2 Answers
পবিত্র বাইবেল এমন কোন নির্দিষ্ট ও স্পষ্ট শিক্ষা দেয় না যে, পোষা পশু/প্রাণীদের “আত্মা” আছে, অথবা পোষা পশু/প্রাণীরা স্বর্গে যাবে। তবু যাহোক, আমরা বাইবেলের সাধারণ নীতিমালার আলোকে এই বিষয় সুস্পষ্ট বুঝতে চেষ্টা করতে পারি। বাইবেল এই কথা বলে যে, মানুষ (আদি পুস্তক ২:৭) ও পশুর মধ্যে (আদি পুস্তক ১:৩০; ৬:১৭; ৭:১৫, ২২) “জীবন-বায়ূ” দেওয়া হয়েছে; এভাবে মানুষ ও পশু উভয়েই জীবন্ত প্রাণী হয়েছিল। মানুষ ও পশুর মধ্যে প্রাথমিক পার্থক্য হচ্ছে মানুষকে ঈশ্বরের সাদৃশে নির্মাণ করা হয়েছিল (আদি পুস্তক ১:২৬-২৭), কিন্তু পশুদের ক্ষেত্রে তা করা হয় নাই। ঈশ্বরের সাদৃশে নির্মান করা হয়েছিল মানে মানুষ ঈশ্বরের মত; তারা আত্মিকভাবে সমর্থ, মন-মানসিকতা, আবেগ এবং ইচ্ছাশক্তি থাকার কারণে মৃত্যুর পরেও তাদের অস্তিত্ব থাকে। যদি পোষা প্রাণী বা পশুর “আত্মা” থাকে, অথবা তাদের আত্মিক দিক থেকে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই তা “নিম্নমানের” এবং আলাদা। এইরকম আলাদা হবার কারণেই পোষা প্রাণী বা পশুদের “আত্মাদের” মৃত্যুর পর অস্তিত্ব থাকে না। আর একটা বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে যে, আদিতে ঈশ্বরের সৃষ্টির প্রক্রিয়াতে প্রাণী বা পশুদের অংশ ছিল। ঈশ্বর প্রাণী ও পশুদের সৃষ্টি করে বলেছিলেন, “চমৎকার হয়েছে” (আদি পুস্তক ১:২৫)। সেই কারণে নতুন পৃথিবীতে প্রাণী বা পশুরা থাকবে না তার কোন কারণ নাই (প্রকাশিত বাক্য ২১:১)। তার মানে, হাজার বছরের স্বর্গ-রাজ্যে প্রাণী/পশুরা নিশ্চিতভাবে থাকছে (যিশাইয় ১১:৬; ৬৫:২৫)। এটা বলা নিশ্চিতভাবে সম্ভব নয় যে, এই সব প্রাণীদের মধ্যে আমাদের পৃথিবীতে থাকাকালে পোষা প্রাণীগুলোও সেখানে থাকবে কি না। কিন্তু আমরা জানি যে, ঈশ্বর ন্যায়বিচারক; তাই আমরা যখন স্বর্গে যাব তখন নিজেরাই এই ব্যাপারে তাঁর সিদ্ধান্ত ও চুক্তির পূর্ণতা দেখতে পাব, তা সে যাই হোক্ না কেন।
আমার কাছে মনে হয় পশুরা ঈশ্বরের আত্তা। পরিবেশের ভারসম্ম্য বজায় রাখা ও পৃথিবীর সৌন্দয বৃধ্বি জন্যই বানানো হয়েছে । আরো এরা অবুজ । এদের আমাদের মতো জ্ঞান নেই। আর যারা বুঝে না যেমন ঃ পাগল, বাচ্চা এদের পাপ ঈশ্বর কখনি ধরেনি । অতএব পশুরা স্বর্গে যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy