2 Answers
দেশের প্রথম 'ডিজিটাল জেলা' হিসেবে যশোরে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ই-মনিটরিং, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ইউসিসের মাধ্যমে পর্চা
প্রদান, অনলাইনে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের মতো তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন সেবা চালু করা হয়েছে। গ্রাম পর্যায়েও সেবাগুলো পৌঁছে গেছে।
'এক ক্লিকেই সেবা' স্লোগান নিয়ে গড়ে উঠছে যশোর। তথ্যপ্রযুক্তি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১১ সালে যশোর জেলা প্রশাসন 'ই-এশিয়া অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেছে। এজন্য যশোরকে ডিজিটাল যশোর বলা হয়।
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ই-মনিটরিং, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ইউসিসের মাধ্যমে পর্চা প্রদান, অনলাইনে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন সেবা চালু, ২৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে যশোর এগুলোতে ই-মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছ। উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করনের উদ্যেশ্যে ই-কমার্স চালু করা হয়েছে। পড়াশোনা আনন্দময় করতে পাঠ্যবই আকর্ষণীয় আর পাঠদান পদ্ধতি যুগোপযোগী করা দরকার। তাই যশোর জিলা স্কুল, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও যশোর কালেক্টরেট স্কুলে 'পাইলট প্রকল্প' হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে। ই-সেবার মাধ্যমে পর্চা সেবা প্রদান, অনলাইনের মাধ্যমে কোট ফি প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। অনলাইন বিদ্যুৎবিল, অনলাইন রিচার্জ, এসএমএস সেবা প্রদান, জেলা প্রশাসকের সাক্ষাৎ পেতে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু করা হয়েছে। এছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে ছোট-খাটো নানা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে,,, আর এ জন্যই যশোর কে ডিজিটাল জেলা বলা হয়।।।।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy