۞إِنَّمَا يَسۡتَجِيبُ ٱلَّذِينَ يَسۡمَعُونَۘ وَٱلۡمَوۡتَىٰ يَبۡعَثُهُمُ ٱللَّهُ ثُمَّ إِلَيۡهِ يُرۡجَعُونَ

ইন্নামা-ইয়াছতাজীবুল্লাযীনা ইয়াছমা‘ঊনা ওয়াল মাওতা-ইয়াব‘আছুহুমুল্লা-হু ছুম্মা ইলাইহি ইউরজা‘ঊন।উচ্চারণ

সত্যের দাওয়াতে তারাই সাড়া দেয় যারা শোনে। আর মৃতদেরকে ২৫ তো আল্লাহ‌ কবর থেকেই ওঠাবেন, তারপর তাদেরকে (তাঁর আদালতে হাযির হবার জন্য) ফিরিয়ে আনা হবে। তাফহীমুল কুরআন

কথা তো কেবল তারাই মানতে পারে, যারা (সত্যের আকাক্সক্ষী হয়ে) শোনে। আর মৃতদের বিষয়টা এই যে, আল্লাহই তাদেরকে কবর থেকে উঠাবেন, অতঃপর তাঁরই কাছে তারা প্রত্যানীত হবে। #%১৩%#মুফতী তাকী উসমানী

যারা শুনে তারাই সত্যের ডাকে সাড়া দেয়। আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করে উঠাবেন, অতঃপর তারা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।মুজিবুর রহমান

তারাই মানে, যারা শ্রবণ করে। আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করে উত্থিত করবেন। অতঃপর তারা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যারা শোনে শুধু তারাই ডাকে সাড়া দেয়। আর মৃতকে আল্লাহ্ পুনর্জীবিত করবেন; এরপর তাঁর দিকেই তারা প্রত্যানীত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারাই সাড়া দেয় যারা শুনে। আর মৃতদেরকে আল্লাহ পুনরায় জীবিত করবেন। তারপর তার দিকেই প্রত্যাবর্তিত হবে।আল-বায়ান

যারা শোনে শুধু তারাই ডাকে সাড়া দেয়। আর মৃতকে আল্লাহ আবার জীবিত করবেন; অতঃপর তাঁর দিকেই তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।তাইসিরুল

কেবল তারাই সাড়া দেয় যারা শোনে। আর মৃতের সন্বন্ধে -- আল্লাহ্ তাদের পুনর্জীবিত করবেন, তখন তাঁর দিকেই তাদের ফিরিরে আনা হবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৫

যারা শোনে বলতে এখানে তাদের কথা বলা হয়েছে যাদের বিবেক জীবন্ত ও জাগ্রত, যারা নিজেদের বুদ্ধি ও চিন্তাশক্তিকে অচল করে দেয়নি এবং যারা নিজেদের মনের দুয়ারে পক্ষপাতিত্ব, বিদ্বেষ ও জড়তার তালা ঝুলিয়ে দেয়নি। পক্ষান্তরে মৃত হচ্ছে তারা যারা ভেড়ার পালের মতো গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে অন্ধের মতো এগিয়ে যেতে থাকে এবং প্রথম ভেড়াটির পথ ছাড়া অন্য কোন পথ গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয় না, তা দ্ব্যর্থহীন সুস্পষ্ট ও অকাট্য সত্য হলেও।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

আয়াতে কাফেরদেরকে মৃতদের সাথে তুলনা করা হয়েছে, যেহেতু তারা আল্লাহ তা‘আলার নিদর্শনাবলীতে চিন্তা করে না, তা থেকে সবক নেয় না ও উপদেশ গ্রহণ করে না এবং রাসূলগণের বিরুদ্ধাচরণ থেকে নিবৃত্ত হয় না, যেন তারা মৃতদেরই মত কোন আওয়াজ শোনে না, কোন দৃশ্য দেখে না, কোন কথা বোঝে না ও কোন কিছুতেই মাথা খাটায় না। সুতরাং এ জীবন্মৃত কাফেরগণ ঈমান আনবে বলে আশা করতে পার না। তারা তাদের কুফর অবস্থায়ই প্রকৃত মৃতদের সাথে মিলিত হবে। তারপর তাদেরই সাথে আল্লাহর কাছে প্রত্যানীত হবে এবং সেখানে তাদেরকে তাদের হঠকারী কর্মপন্থার কুফল ভোগ করতে হবে। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৬. যারা শুনতে পায় শুধু তারাই ডাকে সাড়া দেয়। আর মৃতদেরকে আল্লাহ আবার জীবিত করবেন(১); তারপর তাঁর দিকেই তাদেরকে প্রত্যাবর্তন করানো হবে।

(১) আল্লামা শানকীতী বলেন, অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে এ আয়াতে মৃত বলে কাফেরদেরকে বোঝানো হয়েছে। অন্য আয়াতেও সেটা আমরা দেখতে পাই। যেমন, “যে ব্যক্তি মৃত ছিল, যাকে আমরা পরে জীবিত করেছি এবং যাকে মানুষের মধ্যে চলার জন্য আলোক দিয়েছি, সে ব্যক্তি কি ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে অন্ধকারে রয়েছে।” (সূরা আল-আনআমঃ ১২২) “এবং সমান নয় জীবিত ও মৃত। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছে শোনান; আর আপনি শোনাতে পারবেন না যারা কবরে রয়েছে তাদেরকে।” (সূরা ফাতের ২২) (আদওয়াউল বায়ান; আত-তাফসীরুস সহীহ)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৬) যারা শ্রবণ করে, শুধু তারাই আহবানে সাড়া দেয়।(1) আর মৃতদিগকে আল্লাহ পুনর্জীবিত করবেন, অতঃপর তাঁর দিকেই তারা প্রত্যানীত হবে।

(1) আর এই কাফেরদের অবস্থা হল মৃতদের মত। যেভাবে মৃতরা শোনা ও অনুধাবন করার শক্তি থেকে বঞ্চিত, অনুরূপ এরা যেহেতু তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি দ্বারা সত্যকে বুঝতে চেষ্টা করে না, তাই এরাও মৃত।