নাচে পাপ-সিন্ধু তুঙ্গ তরঙ্গ। মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ । নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। পংক্তিটি কোন কবির রচনা?

নাচে পাপ-সিন্ধু তুঙ্গ তরঙ্গ। মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ । নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। পংক্তিটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম

নাচে পাপ - সিন্ধু তুঙ্গ তরঙ্গ। মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ । নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। পংক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচনা। পঙক্তি টি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের খেয়া পারের তরণী কবিতার অংশবিশেষ। কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালে মুসলিম ভারত পত্রিকায়।

Related Questions

“নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
'নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে ধরণীর পাপী যত নিঃস্বে।' কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
"নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
"নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
'নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে' এ চরণের 'অবগাহি' শব্দের অর্থ -
'বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।' ---এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে - ভাতে।' -কবিতার পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
গাহি তাহাদের গান --- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান। --পংক্তিটি কোন কবির রচনা?