আল্লাহ তাআলা মুসলিম এবং অমুসলিম এই দুই দলের মধ্যে এভাবে পার্থক্য করে দিয়েছেনঃ “তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য।”
১। বলুনঃ হে কাফের সম্প্রদায়!
২। তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত করি না।
৩। তোমরাও ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।
৪। আর আমি ইবাদতকারী নই তোমরা যার ইবাদত কর।
৫। তোমরা ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।
৬। তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য। (সুরা কাফিরুন)।
আবু দাউদ শরীফে বর্নিত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তি যেই জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে।
কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ এর দৃষ্টিতে শরীয়তের ফায়ছালা হলো তাদের যে কোনো অনুষ্ঠানে মুসলমানের জন্য যাওয়া সম্পূর্ণ হারাম এবং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এতে গুনাহ হবে।
কাজেই কোনো মুসলমান যেনো কোনো অবস্থাতেই তাদের কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয়।
অমুসলিমদের যে কোন উৎসবে অংশগ্রহণ করা মুসলমানদের জন্য হারাম। উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে।
(ইবনুল ক্বাইয়্যিম (রহঃ) তার আহকামুল জিম্মাহঃ ১/৭২৩-৭২৪ এ সহিহ সনদে বায়হাক্বী থেকে এই রেওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন)।
১। বলুনঃ হে কাফের সম্প্রদায়!
২। তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত করি না।
৩। তোমরাও ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।
৪। আর আমি ইবাদতকারী নই তোমরা যার ইবাদত কর।
৫। তোমরা ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।
৬। তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য। (সুরা কাফিরুন)।
আবু দাউদ শরীফে বর্নিত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তি যেই জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে।
কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ এর দৃষ্টিতে শরীয়তের ফায়ছালা হলো তাদের যে কোনো অনুষ্ঠানে মুসলমানের জন্য যাওয়া সম্পূর্ণ হারাম এবং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এতে গুনাহ হবে।
কাজেই কোনো মুসলমান যেনো কোনো অবস্থাতেই তাদের কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয়।
অমুসলিমদের যে কোন উৎসবে অংশগ্রহণ করা মুসলমানদের জন্য হারাম। উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে।
(ইবনুল ক্বাইয়্যিম (রহঃ) তার আহকামুল জিম্মাহঃ ১/৭২৩-৭২৪ এ সহিহ সনদে বায়হাক্বী থেকে এই রেওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন)।