2 Answers
ইতিহাস রাসূল (স.) ও ইমামগণের এর জীবন-যাপনের পদ্ধতি বর্ণনা করতে গিয়ে শরিয়ত সম্মতভাবে ও ইসলামী সম্মান বজায় রেখে সমাজে মহিলাদের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছে। যেমন: হাবশায় হিজরত, মদিনায় হিজরত, রাসূল (স.) এর সঙ্গে বাইয়াত বা আনুগত্যের শপথ, জুম্মাসহ অন্যান্য নামাজের জামায়াতে অংশগ্রহণ, ওয়াজ-মহফিলে অংশগ্রহণ, রাসূল (স.) এর শিক্ষা ক্লাসে অংশগ্রহণ, এমনকি কাফেরদের বিরুদ্ধে জেহাদেও মহিলারা অংশগ্রহণ করেন। ইতিহাসে এসেছে, রাসূল (স.) যখন কোন সফরে যেতেন তখন লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত নিজের একজন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন। জামায়াতে নারীর অংশগ্রহণ সম্পর্কে রাসূল (স.) বলেন: নামাজের জামায়াতে বাচ্চাদের কান্নার শব্দ কানে আসলে রুকু-সেজদা দীর্ঘ করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দ্রুত নামাজ শেষ করে দেই যাতে মহিলারা তাদের বাচ্চাকে সামাল দিতে পারে। এ কথা থেকে বোঝা যায়, রাসূল (স.) এর সঙ্গে নামাজের জামায়াতে মহিলারাও অংশগ্রহণ করতেন। রাসূল (স.) এর প্রাণ-প্রিয় কন্যা ও জান্নাতের নারীদের নেত্রী হযরত ফাতিমা (সালা.) রাসূল (স.) এর ইন্তেকালের পর মসজিদে যান এবং সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এরপরও বহু হাদিসে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তা বা বাজারঘাটে ঘুরে বেড়ানো থেকে নারীকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কারণ এতে সমাজে অনাচার ছড়িয়ে পড়তে পারে। কাজেই আমরা বুঝতে পারি জরুরি কাজে নারীর ঘর থেকে বের হওয়ায় নিষেধ নেই। ইসলামি শালীন পোশাক পরে এবং শরিয়তের নির্দেশ মেনে সমাজের নানা কাজে নারী অংশ নিতে পারে। সূত্র: ১. ওসায়েলে শিয়া, খ:৪, অধ্যায় ৩০, খ:৫, অধ্যায় ২৮ ২. সহিহ মুসলিম, খ:৪, অধ্যায় ১৬১, মহিলাদের মসজিদ থেকে বের হওয়া অধ্যায়। ৩. সহিহ বোখারী, খ:২, পৃষ্ঠা ৪০৭ ও ৪০৮, মহিলাদের মসজিদ থেকে বের হওয়া অধ্যায়। ৪. মাসাবিহুল সানা ইমাম বাগাবি
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, «المَرْأَةُ عَوْرَةٌ، فَإِذَا خَرَجَتْ اسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ»: “নারী গুপ্ত জিনিস; সুতরাং যখন সে (বাড়ি হতে) বের হয়, তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে রমণীয় করে দেখায়”।[11]
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy