1 Answers
এর প্রচলন হয় ১৯৯৯ সালের দিকে। এই প্রযুক্তি প্রকৃতপক্ষে একটি ছোট ক্যামেরা ব্যবহার করে, যা প্রতি সেকেন্ডে দেড় হাজার ছবি নিতে পারে। অপটিকাল মাউসে লাল আলো বিচ্ছুরণক্ষম একটি ছোট ডায়োড (লাইট ইমিটিং ডায়োড- LED) থাকে। এর আলো মাউসের নিচে তলে প্রতিফলিত হয়ে একটি সেন্সরে গিয়ে পরে। এই সেন্সরকে বলা হয় ‘Complimentary Metal Oxide Semiconductor’, সংক্ষেপে CMOS। এই সেমিকন্ডাক্টর তার গৃহীত প্রতিটি প্রতিচ্ছবি বিশ্লেষণের জন্য Digital Signal Processor বা DSP তে পাঠায়। এটা প্রতি সেকেন্ডে ১ কোটি ৮০ লাখ নির্দেশ নিয়ে কাজ করতে পারে। এর ফলে সে প্রতি মুহূর্তে তার কাছে প্রেরিত সংকেত আর পূর্ববর্তী সংকেতের মধ্যে কি পার্থক্য হচ্ছে তা চট করে শনাক্ত করতে সক্ষম। মাউসের নাড়াচাড়ার ফলে তার অবস্থানের যে পরিবর্তন হচ্ছে DSP তা নিখুঁতভাবে নির্ণয় করে কম্পিউটারকে জানিয়ে দেয়। ফলে কম্পিউটার বুঝতে পারে মাউসটি কোন দিকে কত দূরে যাচ্ছে এবং সে অনুযায়ী সে মনিটরে কার্সরকে নিয়ে যায় | প্রতি মুহুর্তে শত-শত বার সংকেত প্রেরিত হয়, যে কারণে কম্পিউটার স্ক্রীনে কার্সর খুব মসৃণভাবে চলে। এই মাউসের জন্য বিশেষ কোনো মাউস প্যাডের দরকার হয় না। কম্পিউটার টেবিলের ওপরই অপটিকাল মাউস কাজ করতে পারে।