3 Answers

এটা একটা ইসলাম বিরোধী কথা।
এই কথার মাধ্যমে মুসলমানদেরকে 
হিন্দুদের উৎসবে যেতে উৎসাহিত করা হয়।
অথচ জীবন গেলেও কোনো হিন্দু
মুসলমানদের কোনো উৎসবে আসবে না।
মোটকথা, ভ্রাতৃত্ব ও ধর্মনিরপেক্ষতার 
নাম করে এই কথার মাধ্যমে মুসলমানদের 
ধর্মকে জলাঞ্জলি দেওয়া হয়।
তাই ইসলামের দৃষ্টিতে এই কথার কোনো
গ্রহণযোগ্যতা নেই এবং এটা বলাও জায়েজ নেই। 
2934 views



আল্লাহ তাআলা মুসলিম এবং অমুসলিম এই দুই দলের মধ্যে এভাবে পার্থক্য করে দিয়েছেনঃ “তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য।”

১। বলুনঃ হে কাফের সম্প্রদায়!

২। তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত করি না।

৩। তোমরাও ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।

৪। আর আমি ইবাদতকারী নই তোমরা যার ইবাদত কর।

৫। তোমরা ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।

৬। তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য। (সুরা কাফিরুন)।

আবু দাউদ শরীফে বর্নিত রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তি যেই জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে।

কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ এর দৃষ্টিতে শরীয়তের ফায়ছালা হলো তাদের যে কোনো অনুষ্ঠানে মুসলমানের জন্য যাওয়া সম্পূর্ণ হারাম এবং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এতে গুনাহ হবে।

কাজেই কোনো মুসলমান যেনো কোনো অবস্থাতেই তাদের কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয়।

অমুসলিমদের যে কোন উৎসবে অংশগ্রহণ করা মুসলমানদের জন্য হারাম। উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে।

(ইবনুল ক্বাইয়্যিম (রহঃ) তার আহকামুল জিম্মাহঃ ১/৭২৩-৭২৪ এ সহিহ সনদে বায়হাক্বী থেকে এই রেওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন)।
2934 views

কিছু মুসলিম এটাকে হারাম মনে করে। তবে এটা শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। হিন্দুধর্ম সমর্থন করলেও ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম এটি সমর্থন করেনা। তবে বাংলাদেশে হিন্দুরা ঈদে আনন্দ করে এবং মুসলমানরাও পূজায় হিন্দুদের সাথে শরিক হয়। 

2934 views

Related Questions