সেই পরানির দাওয়াত করে মানুষদের খাবার খায়ান কেন এইরকম অনুষ্ঠান করা কোরআন ও হাদিছ থেকে বলবেন।

2896 views

3 Answers

ইসলামে এগুলো পালনের কোনো বিধান নেই। এগুলো করা বিদাত। তবে মৃত ব্যাক্তির রূহের মাগফিরাতের জন্য, দোয়া মাহফিল করা যাবে। কিন্তু আমরা মরণের ১০ বা ৪০ দিন পর মানুষকে দাওয়াত দেই। এটা করা ভালো। কেননা, এতে সম্মিলিত ভাবে দোয়া করা যায়। যা আল্লাহর নিকট কবুল হতে পারে।

2896 views

আপনার কথা পুরো স্পষ্ট হচ্ছেনা।মনে হচ্ছে বলতে চাচ্ছেন যে,মৃত্যু পরবর্তী নির্দিষ্ট দিনে শীরনীর হুকুম কি?যাকে আমরা ৩দিনি বা চল্লিশা বলে থাকি।

উত্তর হচ্ছে,এর দুটি রূপ আছেঃ-

ক. আপনি আল্লাহর ওয়াস্তে ইসালে সওয়াব হিসেবে করতেছেন।

খ. আপনি মানুষ ভয়ে অথবা লোক দেখানোর উদ্দেশে বা রুসুমাত হিসেবে করতেছেন।

২য় টা তথা 'খ' এর হুকুম হচ্ছে তা বিদআত।

আর যদি ১ম তথা 'ক' উদ্দেশ্য হয়,তাহলে তার ২ অবস্থাঃ-

ক. আপনি সামর্থবান, খ. সামর্থবান নয়।

যদি অবস্থা 'খ' হয়,তাহলে বুঝা যাবে যে আপনি রুসুমাত পালনার্থে করতেছেন।তাই বিদআত।

আর যদি ক হয়,তাহলে শর্ত হচ্ছে যে,লোক দেখানো বা রুসুমাত পালনের নিয়ত না থাকা।যদি রুসুমাতের ইচ্ছা না থাকে,এবং পুরো লিল্লাহিয়াত এবং ঈসালে সওয়াব থাকে তাহলে তা জায়েজ আছে।

অবশ্য ৩ বা ৪০ দিন তথা নির্দিষ্ট দিনে না করে অন্য কোনদিন করা শ্রেয়।যাতে রুসুমাতের সন্দেহ না হয়।

2896 views

চল্লিশা/ ফরানি এসব কিছু বেদাত এসব অনুষ্ঠানে যাওয়া মোটেই উচিত না ৷ ফরানি না করে যদি আপনি রমজান মাসে গরিব মানুষ দের এফতারির দাওয়াত দিয়ে পেট পুরে খাওয়ান তবে সবচে ভালো হবে ৷

2896 views

Related Questions