user-avatar

ontu

◯ ontu

তোমার যা সমস্যা তা সাধারনত সকল মানুষরেই বয়ঃসন্ধিকালে হয়ে থাকে। মূলত ১৩ থেকে ১৯ বছরের যে বয়সটা তাকেই টীনজ (বয়ঃসন্ধিকাল) বলে। আর যারা এ বয়সটাতে আছে তাদের বলে টীনেজারস্। এই বয়সটাতে পরিচিত পৃথিবীটা অন্যরকম মনে হয়। বুকের ভিতর থাকে তীব্র আবেগ। সহজ বিষয়টাকে মনে হয় জটিল, জটিল বিষয়টাকে মনে হয় দুর্বোধ্য। শরীরে নতুন নতুন হরমোন খেলা করে, মনে নানা ধরণের ভাল-মন্দ চিন্তা ভাবনার উদয় হয়, তখন তাদের চিন্তার নিজস্ব জগৎকে পাল্টে দেয়।

 

তোমার জন্য আমার কিছু উপদেসঃ

তোমার সবচেয়ে যেসব কাজ করতে ভালো লাগে সেসব কাজে সময় ব্যয় করে নিজের মস্তিস্ককে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করবে। তাতে অন্য কোন চিন্তা মাথায় আসতে পারবে না। সবসময় হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করবে।

পৃথিবীকে জানার চেষ্টা করবে। জারা জীবনে সফল হয়েছে তাদের জীবনী পড়বে। আবার যারা জীবনে ব্যর্থ হয়েছে পারলে তাদেরও জীবনী পড়বে।

তোমার মনের কথা বা ভাবনা গুলো খুবই কাছের বা যাকে তুমি বিশ্বাস কর তার সাথে শেয়ার করবে।

এ সময় বড়দের উপদেশ ভালো লাগে না তবুও বড়দের উপদেশ মেনে চলার চেষ্টা করবে কারন তোমার বয়সটি তারা পার করে এসেছে। তাই তারা তাদের অবিজ্ঞতা থেকে তোমাকে পথ দেখাতে পারবে।

খেলাধুলা করবে।

অবসর সময় ঘরে বসে না থেকে ঘুরে বেড়ানোর চেষ্টা করবে। তাতে বাস্তব অবিজ্ঞতা লাভ করতে পারবে।

সিনেমা কম দেখার চেষ্টা করবে। কারন সিনেমায় সাধারনত অবাস্তব বা অযৌক্তিক কাহিনী দেখিয়ে থাকে যা বাস্তবের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। (কিছু ব্যতিক্রম আছে)।

নিজেকে সবসময় সৎ পথে চালানোর চেষ্টা করবে।

অসৎ বন্ধুদের এড়িয়ে চলার যথাসম্ভব চেষ্টা করবে।

যেকোন প্রকার মাদক দ্রব্যের সংস্পর্শে আসার চেষ্টা করবে না।

যেভাবেই পার কয়েকটি বছর নিজেকে খুবই সংযত রাখার চেষ্টা করবে। দেখবে আবার সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে।

 

 

 

