হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;- তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি, পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি। এই পঙ্‌ক্তিটি কোন কবির রচনা?

হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;- তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি, পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি। এই পঙ্‌ক্তিটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। ব্রিটিশ ভারতের যশোর জেলার এক সম্ভ্রান্ত কায়স্থ বংশে জন্ম হলেও মধুসূদন যৌবনে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে মাইকেল মধুসূদন নাম গ্রহণ করেন এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের দুর্নিবার আকর্ষণবশত ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। জীবনের দ্বিতীয় পর্বে মধুসূদন আকৃষ্ট হন নিজের মাতৃভাষার প্রতি। এই সময়েই তিনি বাংলায় নাটক, প্রহসন ও কাব্যরচনা করতে শুরু করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।

Related Questions

'হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন, তা সবে (অবোধ আমি) অবহেলা করি পরধন লোভে মত্ত, করিনু গমন পরদেশ' -- কোন কবির রচিত কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে?
"হে বঙ্গ ,ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন , তা সবে (অবোধ আমি) অবহেলা করি পরধন লোভে মত্ত, করিনু গমন পরদেশ" -কোন কবির রচিত কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে ?
'হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন, তা সবে অবোধ আমি অবহেলা করি' কোন কবির কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে?
'হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন, তা সবে অবোধ আমি অবহেলা করি পরধব লোভে মত্ত' --- কোন কবির কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে ?
’পরধন লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ/পরদেশে ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আরচি’-কবি পরধন বলতে বুঝিয়েছেন-
'পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি ।' এর পরের পঙক্তি -