3 Answers
টুথব্রাশ ওপরের পাটি থেকে শুরু করে নিচে নামাতে হবে। এভাবে ওপর-নিচ কয়েকবার। তারপর হাঁ করে ভেতরের অংশ ব্রাশ করুন। এবার ভেতর দিকে ওপরে। শেষে জিবের ওপর ঘষুন। তারপর হাতের আঙুল দিয়ে মাড়ি ম্যাসাজ করুন। সব শেষ হলে ভালো করে কুলকুচি করুন।
সঠিকভাবে দাত ব্রাশ না করতে পারলে দাতের ফাকে আটকে থাকা খাদ্যকণা ঠিকমত পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। দাত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম হচ্ছে-- ব্রাশ ৪৫ ডিগ্রী কোন করে ধরে উপরের সারির দাতের জন্য উপর থেকে নিচে, নিচের সারির দাতের জন্য নিচ থেকে উপরে ব্রাশ করা। একইভাবে দাতের ভিতরের অংশে ব্রাশ করা। চিবানোর অংশে আড়াআড়িভাবে দাত ব্রাশ করতে হয়।
আমরা সাধারণভাবে ডানে, বামে ব্রাশ চালিয়ে দাঁত পরিস্কার করার চেষ্টা করি । কিন্ত সবচে ভালো হয় যদি উপর থেকে নিচে এবং নিচ থেকে উপরে ব্রাশ চালানো হয় । তাহলে দাঁতগুলোর ফাঁকের মধ্যে যে সমস্ত খাবার বা ময়লা জমা হয়ে থাকে সেগুলো পরিষ্কার হয়ে যায় ।ব্রাশটিকে দাঁতের গোড়ার দিকে খুব ধীরে অথচ শক্তভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একটু ঝাঁকিয়ে সব দাঁতের ফাঁকের কাছে নিতে হবে। এমনভাবে ব্রাশ করতে হবে, যাতে দাঁতের বাইরের অথবা ভেতরের কোনো অংশ বাদ না পড়ে। ব্রাশ ও পেস্ট ছাড়াও দাঁত পরিষ্কার করা যেতে পারে। যেমন, নিমের ডালকে ব্রাশের মতো ছিলে ব্যবহার করা যায়। লক্ষ রাখতে হবে, দাঁতের ফাঁকে বা দাঁতের গায়ে লেগে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার হয়েছে কি না। দাঁত পরিষ্কার করার পর একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখে নেওয়া ভালো, সত্যি সত্যি দাঁত পরিষ্কার হয়েছে কি না। দাঁত শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সুন্দর হাসির জন্য দাঁতের যেমন প্রয়োজন, তেমনি খাদ্যদ্রব্য চিবানো এবং মুখ ও চোয়ালের সৌন্দর্য রক্ষার জন্যও দাঁতের গুরত্ব অনেক। খাওয়া দাওয়ার পরে দাঁত ভালো করে পরিষ্কার রাখা জরুরী এবং কোনভাবেই খাবার মুখে নিয়ে ঘুমানো ঠিক নয় । আর যখনই দাঁতের কোন রকম সমস্যা বোধ করবেন সাথে সাথে নিকটস্থ দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।