ভালো ঘুমের ৯টি গোপন রহস্য! সারাদিন আপনার হাতে থাকে নানারকম কাজ-কর্ম! চোখ বুজে আসছে ক্লান্তিতে, অথচ ফুরসতই মেলেনা দু-দন্ড শান্তিতে ঘুমিয়ে নেবার। আবার ঘুমোতে গেলেই দেখা যায় অন্য সমস্যা! সারারাত বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেই কেটে যায়। হতচ্ছাড়া ঘুমের দেখাই মেলেনা। কিন্তু না ঘুমোলে শরীর টিকবে কী করে? হাতের এত এত কাজই বা হবে কী করে? আর তাই প্রতিদিন একটা লম্বা এবং শান্তিপূর্ন বিশ্রাম খুবই দরকার। ভালো ঘুমের গোপন রহস্য!- সারাদিন মানসিক অবস্থা কেমন ছিল তার ওপরেই মূলত নির্ভর করে আপনার রাতের ঘুমটা কেমন হবে! তবে তার বাইরেও আরো কিছু শত্রু রয়েছে আপনার যেগুলো খুব সহজেই আপনার ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে। আর তাই ভালো ঘুমের জন্যে খুব সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে আপনাকে প্রতিদিন। মানুষভেদে ঘুমের সময়েরও রকমফের হয়। তাই প্রথমেই জেনে নেওয়া জরুরী আপনার ঠিক কতটা ঘুম দরকার। দরকারের অতিরিক্ত সময় ঘুমিয়ে থাকাটাও কিন্তু পরে নিদ্রাহীনতার কারণ হতে পারে! সময় মেনে ঘুম!: কেবল পরিমাণমতন ঘুমালেই চলবেনা! ঘুমোতে হবে ঠিক সময়েও। একটা নির্দিষ্ট সময় মেনেই ঘুমোতে হবে রোজ। গবেষনায় দেখা গেছে- একই পরিমাণ ঘুম দিনের নির্দিষ্ট একটি সময়ে প্রতিদিন ঘুমালে বেশি ফল পাওয়া যায়! কেবল ঘুমানোই নয়। ঘুম থেকে উঠতেও হবে রোজ একই সময়ে! আর সময়ের আগেই যদি কখনো ঘুম আসে তবে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন অন্য কোন কাজে, যেমন- বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারা, রান্না করা, টিভি দেখা! ক্ষতিপূরণ!: কোনদিন যদি রাতে ঘুমোতে খানিকটা দেরীও হয়ে যায়, পরদিন যে কোনো একটা সময় ঘুমিয়ে সেটাকে পুষিয়ে দিতে হবে। শরীর যেন তারতম্যটা একেবারেই বুঝতে না পারে! ইনসোমনিয়া!: ঘুম যদিও শরীরকে রিচার্জ করার অন্যতম একটা মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়, ইনসোমনিয়ায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে সেটা খানিকটা সমস্যার সৃষ্টি করে। তবে ইনসোমনিয়ায় আক্রান্তরা বিকেলবেলা ৩০ মিনিটের জন্যে ঘুমিয়ে এই সমস্যা দূর করতে পারেন। আলো!: মেলাটোনিন! আপনার মস্তিষ্কে সময়ে-অসময়ে ঘুমভাব তৈরী করে এই হরমোনটিই! আর এটি কাজ করে আলোর স্বল্পতায়। আর তাই দিনের বেলা ঘুমাতে চাইলে বেরিয়ে পড়ুন বাইরে, থাকুন ঝলমলে আলোতে, টিভি দেখুন, কম্পিউটারে বসুন, বাসা বা অফিসে ব্যবহার করুন উজ্জ্বল আলো! আর তাহলেই আপনি মুক্তি পাবেন অসময়ের ঘুম থেকে। তবে রাতের