কুল ইয়া-কাওমি‘মালূ‘আলা-মাক-নাতিকুম ইন্নী ‘আ-মিলূন ফাছাওফা তা‘লামূনা মান তাকূনুলাহূ‘আ-কিবাতুদ দা-রি ইন্নাহূলা-ইউফলিহুজ্জা-লিমূন।উচ্চারণ
হে মুহাম্মাদ! বলে দাও, হে লোকেরা, তোমরা নিজেদের জায়গায় কাজ করে যেতে থাকো এবং আমিও নিজের জায়গায় কাজ করে যেতে থাকি, ১০৩ শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে পরিণাম কার জন্য মঙ্গলজনক হবে। তবে জালেম কখনো সফলকাম হতে পারে না, এটি একটি চিরন্তন সত্য। তাফহীমুল কুরআন
(হে নবী! ওই সকল লোককে) বল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আপন স্থানে (নিজেদের নিয়ম অনুসারে) কাজ করতে থাক, আমিও (নিজ নিয়ম অনুসারে) কাজ করছি। শীঘ্রই জানতে পারবে, এ দুনিয়ার পরিণাম কার অনুকূলে যায়। (আপন স্থানে) এটা নিশ্চিত সত্য যে, জালেমগণ কৃতকার্য হয় না।মুফতী তাকী উসমানী
তুমি বলে দাওঃ হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা নিজ নিজ অবস্থায় ‘আমল করতে থাক, আমিও ‘আমল করছি, অতঃপর শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে যে, কার পরিণাম কল্যাণকর। নিঃসন্দেহে অত্যাচারীরা কখনও মুক্তি ও সাফল্য লাভ করতে পারবেনা।মুজিবুর রহমান
আপনি বলে দিনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা স্বস্থানে কাজ করে যাও, আমিও কাজ করি। অচিরেই জানতে পারবে যে, পরিণাম গৃহ কে লাভ করে। নিশ্চয় জালেমরা সুফলপ্রাপ্ত হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘হে আমার সম্প্রদায় ! তোমরা যেখানে যা করছো, করতে থাক ; আমিও আমার কাজ করছি। তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে, কার পরিণাম মঙ্গলময়। জালিমগণ কখনও সফলকাম হবে না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘হে আমার কওম, তোমরা তোমাদের অবস্থানে থেকে কাজ কর, নিশ্চয় আমিও কাজ করছি। অচিরেই তোমরা জানতে পারবে কার জন্য হবে আখিরাতের পরিণতি। নিশ্চয় যালিমরা সফল হয় না।’আল-বায়ান
বল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের (ধর্মীয়) অবস্থানে থেকে যা করছ করে যাও, আমিও আমার কাজ করছি, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে কল্যাণময় পরিণতি কার হবে। যালিমগণ কখনও সফলকাম হয় না।তাইসিরুল
বলো -- "হে আমার লোকেরা! তোমাদের স্থলে তোমরা কাজ করে চলো, আমিও কাজ করে যাচ্ছি, আর শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কার জন্য রয়েছে শেষ-আলয়।" নিঃসন্দেহ অন্যায়কারীরা সফলকাম হবে না।মাওলানা জহুরুল হক
১০৩
অর্থাৎ আমার বুঝাবার পরও যদি তোমরা না বুঝতে চাও এবং নিজেদের ভ্রান্ত পদক্ষেপ থেকে বিরত না হও, তাহলে যে পথে তোমরা চলছো সে পথে চলে যেতে থাকো আর আমাকে আমার পথে চলতে দাও। এর পরিণাম যা কিছু হবে তা তোমাদের সামনেও আসবে এবং আমার সামনেও।
১৩৫. বলুন, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের অবস্থানে থেকে কাজ কর, নিশ্চয় আমিও আমার কাজ করছি। তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে, কার পরিণাম মঙ্গলময়।(১) নিশ্চয় যালিমরা সফল হয় না।
(১) অর্থাৎ যখন আল্লাহর আযাব নাযিল হবে, তখন কার পরিণাম ভালো সেটা স্পষ্ট হয়ে যাবে। (মুয়াস্সার)
(১৩৫) বল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা যা করছ, করতে থাক। আমিও আমার কাজ করছি।(1) তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে, কার পরিণাম মঙ্গলময়। নিশ্চয় যালেমরা সফলকাম হবে না। (2)
(1) এটা কুফরী ও অবাধ্যতার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার এখতিয়ার বা অনুমতি দান নয়, বরং এ হল কঠোর ধমক; যা পরের শব্দগুলো থেকেও স্পষ্ট হয়। যেমন, অন্যত্র বলেন, {وَقُلْ لِلَّذِينَ لا يُؤْمِنُونَ اعْمَلُوا عَلَى مَكَانَتِكُمْ إِنَّا عَامِلُونَ، وَانْتَظِرُوا إِنَّا مُنْتَظِرُونَ} অর্থাৎ, আর যারা ঈমান আনে না, তাদেরকে বলে দাও যে, তোমরা নিজ নিজ অবস্থায় কাজ করে যাও, আমরাও কাজ করে যাই। আর তোমরাও অপেক্ষা করতে থাক, আমরাও অপেক্ষায় রইলাম। (সূরা হূদ ১২১-১২২)
(2) যেমন, অল্প দিনের মধ্যেই মহান আল্লাহ তাঁর এই প্রতিশ্রুতিকে সত্য করে দেখালেন। ৮ম হিজরীতে মক্কা বিজয় হল। আর মক্কা বিজয় হওয়ার পর আরব গোত্রগুলো দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে আরম্ভ করল এবং এইভাবে সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ মুসলিমদের অধীনে চলে এল। পরবর্তীতে তার সীমা আরো বাড়তে ও সম্প্রসারিত হতেই থাকল।