2 Answers

হ্যা, আছে, এটা হারাম এবং মস্ত বড় পাপ কাজ ।

2914 views Answered

মেয়েটি যদি আপনার স্ত্রী হয়, অর্থাৎ সমাজ,ধর্মীয়

নিয়মে বিবাহ হয়ে থাকে তাহলে তার সাথে 

মিলিত হতেই পারেন এ ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা 

নেই। 

মেয়েটি যদি গার্লফ্রেন্ড,  বান্ধবি  এক কথায় নিজের 

স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ হয় তারসাথে কোনো প্রকার

চলাফেলা করা, শারীরিক সম্পর্ক করা হারাম, এ বিষয়ে

নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। 

.

সকল প্রকার যৌনাচার ইসলামী মতে নিষিদ্ধ বা হারাম। মানব জীবনের যৌন চাহিদা ইসলাম কর্তৃক স্বীকৃত কিন্তু যৌনাচারের পন্থা সম্পর্কে রয়েছে অনুশাসন।[১][২] মানুষের বিবিধ যৌনাচার অনুমোদনযোগ্য কি-না তা দুটি বিষয় থেকে অনুমানযোগ্য। প্রথমত: যৌনাচারের মূল উদ্দেশ্য বংশবৃদ্ধি এবং দ্বিতীয়ত: নারী ও পুরুষ কেবল রীতিসিদ্ধ উপায়ে বিয়ের মাধ্যমে যৌনাচারের প্রাধিকার অর্জন করে। ইসলামে যৌনতা বিষয়ক নিয়মাবলি ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ কুরআন, ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সঃ)-এর বাণী ও কর্ম যা হাদীস নামে পরিচিত, ইসলামিক নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রদত্ত ফতোয়া প্রভৃতিতে ব্যাপক ও বিস্তারিত ভাবে বলা হয়েছে, যা নারী ও পুরুষের মাঝে নিয়মতান্ত্রিক যৌন সম্পর্কের মধ্যে সীমিত।

ইসলামী আইনশাস্ত্রে যেমন বৈবাহিক যৌনতাকে উৎসাহিত করা হয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে বিবাহবহির্ভূত যৌনতাকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করে কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। উপরন্তু, কুরআনে এই আইনগুলোর লিখিত নিশ্চয়তা রয়েছে।


কুরআনের ২৪ (সূরা নূর):২-৩ আয়াতে বলা হয়েছে যে, ইসলামী আইনে বিয়ে এবং উপপত্নীত্ব ব্যতীত অন্যান্য যৌন সম্পর্কসমূহ জিনা (ব্যভিচার) হিসেবে নিষিদ্ধ। উক্ত আয়াতসমূহে আরও বলা হয়েছে, অবিবাহিত ব্যভিচারী পুরুষ বা নারীকে একশতটি বেত্রাঘাত প্রদান করতে হবে এবং উক্ত ব্যভিচারী নারী বা পুরুষ অপর ব্যভিচারী পুরুষ বা নারীকেই শুধুমাত্র বিয়ে করতে পারবে; পাশাপাশি বিবাহিত ব্যভিচারী পুরুষ বা নারীকে (পরকীয়া) পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে।[২৫] ব্যভিচারের অভিযোগ প্রমাণ প্রসঙ্গে সূরা নিসার ১৫-১৬ আয়াতে চার জন পুরুষ সাক্ষী হাজির করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, এবং সূরা নূরের ৪-৫ আয়াতের বলা হয়েছে যে, চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে অপারগ হলে অভিযোগকারীকে আশিটি বেত্রাঘাতের শাস্তি প্রদান করতে হবে।

বিবাহবহির্ভূত যৌনতা নিষিদ্ধকারী আইনের ন্যায়, কুরআন নারীদের কিছু শ্রেণীকে নির্ধারিত করেছে যাদের সাথে সঙ্গম করা পুরুষদের জন্য রহিত করা হয়েছে। সূরা নিসার ২২-২৪ নং আয়াতে মাতা, কন্যা, বোন, খালা, ফুফু, ভাগ্নি, ভাতিজি, দুধমাতা, দুধ্মাতার কন্যা, স্ত্রীর মাতা, স্ত্রীগণের অন্য স্বামীর কন্যাগণ, পুত্রদের স্ত্রীগণ এবং ইতোমধ্যে বিবাহিত নারীদেরকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পাশাপাশি, সূরা বাকারার ২২২ আয়াতে ঋতুবর্তী নারীদের সঙ্গে সঙ্গম করতে নিষেধ করা হয়েছে।

2914 views Answered

Related Questions

Next steps