বেলায় কিন্তু আবার এর ঠিক উল্টোটা করতে হবে। রাতে খুব একটা উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। রাতের বেলায় সহজে ঘুম আসতে তাহলে আর কোন সমস্যাই হবে না। বিছানা!: বিছানা আপনার ঘুমোনোর স্থান! আর তাই বিছানাকে রাখুন শোরোগোল থেকে দূরে, ঠান্ডা এবং আরামদায়ক! কেবল ঘুম আর ভালো কিছু সময় কাটানোতেই বিছানার ব্যবহার করুন। তাহলে বিছানার কাছে গেলেই আপনার শরীর ঘুমানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে! ঘুমোতে যাবার আগে শুনুন হালকা সুরের গান, পড়ুন গল্পের বই! রিল্যাক্সে রাখুন শরীরকে! ঘুম আসবে আপনা আপনিই! খাবার!: খাবারের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলুন। এ্যালকোহল থেকে দুরে থাকুন। রাতের কাবারে খুব ভারী কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন! অতিরিক্ত পানি আর ধুমপানটাকেও একটু পরিহার করুন। ঘুমোনোর আগে ক্ষুধাবোধ হলে কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার, যেমন- স্যান্ডুইচ, কলা ইত্যাদি খান। কার্বোহাইড্রেট আপনার ভেতরে ঘুমভাব তৈরী করবে! দুশ্চিন্তা!: দুশ্চিন্তা, রাগ, ভয়- এগুলোর যেকোনটাই আপনার ঘুমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে! তাই যতটা পারা যায় এগুলোকে পরিহার করাই ভালো! এজন্যে- ১. দুশ্চিন্তার ব্যাপারগুলো নোট করে রাখা ২. যোগব্যায়াম করা ৩.পরিবারের সবার সাথে শেয়ার করা ৪. ঘুমের আগে বড় করে শ্বাস ছাড়া ইত্যাদি করতে পারেন! রাতের ডিউটি!: অনেকেরই কর্মক্ষেত্রে রতেরবেলা ডিউটি করে থাকেন। তাদেরকে পুরো ছকটাকেই উলটো করে সাজাতে হবে। রাতের বদলে জাগতে হবে রাতে! আর এজন্যেই মেনে চলতে হবে নিচের নিয়মগুলো- ১. রাতে কাজের সময় কফি খাওয়া ২. খানিক বাদেই এদিক-ওদিক হেঁটে আসা ৩. ছুটির দিনগুলোতে বেশী করে ঘুমানো ৪. ঘরে দিনের বেলায় পর্দা ব্যবহার করে আলো কম রাখা ৫. শব্দ থেকে দুরে থাকা। আর তাহলেই এই রাতের ডিউটির সমস্যাটাকে খুব সহজেই এড়িয়ে চলা যাবে। হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়া!: হটাৎ করে ঘুম ভেঙে যেতেই পারে। যদিও ঘুম ভেঙে যাবার পর আবার ঘুমোতে যাওয়াটা বেশ কষ্টকর একটা ব্যাপার, তারপরেও নিজেকে ঠিক রাখতে আপনাকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে ঘুমোতে যাবার। শরীরকে রিল্যাক্স বোধ করাতে হবে। গভীর শ্বাস এবং মেডিটেশন করলেও এসময় কাজ হতে পারে। ডক্টর! : এতকিছু করবার পরেও যদি আপনার ঘুমে সমস্যা হযে থাকে, ডাক্তারকে দেখান। মেনে চলুন তার পরামর্শ! তবে স্লিপিং পিল থেকে দুরে থাকাটাই আপনার শরীরের পক্ষে ভালো!

ফন্ট কি?

ontu
Jan 1, 09:09 AM
এই ধরনের মিরর কীভাবে কাজ করে তা বোঝার আগে সহজ কিছু মৌলিক ব্যাপার আলোচনা করে নেই। যে কোনো বস্তুকে আমরা তখনি দেখতে পাই যখন তা থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে এসে প্রবেশ করে। আমরা আয়নাতে নিজেদের প্রতিবিম্ব দেখতে পাই কারণ আমাদের শরীরে কোন আলোক উৎস থেকে (হতে পারে ঘরের এনার্জি সেভার বাল্ব, টিউব লাইট কিংবা সূর্য) আলো এসে পড়ে, সেই আলো আমাদের গায়ে পড়ে প্রতিফলিত হয়, এরপর আয়নার কাঁচে গিয়ে আঘাত করে, সেখান থেকে প্রতিফলিত হয়ে আবার আমাদের চোখে এসে পড়ে। আমরা জানি যে সাধারণত কোনো বস্তুর উপর আলো পড়লে তিনটা ঘটনা ঘটে- বস্তু আলোর কিছু অংশ শোষণ করে নেয়, কিছুটা তার মধ্যে দিয়ে সঞ্চালিত হয়ে যায় (মানে তার মধ্যে দিয়ে চলে যায়, এ সময় প্রতিসরণও হতে পারে) আর বাকিটা সে প্রতিফলিত করে দেয়। এখন এক এক বস্তুর আবার এই তিন ধরনের কাজ করার ক্ষমতাও এক এক রকম। যেমন এক খন্ড পাথরের মধ্যে দিয়ে আলো যেতেই পারেনা; আবার কালো বস্তু প্রায় সবটুকু আলোই শোষণ করে নেয়, কোনো আলোই প্রতিফলিত করেনা তাই আমরা তাকে কালো দেখি। এখন আয়নার কথা ভাবি। আয়নাতে যেহেতু আমরা নিজেদের প্রতিবিম্ব দেখতে চাই এবং তার জন্য আলো প্রতিফলিত হওয়া দরকার, তাই আয়নার যে কাঁচটা রয়েছে তার প্রতিফলন করার ক্ষমতাও বেশি হওয়া জরুরি। যত ভালো আলো প্রতিফলিত করতে পারবে আয়নাটা, আমরা নিজেদের প্রতিবিম্বও তত ভালো দেখতে পাবো। কাঁচের এই প্রতিফলন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যই আয়না বানানোর সময় একটা কাজ করা হয়- যাকে বলা হয় সিলভারিং (বাংলায় পারা দেওয়া)। সিলভারিং হচ্ছে আয়নার পেছন দিকটায় সিলভারের একটা পাতলা প্রলেপ দেওয়া (এখন অ্যালুমিনিয়ামও ব্যবহার করা হয় সিলভারের পরিবর্তে)। এই প্রলেপটা দেয়ার কারণে কাঁচের প্রতিফলন ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। ওয়ান ওয়ে মিররের কাজ করার প্রণালীটা খুবই সহজ। প্রথমত এই ধরনের মিরর বানানোর সময় কাঁচের দুই প্রান্তেই সিলভারিং করা হয়। কিন্তু সাধারণ মিররের চেয়ে এই প্রলেপে সিলভারের পরিমাণ কম হয়- প্রায় অর্ধেক (এ কারণেই হাফ সিলভারিং নাম)। এবার আসি আসল ঘটনায়। আমরা একটু যদি লক্ষ্য করে থাকি মুভি দেখার সময়, সবসময়ই দেখতে পারব যে অপরাধী যে ঘরে থাকে তাতে খুব উজ্জ্বল আলো থাকে। অন্যদিকে বাইরের ঘরটায় আলো প্রায় থাকেনা বললেই চলে। এই উজ্জ্বলতার পার্থক্যই ওয়ান ওয়ে মিররের কাজ করতে পারার রহস্য। যে ঘরে আলো বেশি (অপরাধীর ঘর), সে ঘর থেকে আয়নায় আলো পড়েও বেশি। হাফ সিলভারিং করে দেওয়া থাকায় সে আলোর একটা অংশ প্রতিফলিত হয়ে ঐ ঘরেই ফেরত চলে যায় যার ফলে অপরাধী নিজের প্রতিবিম্ব দেখে। আরেকটা অংশ বাইরের ঘরে চলে যায় কাঁচের মধ্যে দিয়ে, তাই বাইরের অফিসাররাও ভেতরে কী হচ্ছে দেখতে পায়! কিন্তু অফিসাররা যে ঘরটায় থাকে তাতে আলোর পরিমাণ খুব কম থাকে। তাই সেখান থেকে কম আলো গিয়ে কাঁচে পড়ে। এই কম আলোর একটা অংশ আবার প্রতিফলিত হয়ে ঐ ঘরেই এসে পড়ে।আরেকটা অংশ কাঁচের মধ্যে দিয়ে অপরাধীর ঘরে চলে যায়। কিন্তু অপরাধীর ঘরে সেই ঢুকে পড়া আলোর চেয়ে অনেক উজ্জ্বল আলো জ্বলে রয়েছে। তাই এই আলো তার চোখেই পড়েনা! ঠিক যেমন হাই সাউন্ডে Children of Bodom এর গান শোনার সময় কেউ আমাদের পাশে ফিসফাস করে কথা বললে আমরা কিছু শুনতে পারবনা; ব্যাপারটা অনেকটা সেরকমই! যদি কখনো অফিসারদের ঘরে উজ্জ্বল আলো জ্বেলে দেওয়া হয় অথবা অপরাধীর ঘরের আলোর উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেওয়া হয় তাহলেই কিন্তু এই মিরর একটা সাধারণ জানালার মত হয়ে যাবে। দুই ঘরের মানুষরাই একে অন্যদের দেখতে পারবে!
এই ব্যাক্টেরিয়াকে ক্রিস্টাল ভায়োলেট রঞ্জক দিয়ে রাঙ্গানো যায় না । এদেরকে রাঙ্গাতে হয় স্যাফ্রানিন দিয়ে ও অ্যালকোহল ও পানি দিয়ে ধুলে রঙ চলে যায় । এরা অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে সহজে মারা যায় না।
এই ব্যাক্টেরিয়াকে ক্রিস্টাল ভায়োলেট রঞ্জক দিয়ে রাঙ্গানো যায় ও রঙ হয় গাঢ় বেগুনী বা পার্পল । এই রঞ্জকের নাম গ্রাম রঞ্জক যা এর উদ্ভাবক হান্স ক্রিস্টিয়ান গ্রামের নাম অনুসারে। এদেরকে অ্যালকোহল ও পানি দিয়ে ধুলেও রঙ টিকে থাকে । এরা অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে সহজেই মারা যায় ।
উদ্ভিদ এবং প্রাণী কোষের মূল পার্থক্য হল কোষপ্রাচীর । প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর থাকে না । আর একটি বড় পার্থক্য হল উদ্ভিদ কোষে একটি বড় কোষ গহ্বর থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষের গহবরগুলো ছোট ছোট । এছাড়া প্রাণী কোষে গলগি বস্তু ও মাইক্রোভিলাই থাকে যা উদ্ভিদ কোষে থাকে না ।