চর্যাপদ কত সালে রচিত হয়?

চর্যাপদের লেখক কে?

চর্যাপদে কি ধরনের কবিতা লিখা হয় এবং চর্যাপদ রচনা করার প্রধান উদ্দেশ্য কি?

2820 views

3 Answers

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি। খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলি রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। এই বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলিতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ আজও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যার প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।

2820 views

ধারনামতে চর্যাপদ ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে লেখা হয়।এবং ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটা উদ্ধার করেন নেপালের রাজ পাঠাগার থেকে।চর্যাপদে বৌদ্ধ সহজিয়াদের রচিত ধর্মীয় কবিতা ছিল।

2820 views

চর্যাপদ ৬৫০-১২০০ শতকে বা ৯৫০-১২০০ শতকে রচিত হয়। এটি যারা  রচনা করেছেন তাদের মধ্যে প্রধান হলেন লুইপাদ ও কাহুপাদ। এছাড়া এর ২৪  জন পদকর্তা আছেন।

2820 views

Related Questions