সমবয়সী হওয়ার কারনে কি কোন প্রব্লেম হবে ভবিষ্যত এ?
আমি এখন কলেজ ফাস্ট ইয়ার এ পরি,,,,,,,,, এক টা মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক আছে, সেও কলেজ ফাস্ট ইয়ার এ পরে,,,,, এবং আমরা ইনশাআল্লাহ বিয়েও করব,,,,,,,,,, এখন আমরা সমবয়সী হওয়ার কারনে কি ভবিষ্যৎ এ আমাদের কোন ধরনের সমস্যা হবে,,,??????
3 Answers
আপনার দুজন পড়াশোনা চালিয়ে যায়। ইনশাল্লাহ কোনো সমস্যা হবে না। এমন অনেকে বিয়ে করেছে তাদের মাঝে কোনো সমস্যা পরিলক্ষিত. হয়নি। আমার বোন এমন একজন কে বিয়ে করেছে। এখন তারা সুখী দাম্পত্যি
স্বামী ও স্ত্রী মাঝে বয়সের ব্যবধান থাকা খুব জরুরী, তা নয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুখী সংসার স্থাপন করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। চলুন দেখে আসি বয়েসের ব্যবধান কি কি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে? ১. অতিরিক্ত বয়সে বড়: স্বামী যদি স্ত্রী'র চাইতে ১০ বা, অধিক বছরের বড় হয়ে থাকেন, তবে তাদের মাঝে "জেনারেশন গ্যাপ" তৈরী হয়। স্ত্রী কখনো স্বামীকে বন্ধু হিসেবে নিতে পারেন না, যদি না স্বামী অতিরিক্ত বন্ধুবৎসল না হয়ে থাকেন। দুজনের মানসিকতারও প্রায় অমিল দেখা যায়, আবার স্ত্রী সব সময়ই বয়সে ছোট হওয়ার কারণে স্বামীর কাছে নিজেকে অনেক ছোট মনে করেন বলে - নিজের ব্যাক্তিগত মতামতগুলো প্রায়শই চাপা পরে রয় নিজের মাঝে। ২. স্বামী- স্ত্রী যখন সমবয়সী: সমবয়সীদের মাঝে বেশ বড় রকমের ঝামেলা তৈরী হয় বিয়ের পর, যদি না সঠিক সমঝোতা ও সহমর্মীতা তৈরী না হয়ে থাকে। পৈত্রীকেন্দ্রিক বা, পিতৃশাসিত সমাজ বলে, স্বামীরা সর্বদাই একটু উঁচুতে থাকতে পছন্দ করেন। তাদের "পৌরষত্ব" বা, Manly Attitude জাগ্রত হলে স্বাভাবিকতই তারা নিজেদের কর্তৃত্ব দেখাতে চান। কিন্তু, সমবয়সী স্ত্রী বেশিরভাগ ক্ষেত্রে না মেনে নিতে নারাজ হন। স্ত্রী'র মন্তব্য থাকে, "তুমি যতদূর দুনিয়া দেখেছো, আমি তার কম দেখি নি। তুমি তবে আমাকে বোঝাতে আসো কেন?" এসব কারণে, সমবয়সীদের বিয়ের চুড়ান্ত পরিণতি প্রায়শই বিচ্ছেদে গিয়ে ঠেকে। তবে, মাঝে মধ্যে আলাদা কেস আমাদের চোখে পরে। সেটা নিতান্তই খুব ভাল বোঝাপড়ার সমন্বয় বলা যায়। [?] প্রশ্ন হলো, তবে সঠিক বয়স ব্যবধান কেমন হতে পারে? আমার মতে, ২-৫ বছরের ব্যবধানই আদর্শ হতে পারে একটি সুখী দম্পত্তি জীবনের সূচনার জন্য - কিন্তু, ৯-১০ এর মত নয়। তাতে থাকে না অতিরিক্ত বয়সের ব্যবধান, থাকে না প্রজন্মের দূরত্ব বা, জেনারেশন গ্যাপ। আর চাইলে খুব সহজেই তৈরী করে নেয়া যায় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তবে, বয়সের পার্থক্যের চাইতেও বড় ব্যাপার হলো নিজেদের মাঝে সুন্দর বোঝাপড়া ও কম্প্রোমাইজেশন। নিজেদের ভুলগুলো মাফ করে দিয়ে ও শুধরে নিয়ে খুব সহজেই নিজের দাম্পত্য জীবন করে তোলা যায় খুব স্পেশাল ও রোমান্সে ভরপুর। বিঃদ্রঃ উপরের মতামতটি সম্পূর্ণ আমার ব্যাক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজের পরিস্থিতি উপলব্ধিপূর্বক মতপ্রকাশ। ব্যাতিক্রম থাকতেই পারে, এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই উত্তরটি প্রকাশ করছি। ধন্যবাদ।
প্রশ্নটি করেছেন 'যৌন বিভাগে' এই আলোকে
আপনার প্রশ্নের উত্তর ' না কোনো সমস্যা হবে না'।
শারীরিক সমস্যা বলতে যৌন কাজে কোনো
সমস্যা হয় না, তবে এ বিষয়টি মাথায় রাখতে
হবে যে নারীরের গর্ভধারন করার উপযুক্ত
শেষ সময় ৩৫ বছর বয়স। আবার নারীদের যৌন
ক্ষমতা ও সাধারণত পুরুষদের তুলনায় আগে
বিনাশ হয়ে যায় (বয়সের হিসাবে), তবে আশা
করা যায় এ বিষয়ে কোনো সমস্যা হবে না যদি
দুজনের মধ্য ভালোবাসা থাকে।
.
স্বামী স্ত্রী উভয়ে সমবয়সী হলে বেশির ভাগ
ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্ত্রী স্বামীকে ততটা ভয়
করে না এবং মুখের উপর কথা বলতেও দ্বিধা
বোধ করে না। তবে সকলের ক্ষেত্রে যে একই
বিষয় প্রভাবিত হবে তেমনটা অবশ্যই নয়।
ভালোবাসা, বিশ্বাস থাকলে বয়স কোনো বাধা নয়
সম্পর্কে।