প্রথম তাকবীরে জামায়াতে শরীক হওয়া?
প্রথম তাকবীরে জামায়াতে শরীক হওয়াকে তাকবীরে উলা বলে । তাকবীরে উলা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
ﻣﻦ ﺻﻠﻰ ﺃﺭﺑﻌﻴﻦ ﻳﻮﻣﺎ ﻓﻲ ﺟﻤﺎﻋﺔ ﻳﺪﺭﻙ ﺍﻟﺘﻜﺒﻴﺮﺓ ﺍﻷﻭﻟﻰ ﻛﺘﺐ ﻟﻪ ﺑﺮﺍﺀﺗﺎﻥ : ﺑﺮﺍﺀﺓ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ، ﻭﺑﺮﺍﺀﺓ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﻔﺎﻕ
অর্থ : যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন জামাআতে নামায আদায় করবে এবং সে প্রথম তাকবীরও পাবে তার জন্য দুটি মুক্তির পরওয়ানা লেখা হবে।
(এক) জাহান্নাম থেকে মুক্তি।
(দুই) নেফাক থেকে মুক্তি।
বিষয়টা ঠিক আছে এখন প্রশ্ন হলো যদি এই ৪০ দিনের মধ্যে আমার নিজেকে ইমাম হতে হয়, তাহলে কি তাকবির উলার আওতা ভুক্ত থাকবে। আর একই মসজিদে ২/৩ বার জামাত হয়, প্রথম জামাত ধরতে না পরলে ২য় জামাতে তাকবির পাইলে হবে কি? জানাবেন, প্লিজ।
2 Answers
নিজে ইমাম হলেতো তাকবির উলা না পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। প্রথম জামায়াত ধরতে না পারলেও দ্বিতীয় জামায়াতেও তাকবির উলা পাবেন যদি প্রথম তাকবিরে জামায়াতে শরীক হন। তবে প্রথম জামায়াতেই জামায়াতে উপস্থিত হওয়া উত্তম । কেননা ঐ মসজিদে যদি কোন ক্রমে দ্বিতীয় জামায়াত না হয় তাহলে তাকবির উলা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন । এতে হাদিসে উল্লেখিত 40 দিন পূর্ণ করতে ব্যর্থ হবেন।
আপনি ইমাম হোন আর মুক্তাদী হোন কোনো সমস্য নেই। আর দ্বিতীয় জামাতে শরীক হলেও চলবে। তবে এটাকে সুজোগ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy