1 Answers
বয়স থার্টিন (১৩) থেকে শুরু করে নাইনটিন (১৯) হলেও তাদের সম্পদের পরিমাণ লাখ লাখ ডলার। টিনেজ বয়সেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে এ সাফল্য অর্জন করেছেন তারা। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের শীর্ষ ৫ ধনী টিনেজার সম্পর্কে।
নিক আলোয়েসিয়ো (১৯): সম্পদের পরিমাণ ৩০ মিলিয়ন ডলার
ধনী টিনেজারদের তালিকার সবচেয়ে উপরে অবস্থান করছেন নিক আলোয়েসিয়ো। তার জন্ম ১৯৯৫ সালের ১ নভেম্বর। তিনি ইংল্যান্ডের একজন প্রোগ্রামার। বয়স এখনো১৯-এর কোঠায়। কিন্তু সম্পদের পরিমাণ ৩০ মিলিয়ন ডলার। অল্পবয়সী এই প্রোগ্রামার তৈরি করেন সামলি নামের একটি অ্যাপ। আর তা চড়া দামে কিনে নেয় ইয়াহু। তিনি ২০১৪ সালে অ্যাপল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন। অবশ্য এর পরপরই ইয়াহুর মোবাইল পণ্য বিভাগে তার দলের কয়েকজন কর্মীসহ চাকরিতে যোগদান করেন নিক। ‘সামলি’ তৈরির সময় নিকের বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। ‘সামলি’ চালু হওয়ার পর অ্যাপল অ্যাপস্টোরের শীর্ষ ১০ অ্যাপের তালিকায় স্থান করে নিয়েছিল।
জোডেন স্মিথ (১৫): সম্পদের পরিমাণ ৮ মিলিয়ন ডলার
হলিউড তারকা উইল স্মিথ এবং জাডা স্মিথের পুত্র সন্তান জোডেন স্মিথ। যুক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিকের জন্ম ১৯৯৮ সালে। তিনি একাধারে র্যাপার, অভিনেতা ও ড্যান্সার। তবে অভিনয়ই মূলত তার পেশা। ‘দ্য প্যারাস্যুট অফ হ্যাপিনেস’ ও ‘দ্য ক্যারাট কিডস’ খ্যাত ছবির এই তারকার সম্পদের পরিমাণ ৮ মিলিয়ন ডলার। বাবা আর বোনের মতো জোডেন এগিয়ে যাচ্ছেন নিজস্ব গতিতে। ধারণা করা হচ্ছে শিগগিরই তিনি তার বাবাকেও ছাড়িয়ে যাবেন। অবশ্য এরই মধ্যে তার চাহিদা বেড়েই চলেছে। সেই সঙ্গে ফুলে-ফেঁপে উঠছে তার আয়ও।
এলে ফ্যানিং (১৬): সম্পদের ৫ মিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় ১৯৯৮ সালের ৯ এপ্রিল জন্ম নেওয়া কিশোরী এলে ফ্যানিংয়ের বয়স এখন ১৬। পেশায় তিনি একজন অভিনেত্রী। ফ্যানিংয়ের অভিনয় দক্ষতা উপলব্ধি করতে পারবেন ড্যাডি ডে আর মেলফিসেন্ট ছবি দুটোতে। তার সম্পদের পরিমাণ ৫ মিলিয়ন ডলার। মাত্র ১৬ বছর বয়সে সুপার এইট চলচ্চিত্রের জন্য ১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে হৈচৈ ফেলে দেন এলে ফ্যানিং। চলচ্চিত্রে বিত্তশালী অভিনেত্রী হিসেবে তার এই অগ্রযাত্রা কিন্তু থেমে নেই। বরং দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
উইলো স্মিথ (১৩): সম্পদের পরিমাণ ৪ মিলিয়ন ডলার
হলিউড তারকা উইল স্মিথ এবং জাডা স্মিথের কন্যা উইলো স্মিথের বয়স এখন মাত্র ১৩। গান এবং অভিনয়ে সমান পারদর্শী এই কিশোরী এরই মধ্যে আয় করে ফেলেছেন প্রায় ৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার। গানে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পাশাপাশি বাবার সঙ্গে ছবিতেও মাঝেমধ্যে দেখা যাচ্ছে উইলোকে। ‘আই অ্যাম লেজেন্ড’ ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এ ছাড়া অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মাদাগাস্কার’-এর বেবি গ্লোরিয়া চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও একাধিক ছবিতে কাজ করার ব্যাপারে আলাপ চলছে উইলোর।
লর্ডি (১৭): সম্পদের পরিমাণ ৩ মিলিয়ন ডলার
টিনেজ সঙ্গীতশিল্পী লর্ডি মাত্র ১৭ বছর বয়সেই কাড়ি কাড়ি অর্থঃ ের মালিক বনে গেছেন। এই বয়সেই মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে দারুণ সাড়া ফেলে দিয়েছেন। তার বিখ্যাত মেলোডি অ্যালবাম ‘রয়্যালস’-এর মাধ্যমে তিনি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। ফলে সংগীতশিল্পী হিসেবে বিশ্বজুড়ে কদর বাড়ছে লর্ডির। তার উত্থানে সংগীতাঙ্গনে নতুন গ্ল্যামার উঠে আসছে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই তন্বী কিশোরীর বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার। ধারণা করা হচ্ছে তার পরের অ্যালবামটির ব্যবসা প্রথম অ্যালবামের ব্যবসা ছাড়িয়ে যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy