2 Answers

দুনিয়ার সব শব্দ যেমন শুনতে পাই না তেমনি সব আলো আমরা দেখতে পাই না। শ্রবণসীমার মতো দর্শনাভূতিরও একটা সীমা আছে। আর এ সীমাটা হচ্ছে ০.৪ মাইক্রোমিটার থেকে ০.৭ মাইক্রোমিটার। ০.৪ মাইক্রোমিটার হলো বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ০.৭ হচ্ছে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এক মাইক্রোমিটার হলো ১ মিটারের দশ লক্ষ ভাগের একভাগ মাত্র। বেনীআসহকলার সাতটি রঙসহ আরও যেসব আলো বা রং দেখতে পাই সেগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যও ০.৪ থেকে ০.৭ মাইক্রোমিটারের মধ্যে। এই সীমার বাইরেও আরো অনেক আলোক রশ্মি রয়েছে। যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্স-রে, আল্ট্রা ভায়োলেট রে, গামা রে, ইনফ্রারেড, মাইক্রোওয়েভ। এর মধ্যে আল্ট্রা ভায়োলেট রে, এক্স রে ও গামা রে-এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী আলোর চেয়ে কম। অর্থাৎ ০.৪ মাইক্রোমিটারের চেয়ে কম। অন্যদিকে ইনফ্রারেড, মাইক্রোওয়েভ ও বেতার তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ০.৭ মাইক্রোমিটারের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের চোখের ক্ষমতা সেই এতো বড় কিংবা ছোট্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলো অনুভব করতে পারে না।

2903 views Answered

আলো আসলে তরঙ্গ ছাড়া কিছুই না। আলো সেই ধরনের তরঙ্গ, সেই ধরনের আরো অনেক রকম, অনেক নামের তরঙ্গ আছে। সবগুলোকে একসাথে বলা হয় তাড়িতচৌম্বক বিকিরন বা Electromagnetic RAdiation. এই তাড়িতচৌম্বক বিকিরনএর কয়েকটি হল Ultraviolet, Xray, Infrared, Visible Light ইত্যাদি। এই তরঙ্গগুলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য একে অন্যের চেয়ে আলাদা। তো সাধারনত ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘের তরঙ্গগুলো আমাদের চোখে দর্শনানুভূতির সৃষ্টি করে। এবং এদেরকেই আমরা 'আলো' বলি। আর আলোর মধ্যে রঙের তারতম্য আসলে কিছুই না, তরঙ্গ দৈর্ঘের তারতম্য। তরঙ্গদৈর্ঘের উর্ধক্রম অনু্যায়ী সাজালে আলোগুলোর sequence হয় 'বে-নী-আ-স-হ-ক-লা' । ধন্যবাদ।

2903 views Answered

Related Questions

Next steps