ফর্সা ছেলেদের মুখ আকর্ষণীয় করতে কোন ক্রিম সবথেকে ভাল ? আমি অনেক ফর্সা ভালো লুকিং পাবার জন্যে কি ক্রিম ব্যবহার করবো ? অথবা অন্য কোন উপায়?
25174 views

4 Answers

এখন পর্যন্ত রং ফর্সাকারী কোন ক্রিম পাওয়া যায়নি। শুধু বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারিত হবেন না।

25174 views

সারাদিনের কাজ, ধুলাবালি, রাস্তার কালো ধোয়া, রোদের তাপ সব শেষে বাসায় ফিরে আয়নার নিজের চেহারা দেখে অবাক হওয়াটা শুধু বাকি থাকে। মুখে কালো কালো ছোপ আর ধুলাবালিতে চেহারার উজ্জ্বলতা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে। এক্ষেত্রে শুধু পানি বা সাবান দিয়ে মুখ ধুলেই কি সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়? অনেকের ধারণা কিছুটা এমনই। কারন অনেকে মনে করে ছেলেদের ত্বকের যত্ন নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। রূপচর্চা শুধুই মেয়েদের জন্যই। কিন্তু এই ধারণাটা কখনই ঠিক নয়। কারণ যেহেতু ছেলেদের কাজের প্রয়জনে বাইরে বেশী যেতে হয় সেহেতু তাদের ত্বক আরো দ্রুত কালচে হয় যায়। এক্ষেত্রে সঠিক পরিচর্যা করলে চেহারার উজ্জ্বল্য আবার ফিরে পাওয়া সম্ভব। তাই আজ আমরা তুলে ধরব কিভাবে ছেলেদের ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বল্য আমার ফিরিয়ে এনে তাকে আরো সুন্দর করা যায়। ত্বককে বাইরের ধুলাবালি ও রোদ থেকে রক্ষা করুন। কারন বাইরের রোদের তাপ ত্বকে পিগমেন্টেশন তৈরী করতে পারে। ফলে ত্বকে সহজে কালচে ছোপ পড়ে। তাই বাইরে বের হওয়ার সময় রোদের তাপ থেকে ত্বককে দূরে রাখতে হবে। বাইরে বেশীক্ষন অতিরিক্ত ধুলাবালি ও কড়া রোদে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সারাদিনে ৩ থেকে ৪ বার মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপ্টা দিতে হবে। সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন মুখে স্ক্রাব করতে হবে। এখন বাজারে অনেক ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়। বিশেষ করে সাইট্রিক এসিড, গ্লিসারিন অয়েল, ফ্রুট যুক্ত স্ক্রাবগুলো ছেলেদের স্কিন এর জন্য অনেক ভাল হয়। কারণ স্ক্রাব ত্বক থেকে ধুলা, অতিরিক্ত তেল দূর করে স্কিনকে পরিষ্কার করে তোলে। রাতে ঘুমানোর আগে একটা আইস কিউব নিয়ে সম্পুর্ন মুখে ভালোভাবে ঘষে নিন। এতে করে ত্বকে রক্ত চলাচল সচল থাকে। আর ত্বকের রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ ভালো থাকলে ত্বক দ্রুত উজ্জ্বল হয়। এরপর যেকোনো একটা মশ্চারাইজার ক্রীম লাগিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ঘষে ম্যাসাজ করে নিন। একটা লেবু কেটে খোসাসহ মুখে ভালভাবে ঘষে নিন। লেবুর সাইট্রিক এসিড আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল, পিগমেন্টেশন, রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি মুখের কালো দাগ দূর করে ত্বককে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে। প্রাকিতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। প্রতিদিন ব্যাবহারে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়। এছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকিতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। এক চামুচ কাচা হলুদের সাথে কাচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে সম্পুর্ন মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। কাচা হলুদ ত্বকের কোমলতা ধরে রাখে এবং কাচা দুধ স্কিনের কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে। এলোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমানে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এলোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে। শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু অনেক উপকারী। আধা চামুচ মধুর সাথে এক টুকরো লেবুর রস মিশিয়ে মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

25174 views

fair and handsome ক্রীমটা ব্যবহার করতে পারেন।

25174 views

ত্বক ফর্সা বলতে কি বুঝায়? সেটা আগে বুঝতে হবে।ত্বকে মেলানিন নামক এক ধরনের পিগামেন্ট থাকে।যেটা ত্বকে বেশি থাকলে কালো হয় আর কম থাকলে ফর্সা।এখন ত্বক ফর্সা করতে চাইলে মেলানিন কমাতে হবে যেভাবেই হোক।কিন্তু অনেকে ভাবেন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম বলতে কিছুই নেই।আসলে তাদের ধারণা ভূল।অবশ্যই আছে।তিনটা বিশেষ কেমিক্যাল ত্বকের মেলানিন দ্রুত কমিয়ে দেয়।সেগুলা হলো হাইড্রোকুইনন,মারকারি,স্টেরয়েড।এসব উপাদান ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি প্রায় সব ক্রিমেই পাবেন।তবে দু:খের বিষয় হলো এগুলার সাইড ইফেক্ট খুবই মারাত্মক।এসব উপাদান কিডনী,লিভার,স্নায়ু তন্ত্রে এবং ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে। আপনি যদি এসব ক্ষতি মেনে নিতে পারেন অনায়াসে ব্যাবহার করতে পারেন এসব ক্রিম।বেশি নয় তিন মাসে ফর্সা হবেন একদম সিওর।তারপর ক্ষতি গুলা আপনাকেই মানতে হবে।

25174 views

Related Questions