1 Answers
২১ মার্চ সূর্য বিষুবরেখার ঠিক ওপরে থাকে এবং পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান হয়। ২১ জুন পর্যন্ত সূর্য বিষুবরেখার উত্তর দিকে সরতে থাকে বলে উত্তর গোলার্ধে দিবামান বাড়তে থাকে এবং রাত্রি ক্রমশ ছোট হতে থাকে। অধিক সময় সৌরতাপ পায় বলে উত্তর গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। অন্যদিকে দক্ষিণ গোলার্ধে রাত্রি বড় এবং দিন ছোট বলে সেখানে এই সময়টা শীতকাল। ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সর্বত্র বছরের অন্য সব দিনের চেয়ে দিবামান সবচেয়ে বেশি, তবে কোথায় ঠিক কতটা বেশি হবে তা নির্ভর করে সেখানকার অক্ষাংশের ওপর। ২১ জুন কর্কটক্রান্তিতে পৌঁছে সূর্য আবার বিষুবরেখার দিকে সরতে সরতে ২৩ সেপ্টেম্বর ঠিক বিষুবরেখার ওপর উপস্থিত হয়। এই তারিখের ঠিক আগে থেকে কিছুদিন পর পর্যন্ত কোনো গোলার্ধেই শীত বা গ্রীষ্মের প্রখরতা বিশেষ থাকে না। উত্তর গোলার্ধে এই সময়টা শরৎকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট হতে থাকে এবং ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সর্র্বত্র দিবামান বছরের অন্য সব দিনের চেয়ে ছোট। এই তারিখের কিছু আগে থেকে কিছু পর পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধ সবচেয়ে কম সৌরতাপ পায় বলে সেখানে তখন শীতকাল। আর দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। আবার ২১ মার্চ সূর্য বিষুবরেখার ঠিক ওপরে এসে উপস্থিত হয়। এই তারিখের কিছু আগে থেকে কিছু পর পর্যন্ত শীত বা গ্রীষ্মের প্রখরতা থাকেনা। এই সময়টা উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল আর দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল।