চোর কে?
দেশীয় একটি জাহাজে করে নোয়াখালীর ধনকুবের মি. রহমান শ্রীলংকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।
ফিরে এসে দেখেন তার ঘড়ি এবং চেইন উধাও!
সাথে সাথে তিনি তার অধীনস্থ চার কর্মচারীকে ডেকে চুরির কথা জানালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন শেষ দশ মিনিট তাদের কে কোথায় ছিলো।
তাদের উত্তরগুলো নিম্নরূপ-
- পাচক (বাড়ি রাজশাহী): আমি কোল্ড স্টোরেজ থেকে দুপুরের খাবার তৈরির জন্য তরিতরকারি বের করছিলাম। আমি চুরি করিনি।
- ইঞ্জিনিয়ার (বাড়ি কুমিল্লা): আমি নিচে জেনারেটর পরীক্ষা করছিলাম।
- কেয়ারার (বাড়ি খুলনা): ছাদে পতাকাটা উল্টোভাবে লাগানো ছিলো, আমি সেটা ঠিক করছিলাম।
- হাউজ কিপার (বাড়ি বরিশাল): আমি রাতের শিফটে কাজ করে ঘুমিয়ে ছিলাম।
মি. রহমান দশ সেকেন্ডের মধ্যেই চোর কে তা বুঝে ফেললেন।
বলতে হবে চোরটা কে এবং মি.রহমান কিভাবে বুঝতে পারলেন সেই চোর?
------> হতে পারে চোর একাধিক!
9 Answers
কুমিল্লার ইঞ্জিনিয়ার আর খুলনার কেয়ারার চুরি করেছে। তারা তাদের কাজগুলো জাস্ট দশ মিনিট সময়ের মধ্যেই করেছে, এ কথা স্বীকার করেছে। আর অন্য দুজন যাদের একজন বলেছে দুপুরের খাবার, আরেক জন বলেছে রাত্রের কথা তারা চুরি করেনি, কারণ তাদের কথিত সময়টা বিস্তর। এভাবেই মি. রহমান চোর চিনে ফেলেন।
পাচক (বাড়ি রাজশাহী): আমি কোল্ড স্টোরেজ থেকে দুপুরের খাবার তৈরির জন্য তরিতরকারি বের করছিলাম। আমি চুরি করিনি।
পাচক চুরি করেছে।কারন তাদের ডাকা হয়েছিল কে কোথায় ছিল।কিন্ত সে সরাসরি বলে দিয়েছে "আমি চুরি করিনি"।কথায় আছে না চোরের মন পুলিশ পুলিশ।
চোর হলো: পাচক (বাড়ি রাজশাহী): কারণ সে মিথ্যা কথা বলেছে, দেশি জাহাজে কোল্ড স্টোরেজ থাকে না তাহলে সে কিভাবে কোল্ড স্টোরেজ থেকে দুপুরের খাবার তৈরির জন্য তরিতরকারি বের করবে।
চোর একাধিক হলে আরেকজন হলো:
হাউজ কিপার (বাড়ি বরিশাল): আমি রাতের শিফটে কাজ করে ঘুমিয়ে ছিলাম।
কেউ ঘুম থেকে উঠলে তার চোখ, মুখ দেখেই বোঝা যায়,
হাউজ কিপার ঘুমিয়ে ছিলো না /মিথ্যা বলেছেন, সুতরাং
হাউজ কিপার চোর হবে যদি তিনি এভাবে দৃষ্টিকোণ করেন।
পাচক হলো চোর। কারন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলো সে কোথায় ছিল কিন্তু সে বলেছে চুরি করে নি।
আমার মতে (পাচককেই) চোর মনে হচ্ছে কারন চার জনকেই ডাকা হয়েছে এবং তার মদ্ধে ৩ জনই যার যার কাজের কথা জানিয়েছে এবং কোন বার্তি কথা বলেনি। একমাত্র পাচকই বলেছে "আমি চুরি করিনি" তাই আমার পাচককেই চোর মনে হচ্ছে তবে আমি শিওর নই। কথায় বলে "অতিভক্তি চোরের লক্ষন"
পাচক চোর কেননা মি. রহমান শুধু বলেছেন শেষ দশ মিনিট কে কোথায় ছিলো ? চুরির কথা তিনি বলেন নি । কিন্তু পাচক জানালো "সে কোথায় ছিলো এবং পরিশেষে বললো সে চুরি করেনি" কিন্তু আসল কথা তো হলো তাকে চুরির বিষয়ে মি. রহমান কিছুই জানান নি , এতেই প্রমাণিত হয় সে চোর
চোর হলো কেয়ারার (বাড়ি খুলনা), প্রশ্নে বলা
হয়েছে যে দেশীয় জাহাজে করে ভ্রমণ করছেন।
স্বাভাবিক ব্যাপার যে 'জাহাজে উড়ানো পতাকাটি
হলো বাংলাদেশের পতাকা'।
কেয়ারারের বক্তব্য ''ছাদে পতাকাটা উল্টোভাবে
লাগানো ছিলো, আমি সেটা ঠিক করছিলাম।
বাংলাদেশের পতাকা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি
এটা উল্টা সদর উভয় এক। সুতরাং, সে মিথ্যা বলেছে,
অতএব, চোর কেয়ারারই।