এই অবস্থায় কি সার অথবা বিষ প্রয়োগ করতে পারি?
2708 views

1 Answers

জেনেনিন লাউ কুমড়া চাষ পদ্ধতি লাউ, কুমড়া প্রায় সব ধরনের মাটিতে জন্মে। তবে প্রধাণত দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ মাটি চাষের জন্য উত্তম। এগুলো সাধারণত একটি লতানো উদ্ভিদ, ফলে বছরের অধিকাংশ সময় চারা লাগিয়ে এ ফসল উৎপাদন করা যায়। বীজ বপন ও চারা উৎপাদনঃ চাষের জন্য পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করাই উত্তম। এতে বীজের খরচ কম পড়ে। পলিথিন ব্যাগে চারা উৎপাদন করে রোপণ করলে হেক্টর প্রতি ৮০০-১০০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়। তবে মাটি দিয়ে মাদাতৈরি করেও চারা উৎপাদন করা যায়। প্রতি মাদায়৪-৫টি বীজ বপন করতে হবে। ৪-৫ দিনের মধ্যেই বীজ অঙ্কুরিত হবে। বীজ বপনের সময়ঃ শীতকালীন চাষের জন্য মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য-কার্তিক (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মাসে বীজ বপন করা যেতে পারে। তবে আগাম শীতকালীন ফসলের জন্য ভাদ্রের ১ম সপ্তাহে বীজ বুনতে হবে। জমি তৈরি ও চারা রোপণঃ আমাদের দেশে প্রধানত বসত বাড়ির আশপাশে যেমন গোয়াল ঘরের কিনারায় বা পুকুর পাড়ে ২-৩ টি গাছ লাগানো হয়ে থাকে। বেশি পরিমাণ জমিতে লাউয়ের বা কুমড়ার চাষ করতে হলে প্রথমে জমি ভালোভাবে চাষ ও মই দিয়ে প্রস্তুত করতে হবে। লাউ চাষের জন্য ২×২ মি. দূরত্বে প্রতি মাদায় ৪-৫ টি বীজ বোনা উচিত। রবি মৌসুমে লাউ মাচাবিহীন অবস্থায় চাষ করা যায়। তবে মাচায় ফলন বেশি হয়। এ ছাড়া পানিতে ভাসমান কচুরিপানার স্তুপে মাটি দিয়ে বীজ বুনেও সেখানে লাউ জন্মানো যেতে পারে। পরিচর্যাঃ চারা একটু বড় হলেপ্রতি মাদায় ২টি করে চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলতে হবে। মাটি নিড়ানি দিয়েআলগা করে ঝুরঝুরা করতে হবে। লাউ বা কুমড়া গাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি প্রতিদিন দিতে হবে। বাউনি ও মাচা তৈরিঃ গাছ যখন১৫-২০ সেন্টিমিটার বড় হয় তখন গাছের গোড়ার পাশে বাঁশের ডগা কঞ্চিসহ মাটিতে পুঁতেদিতে হয়। বালাই ব্যবস্থাপনাঃ এ সবজিতে রেডপামকিন বিটল পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ পোকা দেখা দেওয়ার সাথে সাথে ধরে ধরে মেরে ফেলতে হবে। এছাড়া কিছুপ্রজাতির ঘাসের মাধ্যমে লাউয়ের ও কুমড়ার মোজাইক ভাইরাস’ রোগ হতে পারে। ফসল সংগ্রহঃ চারা রোপণের ৬০-৭০ দিনের মধ্যে প্রথম ফল সংগ্রহ করা হয়। ফল তোলা বা সংগ্রহ করার উপযুক্ত পর্যায় হলো-১) ফলের গায়ে প্রচুর শুং এর উপস্থিতি থাকবে। ২) ফলের গায়ে নখ দিয়ে চাপ দিলে খুব সহজেই নখ ডেবে যাবে। ৩) পরাগায়ণের ১২-১৫ দিন পর ফল সংগ্রহের উপযোগী হয়।ধন্যবাদ...

2708 views

Related Questions