিকিৎসার বিনিময়,কারন সময় মত চিকিৎসা গ্রহণ করা এটাও একটা এবাদত,আর যদি কবিরাজরা কবিরাজি করে কোন বিনিময় না পায় তাহলে তারা বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিবে না,আর সেটা সমাজের জন্য ক্ষতিকর, তাই তাদের চিকিৎসা চালু রাখতে হলে তাদেরকে চিকিৎসার বিনিময় দিতে হবে,কারন এটা তাদের পেশা,,,,
***আর বক্তাদের বিষয়,,,, দ্বীনি এলেম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ,আর দ্বীনি এলেম শিখার জন্য সাধারনত  মাদ্রাসাতেই যেতে হয়,আর সবার জন্য মাদ্রাসায় গিয়ে দ্বীন শিখা সম্ভব হয় না,কেউ মাদ্রাসায় গিয়ে শিখবে কেউ অন্য কোন উপায়ে শিখবে,এমনই একটি দ্বীন শিখারর মাধ্যম হল ওয়াজ মাহফিল,আর আপনি আমি যেমনি ভাবে বেতন ছাড়া কোন চাকুরি করি না,ঠিক তেমন কোন মাঠে যখন কাউকে দাওয়াত করা হয় ওয়াজ করার জন্য কেমন যেন তাকে এই মাঠে এক বা দুই ঘন্টার জন্য চাকরি দেওয়া হল, আর সে তো বেতন ছাড়া চাকরি করবে না তাই তাকে তার কাজের পারিশ্রমিক দেওয়া হবে,আর সেটা যার যার পজিসন অনুযায়ি,যার চাহিদা যত তার বাজেট ও তত,আশা করি বুঝতে পেরেছেন
3103 views

কেউ যদি কুর'আন বা দ্বীন প্রচারের বিনিময় গ্রহন করে তবে সে আল্লাহতায়ালার দেয়া নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করল। তবে যদি তা হয় চিকিতসা বা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা অথবা আরবি ভাষা শিক্ষা দেওয়া - তবে সে (দ্বীন প্রচার উদ্দেশ্যে যা করা হয়নি) তার পারিশ্রমিক নিতে পারে। 

আবার কুর'আন প্রকাশনা বা (দোকানে) বিক্রয় বিনিময়েও হাদিয়া নেওয়া জায়েয রয়েছে। সাহাবি  (রাঃ) কেউ দ্বীন প্রচার করে বিনিময় নিতেন এমন নজির নেই।


3103 views

Related Questions